শহীদ সেনা পরিবারের সাহায্য- পুলওয়ামায় ভয়াবহ জঙ্গি হামলায় শহীদ সেনা জওয়ানদের পরিবারের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন ভারতের শীর্ষ ধনী মুকেশ আম্বানীর কোম্পানি রিলায়েন্স ফাউন্ডেশন। শনিবার একটি টুইটের মাধ্যমে কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারা শহীদ সেনাদের ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা ও চাকরির দায়িত্ব নেবে। পাশাপাশি পরিবারগুলোর জীবনযাপনের খরচের দায়িত্ব তারা নিচ্ছে বলে জানায়।

এছাড়াও রিলায়েন্স জানিয়ে দেয়, ‘‘প্রয়োজনে আমাদের হাসপাতাল থেকে আহত জওয়ানদের চিকিৎসা করানো হবে।’’ সরকার জওয়ানদের যেকোনও দায়িত্ব তাদের উপর দিতে পারে বলেও জানিয়ে দেয় মুকেশ অম্বানীর কোম্বানি। টুইটে পোস্ট করা বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে কাশ্মীরে হওয়া নাশকতার তীব্র নিন্দা করেছে রিলায়েন্স। সঙ্গে, নাশকতার বিরুদ্ধে এক হয়ে লড়ার বার্তা দিয়েছে অম্বানীর কোম্পানি।

##ভারতের প্রত্যাঘাতে আতঙ্কিত পাকিস্তান, সীমান্ত থেকে সরাচ্ছে জঙ্গি আস্তানা!
পুলওয়ামায় হামলার পর থেকেই গোটা ভারত পাকিস্তানের উপরে চরম ক্ষুব্ধ। গোটা দেশবাসী প্রতিবেশী শত্রুদেশ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বড়সড় পদক্ষেপ নেওয়ার আবেদন জানাচ্ছে সরকারের কাছে। আর এর জন্যই পাকিস্তান আতঙ্কিত যে, ভারত আবার না সার্জিক্যাল স্ট্রাইক না করে দেয়।

ভারতের ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে পাকিস্তান এখন সীমান্ত থেকে জঙ্গিদের আস্তানা সরাচ্ছে। সুত্র অনুযায়ী এবার জঙ্গিদের আস্তানা সেনা ছাউনির ঠিক পাশেই হবে। আর এরকম যদি হয়, তাহলে ভারতের লাভই হবে। কারণ এক ঢিলে দুই পাখি মারতে পারবে ভারতীয় সেনার জওয়ানেরা। মোদী সরকার জানিয়েছে যে, সিআরপিএফ এর উপর কাপুরুষের মত হামলা করা জঙ্গি সংগঠন জৈশ এ মহম্মদ এর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সেনাকে পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া হয়েছে। এই সময় দুই দেশের সীমান্তই উত্তপ্ত। কাশ্মীরের উচ্চ পদস্থ গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে যে, এই সময় সীমান্তে কোনপ্রকারের আর্টিলারি মুভমেন্ট করা হচ্ছে না। সূত্র জানায়, ‘ যেখানে জঙ্গিদের ট্রেনিং দেওয়া হত আর যেখান থেকে জঙ্গিদের এদেশে পাঠানো হত, সেই যায়গা থেকে সব জঙ্গি ঘাঁটি সরিয়ে নিয়েছে পাকিস্তান। এখন আমাদের কাছে একটাই বিকল্প হল, পাক সেনা ছাউনিতে আক্রমণ করা। কিন্তু এটা করলে যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হবে” গোয়েন্দা সূত্র অনুযায়ী, পাকিস্তান জঙ্গি হামলার পর জবাবি পদক্ষেপ এর জন্য আতঙ্কিত আছে। আর তাঁর জন্যই তাঁরা জঙ্গিদের আস্তানা সরিয়ে নিয়ে গেছে, আর তাঁদের শীতকালীন পোস্ট গুলোকেও খালি করেনি। সূত্র জানায়, আনুমানিক ৫০-৬০ শীতকালীন পাক সেনা ছাউনি যেগুলো প্রতি বছর শীতের পর খালি করা হয়ে থাকে, সেখানে এখনো পাক সৈন্য আছে। আপাতত ওরা সংখ্যায় কত সেটা আমাদের পক্ষে জানা সম্ভব হয়নি।

