মসজিদুল আকসা, মুসলমানদের প্রথম কিবলা। এটি জেরুজালেমে অবস্থিত। এই মসজিদটি মুসলমানদের অনেক আবেগের একটি বিষয়। কিন্তু এটাকে ধ্বংস করার পরিকল্পনা চলছে!!! বর্তমানে গুগলে সার্চ দিলে মসজিদুল আকসা নামে যে স্বর্ণালী রঙ্গের মসজিদটি রয়েছে তা আসলে সত্যিকারের মসজিদুল আকসা নয়। এটির নাম Dome of the Rock (ডোম অব দি রক)। আরেক টি নাম ‘আল শাখরা(Al Sakhrah) মসজিদ’। এর কারন, ইহুদিরা নতুন প্রজন্মকে আল আকসা মসজিদ সম্পর্কে দ্বিধাবিভক্ত করতে চায়। তারা এই মসজিদ সম্পর্কে মানুষকে জানতে দিতে চায়না।মুস্লিমদের চোখের সামনে থেকে আল আসকা মসজিদ মুছে ফেলার একটি ঘৃণ্য চক্রান্ত – যাতে আমরা মুসলিম রাও না জেনে প্রতিনিয়ত প্রচারনা চালাচ্ছি।

→ এখন আসুন জানি, কেন ইহুদীদের এই চেষ্টাঃ
ইহুদীবাদীরা দাবি করছে, কথিত সোলায়মানের মন্দিরের ধ্বংসাবশেষের ওপর আলআকসা মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে। কাজেই এটি ধ্বংস করে পুনরায় সেখানে সোলায়মানের মন্দির স্থাপন করতে হবে। ইহুদীবাদীদের এ দাবির কিন্তু ঐতিহাসিক কোন সত্যতা পাওয়া যায় নি। মসজিদুল আকসা এমন একটি প্রাচীন পবিত্র স্থান যা গোটা মানবজাতির সম্পদ।
শুধু আল আকসা মসজিদ নয়, ইসরাইল বাইতুল মোকাদ্দাস বা জেরুজালেমের সকল মুসলিম ঐতিহাসিক নিদর্শন ধ্বংসের কর্মসূচী গ্রহণ করেছে।
বাইতুল মোকাদ্দাসের ইসলামী পরিচিতি মুছে ফেলার লক্ষ্যে ইহুদীবাদীরা সেখানকার বহু মসজিদ ও মুসলিম স্থাপনা ধ্বংস করে সেখানে ইহুদী উপাসনালয় নির্মান করেছে। গত কয়েক বছরে শহরটিতে ‘তাওরাতের পার্ক’ নামে বহু পার্ক তৈরি করা হয়েছে। ইহুদীবাদীরা কয়েক মাস আগে বাইতুল মোকাদ্দাসের বহু পুরনো একটি মুসলিম কবরস্থান ধ্বংস করেছে। ঐ কবরস্থানে বিশ্বনবী (সাঃ) এর বেশ কয়েকজন সাহাবীর কবর ছিলো।
এসবের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইহুদিরা পরিকল্পনা করেছে এক সময় তারা আসল মসজিদটিকে ধ্বংস করবে আর এটা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হলে তারা আল শাখরা মসজিদ কে দেখিয়ে বলবে মসজিদের কিছু করা হয়নি।

Related Post

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •