এক কাপ ধূমায়িত কফি ছাড়া সকালে অনেকেরই ঘুম ভাঙে না৷ তবে কফি যে কেবল চাঙাই করে তা নয়, পাশাপাশি ওজন কমাতেও সাহায্য করে৷ আর সে-কথাই জানাচ্ছে বিভিন্ন দেশের নতুন কিছু সমীক্ষা৷
কফি রুচি কমায়ঃ গ্রিসের এথেন্স বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট ৩৩জন নারী-পুরুষ নিয়ে একটি সমীক্ষা করা হয়৷ অংশগ্রহণকারীদের সকালের নাস্তায় একদিন কফি দেয়া হয়, আরেকদিন কফি বাদ রাখা হয়৷ তবে কফি পান করার পর তাঁরা সেদিন শুধু দুপুরের খাবারই শুধু নয়, পুরো দিনই কিছুটা কম ক্যালরি গ্রহণ করেছেন৷ এর কারণ হিসেবে গবেষকরা বলছেন, কফির তেতো উপাদান নাকি খিদে কমায়৷

এনার্জি বাড়ায়ঃ গত কয়েক বছরে নিউ ইয়র্কে কফি নিয়ে কয়েকটি গবেষণা করা হয়৷ এসবের ফলাফল থেকে বেশ স্পষ্টভাবেই বোঝা গেছে যে, কফি পানের মাধ্যমে শরীর ক্যালরি গ্রহণ করে কম এবং ক্ষয় করে বেশি৷ তবে তা সত্ত্বেও এনার্জি বাড়ায়৷
অস্ট্রেলিয়ার সমীক্ষাঃ কফির একটি নতুন উপাদান খুঁজে পেয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার পার্থ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা৷ তাঁরা জানান, কফির ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড শরীরের কিছু হজম এনজাইমকে দমন করে৷ ফলে শরীর চিনি এবং ফ্যাট কম গ্রহণ করে৷ তবে তাঁরা এ-ও জানান যে, অতিরিক্ত কফি পানের ফল উল্টোও হতে পারে৷

জার্মানির সমীক্ষারও একই ফলাফলঃ কফি ওজন বাড়া বন্ধ করতে সাহায্য করে বা ওজন নিয়ন্ত্রণ করে৷ জার্মানিতে ৫০০ মানুষকে নিয়ে করা এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, কফি পানের পর শরীরের ভেতরের তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার ফলে শরীরে বাড়তি ফ্যাট বা চর্বি সহজে পুড়ে শরীরকে স্লিম রাখতে সহায়তা করে৷
যেমনটা করতে পারেনঃ সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যায় ব্ল্যাক কফি, অর্থাৎ দুধ এবং চিনি ছাড়া কফি পান করলে৷ দিনে দুই থেকে তিন কাপ কফিই যথেষ্ট৷ খাওয়ার আগে কফি পান করলে খিদে কমে৷ সবচেয়ে ভালো হয় সকালের নাস্তায়, দুপুরে খাওয়ার পর এবং বিকেলে এককাপ কফি পান করলে৷ তবে বিকেলে কেক, বিস্কুট ছাড়া শুধু এক কাপ গরম কফি পান করা ভালো।

Related Post