“মোদীজি আপনি পাকিস্থানে আক্রমণ করুন,আমরা আপনার সাথে আছি”: পাকিস্থানি মহিলা
পাকিস্থান বার বার ভারতে কেন আতঙ্কবাদী আক্রমণ ঘটায়, এটার কারণ অনেকে স্পষ্ট বুঝতে পারে না। আসলে ১৯৪৭ সালে ভারত ভেঙে কট্টরপন্থী মুসলিমরা জিহাদের নামে পাকিস্থান তৈরি করেছিল। পাকিস্থানের সৃষ্টি পুরোপুরি জিহাদ নীতির উপর, পাকিস্থানিরা ভারতকে দারুল হারব মনে করে। পাকিস্থানিদের উদ্যেশে ভারতকে যেনতেন প্রকারে গজবা-এ-হিন্দ তথা ইসলামিক দেশে পরিণত করা। আর এই শিক্ষা পাকিস্থানের প্রত্যেক ছেলে মেয়েকে তাদের বাচ্চা বয়সে মাদ্রাসাতে দেওয়া হয়। এর জন্যেই পাকিস্থান মনে করে যে ভারতকে গাজবা-এ-হিন্দ করারা জন্য তথা জিহাদের নামে ভারতীয়দের প্রাণ গেলে সেটা তাদের জন্য পবিত্র।

পাকিস্থানিরা মনে করে যে যদি তারা ভারতীয়দের হত্যা করতে গিয়ে তারা মারা যায় তাহলে আল্লাহ তাদের জান্নাত প্রদান করবে। পাকিস্থান কট্টর সুন্নি মুসলিম দেশ যারা ভারতীয়দের জ্বালাতন করার সাথে সাথে পাকিস্থানের ভেতরে থাকা বালুচ মুসলিমদেরও উৎপীড়ন করে। একইসাথে পাকিস্থান সিয়া মুসলিম বহুল ইরানের সীমান্তেও আতঙ্কববাদী গতিবিধি চালায়। আর এই সমস্থ কারণের জন্যেই পাকিস্থান বেশ কয়েকটি প্রান্ত পাকিস্থান দেশ থেকে আলাদা হয়ে নতুন দেশ গঠন করতে চাইছে। পুলবামা আতঙ্কবাদী হামলা নিয়ে যখন পুরো দেশ উত্তাল হয়ে রয়েছে। সেই সময় পাকিস্থানের বেলুচিস্তান প্রদেশের নেতা নেত্রীরা ভারতের সরকারকে সমর্থন জানিয়েছে।

বেলুচিস্তান ছাত্র সংগঠনের চেয়ার পারসন “কারিমা বালোচ” বলেছেন ভারত পাকিস্থানের উপর আক্রমণ করুক। উনি বলেছেন আমরা ভারতের সাথে আছি এবং মোদীজিকে পাকিস্থানে আক্রমন করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। কারিমা বালোচ প্রধানমন্ত্রী মোদীকে ভাই বলে সম্বোধিত করেন এবং পাকিস্থানে আক্রমনের জন্য আহবান জানান।

করিমা বালোচ বলেছেন বেশি দেরি করবেন না, শীঘ্রই আক্রমন করে পাকিস্থানের কোমর ভেঙে দিন। পুলবামা হামলার পর ভারতের সাথে সাথে বালোচ এর জনতাও ভারতের পতাকা হাতে পাকিস্থানকে ধিক্কার জানিয়েছে। কিছু সময় আগেই বালোচদের নেত্রী ঘোষণা করেছিলেন যে তাদের নতুন দেশ তৈরি হলে তারা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সবথেকে বড় মূর্তি নির্মাণ করবে।

Related Post

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •