পুলওয়ামা কাণ্ডের জেরে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুটছে গোটা ভারত। এক নজরে দেখুন, অস্ত্রসজ্জায় কোন দেশ এগিয়ে রয়েছে।
যুদ্ধ বিমান — ভারতের কাছে রয়েছে ২,১৮৫টি। পাকিস্তানের কাছে রয়েছে ১,২৮১টি। ফাইটার যুদ্ধবিমান— ভারতের রয়েছে ৫৯০টি। পাকিস্তানের রয়েছে ৩২০টি।
অ্যাটাক যুদ্ধবিমান— ভারতের রয়েছে ৮০৪টি। পাকিস্তানের ৪১০টি। বহনকারী বিমান (ট্রান্সপোর্ট)— ভারতের রয়েছে ৭০৮টি। পাকিস্তানের ২৯৬টি।

হেলিকপ্টার— ভারতের ৭২০টি। পাকিস্তানের ৩২৮টি। অ্যাটাক হেলিকপ্টার—ভারতের ১৫টি। পাকিস্তানের ৪৯টি। ## ট্যাঙ্ক— ভারতের ৪,৪২৬টি। পাকিস্তানের ২,১৮২টি। যুদ্ধ সরঞ্জামপূর্ণ গাড়ি—ভারতের ৩,১৪৭টি। পাকিস্তানের ২,৬০৪টি। ## সেলফ প্রপেলড আর্টিলেরি— ভারতের ১৯০টি। পাকিস্তানের ৩০৭টি। কামান— ভারতের ৪,১৫৮। পাকিস্তানের— ১,২৪০টি। ## যুদ্ধ জাহাজ— ভারতের ২৯৫টি, পাকিস্তানের ১৯৭টি। যুদ্ধ বিমান বহনকারী জাহাজ— ভারতের একটি। পাকিস্তানের নেই। ## সাবমেরিন— ভারতের ১৬টি। পাকিস্তানের ৫টি। বিশেষ ক্ষমতা সম্পন্ন রণতরী— ভারতের ১৪। পাকিস্তানের ১০টি।
ড্রেস্টয়ার্স রণতরী— ভারতের ১১টি। পাকিস্তানের হাতে একটিও নেই।

## ব্রেকিং নিউজ: পাকিস্তান সীমান্তে ১৪০ যুদ্ধবিমান নিয়ে ভারতের…
ভারতীয় বিমানবাহিনী ১৪০টি যুদ্ধবিমান নিয়ে শক্তিশালী সামরিক মহড়া চালিয়েছে। পাকিস্তান সীমান্ত সংলগ্ন একটি এলাকায় এমন সময়ে এ মহড়া চালানো হলো যখন কাশ্মীরে আত্মঘাতী বোমা হামলায় অন্তত ৪০ জন সেনা নিহত হওয়া নিয়ে পাক-ভারত সম্পর্কে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, পাকিস্তানভিত্তিক সশস্ত্র জঙ্গি সংগঠন জঈশ-ই-মোহাম্মদের ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা চালানোর পরিকল্পনা হিসেবে মহড়া চালিয়েছে ভারতীয় বিমানবাহিনী। উল্লেখ্য, কাশ্মীরের পুলওয়ামায় গত বৃহস্পতিবারের হামলার দায় স্বীকার করেছে জঈশ-ই-মোহাম্মদ।

ভারতীয় বিমানবাহনীর প্রধান মার্শাল বীরেন্দ্র সিংহ ধনোয়া বলেন, ‘রাজনৈতিক নেতাদের নির্দেশনা অনুযায়ী যে কোনো সময় উপযুক্ত জবাব দেয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছে বিমানবাহিনী।’ ভারতীয় বায়ুসেনা হিসেবে পরিচিত শক্তিশালী এই বাহিনীর প্রধান অবশ্য পাকিস্তান কিংবা পুলওয়ামা হামলার কথা উল্লেখ করেনিনি।

বিমানবাহনীর প্রধান মার্শাল বীরেন্দ্র সিংহ ধনোয়া আরও বলেন, ‘আমি গোটা জাতিকে আশ্বাস দিয়ে বলতে চাই ভারতীয় বিমানবাহিনীর সক্ষমতা ও প্রতিজ্ঞা আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা এবং সার্বভৌমত্বের ওপর যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত আছে।’ সেনাবাহিনীর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, ভারতীয় বিমানবাহিনী তাদের আগাম পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এ মহড়া চালিয়েছে। জরুরি নির্দেশনায় যাতে বিমানবাহিনী সঠিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাতসহ মিশন পরিচালনা করতে পারে তা নিশ্চিত করতেই এই মহড়া চালিয়েছে তারা।

Related Post

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •