নিজের ক্ষেত্রেও একজন আদর্শ মুসলিমের অবস্থান হবে খুবই ভারসাম্যপূর্ণ। সে জানে, তার উপর তার শরীরের হক রয়েছে। তাই নিজের শরীরের উপর সে জুলুম করে না। পানাহারের ক্ষেত্রে মান ও পরিমাণ রক্ষা করে। বিশ্রামকে পরিশ্রমের অংশ মনে করে। রাতে তাহাজ্জুদ আদায় করে যেমন সওয়াবের আশা করে তেমনি ঘুমিয়েও সওয়াবের আশা রাখে। নিয়মিত শরীর চর্চা করতে অলসতা করে না। যত ব্যস্ততাই থাকুক তার পোশাক-পরিচ্ছদ থাকে পরিচ্ছন্ন ও পরিপাটি। তার শরীর, পায়ের পাতা, নখ, চুল ও দাড়ি থাকে বিন্যস্ত।

শুধু শরীরই নয়, সে তার মেধা ও মননেরও যত্ন নেয়। প্রতিনিয়ত একটু একটু করে জ্ঞান অর্জন করতে থাকে। যে বিষয়ে তার বিশেষ পড়াশোনা সে বিষয়ে সবচেয়ে বেশি মনোযোগ দেয়। তারপর সময় সুযোগ মত অন্যান্য বিষয়েও জ্ঞান অর্জন করতে থাকে। নিজের সময় ও সমাজ সম্পর্কে তার থাকে পরিষ্কার ধারণা।

যেভাবে মেধা ও মননের বিকাশের জন্য সে পরিশ্রম করে, তেমনি তার রূহেরও খোরাক যোগানোর চেষ্টা করে। নিজের অন্তরাত্মাকে সব ধরনের কলুষ থেকে মুক্ত রাখে। নিয়মিত তিলাওয়াত করে। সকাল-সন্ধ্যা যিকির করে। জায়গামত মাসনূন দুআ পাঠ করে। সৎ লোকের সঙ্গ অবলম্বন করে। নেককারদের মজলিসে যাতায়াত করে।