আল্লাহর প্রতি পূর্ণ ঈমান থাকবে এবং ঈমানের দাবিসমূহ আদায় করবে। আল্লাহর প্রতি গভীর ভালোবাসা থাকবে এবং ভালোবাসার দাবিসমূহ পালন করবে। আল্লাহর আদেশের সামনে সর্বদা শির নত করে দিবে। আল্লাহর রেযা ও সন্তুষ্টিই হবে তার জীবনের একমাত্র চাওয়া-পাওয়া। তাকদীরের উপর রাজি খুশি থাকবে। কোনো গোনাহ হয়ে গেলে সঙ্গেসঙ্গে ইস্তিগফার ও তাওবা করবে।

ফরয ইবাদতসমূহ যথাযথভাবে আদায় করবে। আল্লাহর সকল বিধানকে শিরোধার্য করবে। ফরয নামাযের প্রতি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিবে। নফল আদায়েও যত্নবান হবে।

রমযানের রোযা রাখবে। ইতিকাফ করার চেষ্টা করবে। বছরের অন্যান্য নফল রোযার ফযীলত লাভেও সচেষ্ট হবে।

হজ্ব ফরয হলে হজ্ব করবে। আল্লাহ তাওফিক দিলে উমরাও করবে।

আল্লাহ নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক বানালে যথাযথ হিসাব করে যাকাত দিবে। সাধ্যমত নফল সদকা করবে; দ্বীনের নুসরতে সম্পদ ব্যয় করবে। অভাবীর পাশে দাঁড়াবে।

কুরআনের সাথে ইলমী ও আমলী সম্পর্ক মজবুত করবে। অধিক পরিমাণে কুরআন তিলাওয়াত করবে। কুরআনের বিধি-বিধানকে নিজের জীবনে শিরোধার্য করবে।

আল্লাহ যেসকল কাজ পছন্দ করেন তা করার চেষ্টা করবে। আল্লাহ যেসকল কাজ অপছন্দ করেন তা থেকে বিরত থাকবে। জীবনের প্রতিটি কাজে আল্লাহর রাসূলের সুন্নতকে আঁকড়ে ধরবে।

Related Post