ঢাকা- রাজধানীর ফকিরাপুল এলাকার একটি ডাস্টবিন থেকে পিস্তল, রাইফেলের গুলি ও একটি গ্রেনেড উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার দিবাগত রাতে ফকিরাপুলের কালভার্ট রোড থেকে ফোন পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। সেখানে গিয়ে একটি লোহার ডাস্টবিনে এগুলো দেখে বোমা ডিস্পোজাল ইউনিটকে খবর দিলে তারা সেগুলো উদ্ধার করে এবং গ্রেনেডটি নিষ্ক্রিয় করে।

ডাস্টবিন থেকে নাইন এমএম পিস্তলের মোট ৮ রাউন্ড গুলি, ২৮ রাউন্ড রাইফেলের গুলি, ১৯ রাউন্ড শর্টগানের গুলি উদ্ধার করা হয়। এগুলোর গায়ে ‘মেইড ইন পাকিস্তান’ লেখা রয়েছে। কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের অতিরিক্ত উপকমিশনার (বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট) রহমতুল্লাহ বলেন, ‘পল্টন থানা পুলিশের দেওয়া খবর পেয়ে রোববার দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার দিকে পল্টনে গিয়ে একটি গ্রেনেড নিস্ক্রিয় করা হয়। যা ছিল একটি আর্জেস গ্রেনেড। এটি ছিল তাজা ও শক্তিশালী। তবে একটু পুরনো হয়েছিল। মনে হচ্ছে কিছুদিন এটি ফেলে রাখা হয়েছিল।’ তিনি আরও বলেন, ‘গ্রেনেডের পাশাপাশি ওই ডাস্টবিন থেকে বিপুল পরিমাণ গুলি পাওয়া যায়। সেগুলোর মধ্যে ২৮টি একে ফোর্টিসেভেন রাইফেলের গুলি, ৮টি নাইন এমএম পিস্তলের গুলি ও ১৯টি শর্টগানের গুলিসহ মোট ৫৫ রাউন্ড গুলি ছিল। যার প্রত্যেকটির গায়ে মেড ইন পাকিস্তান লেখা রয়েছে। এমনকি গ্রেনেডটির গায়েও মেইড ইন পাকিস্তান লেখা ছিল।’

এ বিষয়ে পল্টন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুল হক বলেন, ‘রোববার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১১ টার দিকে এক দল টোকাই ডাস্টবিনে গ্রেনেড আর গুলি দেখে টহল পুলিশকে খবর দেয় এবং টহল পুলিশ থানাকে বিষয়টি অবহিত করে। এরপর ডাস্টবিনে গ্রেনেড দেখে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়।’ মাহমুদুল হক আরও বলেন, কারা গ্রেনেড ও গুলি ফেলে গেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কেউ সুযোগ পেয়ে এখানে এসব গুলি ও গ্রেনেড ফেলে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আশেপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের কাজ চলছে।

Related Post