সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানোর বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনার অপেক্ষায় রয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে নির্দেশনা দিলেই কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন।

চাকরির বয়স বাড়ানো নিয়ে সরকারের অবস্থান বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইশতেহারে এ বিষয়ে (বয়স বৃদ্ধি) আলোচনা এসেছে। প্রধানমন্ত্রী নিশ্চয়ই এ বিষয়টি ক্লিয়ার করবেন। কেবল তো সরকারের এক মাস অতিক্রম করলাম। একটু ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে হবে।

মন্ত্রণালয়ে কোনো কার্যক্রম আছে কিনা- প্রশ্নে ফরহাদ হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাদের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কেই নির্দেশনা দেবেন। আমরা নির্দেশনার অপেক্ষায় আছি। প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিলে তখন আমরা কাজ শুরু করবো।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী বলেন, সমস্ত ইশতেহার বাস্তবায়নের জন্য সব মন্ত্রণালয়কে তাগিদ দেওয়া হয়েছে। সেখানে ইশতেহারে যা যা আছে আমরা অবশ্যই বাস্তবায়ন করবো।

আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারে থাকা তরুণদের কর্মসংস্থান ও চাকরির বয়স বাড়ানোর বিষয়টি নিয়ে চাকরিপ্রত্যাশীদের ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও বয়স বাড়ানো আশ্বাস নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ আলোচনা চলছে।

তবে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ওবায়দুল কাদের আগামী মাসে এ বিষয়ে সুস্পষ্ট ঘোষণার বিষয়টি অস্বীকার করেন।

গেল শনিবার সকালে ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের বলেন, চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ নিয়ে আমি কোনো কথা বলিনি। প্রথমেই আমি এটা জানিয়ে রাখছি। এটা তারাই গুজব ছড়াচ্ছে।

তবে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ওবায়দুল কাদের আগামী মাসে এ বিষয়ে সুস্পষ্ট ঘোষণার বিষয়টি অস্বীকার করেন।

গেল শনিবার সকালে ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের বলেন, চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩৫ নিয়ে আমি কোনো কথা বলিনি। প্রথমেই আমি এটা জানিয়ে রাখছি। এটা তারাই গুজব ছড়াচ্ছে।