১১ লাখ মার্কিন ডলারের বেশি লটারি জিতেছেন। কিন্তু তিনি চান না তার স্বজনরা সেটা জানুক। কারণ লোভী স্বজনরা সেটা জানলেই হয়তো তার কাছে টাকা চেয়ে বসবেন। সে কারণে মুখোশ পরেই লটারির টাকা নিলেন জ্যামাইকার এক ব্যক্তি। নিজের পরিচয় গোপন করে ছদ্মনাম এ. চ্যাম্পবেল বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। অর্থলোভী স্বজনদের যেন টাকা দিতে না হয় সেজন্যই মুখোশ পরে লটারির টাকা নেয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

ন্যাশন্স সুপার লোটো থেকে পাওয়া লটারির টাকা পেতে ৫৪ দিন অপেক্ষা করতে হয়েছে চ্যাম্পবেলকে। গত বছরের নভেম্বরে তিনি এই লটারি জিতেছিলেন। তিনি জানিয়েছেন, লটারির এই টাকা দিয়ে তিনি একটি সুন্দর বাড়ি কিনবেন। তার একটি ছোট ব্যবসা আছে। তিনি লটারির টাকা দিয়ে এই ব্যবসাকে আরও বড় করবেন। এর আগে গত জুনে আরও এক সুপার লোটো লটারি বিজয়ী একটি ইমোজি মাস্ক পরে লটারির টাকা নেয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি জ্যামাইকার অর্থে প্রায় ১৮ কোটি ৯ লাখ ডলার লটারি জিতেছিলেন। নিজের পরিচয় গোপন করতেই মাস্ক পরার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি।

৮০ কেজির বাঘাইড়ের দাম ৮০ হাজার টাকা: নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বগুড়ার গাবতলী উপজেলার ইছামতী নদীর তীরে বুধবার থেকে ঐতিহ্যবাহী পোড়াদহ মেলা শুরু হয়েছে। একদিনের জন্য এই মেলা হলেও চলে দু’দিন। পর দিন মেলার নাম হয়ে যায় বৌ-মেলা। এদিন কেনাকাটা করেন এলাকার বৌয়েরা। এই মেলার প্রধান আকর্ষণ বিভিন্ন ধরনের বড় বড় মাছ। এই মাছ কেনার জন্য জামাই ও শ্বশুরের মধ্যে প্রতিযোগিতা চলে। মেলা উপলক্ষে আশপাশের মানুষ তাদের মেয়ে-জামাই এবং আত্মীয় স্বজনদের দাওয়াত করে এনেছেন। বিশেষ করে বিশাল বাঘা আইড় মাছ কিনতে অনেক মানুষ এ মেলায় আসেন। অনেকে এই মেলাকে বলেন, মাছের মেলা। এবারের মেলায় ৮০ কেজি ওজনের বিশাল একটি বাঘাইড় মাছ উঠেছে। বিক্রেতা দাম হাঁকছেন ৮০ হাজার টাকা। একজন ২০ কেজি ওজনের একটি কাতলা মাছের দাম হাঁকছেন ৩০ হাজার টাকা। প্রায় ২০০ বছর আগে বগুড়ার গাবতলী উপজেলার গাড়িদহ নদী ঘেঁষে বিভিন্ন স্থান থেকে আসা সন্ন্যাসীরা এখানে আস্তানা গাড়েন। এর প্রায় ৫০ বছর পর স্থানীয় লোকজন এখানে সন্ন্যাসী পূজার পাশাপাশি গোড়াপত্তন করেন ঐতিহ্যবাহী এই মেলার। সেই থেকে প্রতিবছর মেলাটি মাঘ মাসের শেষ বুধবার অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। সে হিসেবে গত সপ্তাহের বুধবার এ মেলা শুরু হওয়ার থাকলেও আজ পহেলা ফাল্গুন বুধবার হওয়ায় মেলা হচ্ছে।

বর্তমানে ওই এলাকার প্রতিটি বাড়িতে চলছে উৎসবের আমেজ। এটি এখন গোটা বগুড়াবাসীর মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। বড় মাছ ছাড়াও পোড়াদহ মেলায় মেয়েদের প্রসাধনীসামগ্রী, হরেক রকমের খাবার ও আসবাবপত্র এবং শিশুদের জন্য বিভিন্ন ধরনের খেলার সামগ্রীর দোকানপাট বসে। প্রতিবছরই এ মেলায় ক্রেতাদের চাহিদার ওপর লক্ষ্য রেখে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে বড়, ছোট নানা সাইজের মাছ আমদানি করা হয়।

Related Post

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •