একজন আদর্শ মুসলিম তার পাড়া-প্রতিবেশীর হক সম্পর্কেও সচেতন থাকে। তাদের আবেগ-অনুভূতির প্রতি খেয়াল রাখে। তাদের দোষ-ত্রুটি গোপন রাখে। তাদের কাছ থেকে কষ্ট পেলে সবর করে। তাদের সাথে ভালো আচরণ করার জন্যে তাদের থেকে ভালো আচরণ পাওয়ার অপেক্ষায় থাকে না। ভালো আচরণের জন্যে তাদের থেকে কোনো বিনিময় বা কৃতজ্ঞতাও প্রত্যাশা করে না। প্রতিবেশী মুসলিম হোক কিংবা অমুসলিম, সবার সাথে সে সুন্দর আচরণ করে। হাদিয়া আদান-প্রদান করে। কেউ অসুস্থ হলে দেখতে যায়। কেউ ইন্তিকাল করলে তার জানাযা ও কাফন-দাফনে শরীক হয়। তার পরিবার-পরিজনকে সান্ত¦না দেয়। তাদের সুখে সুখী হয়, তাদের ব্যথায় ব্যথিত হয়।

ঘরের নিত্যপ্র্রয়োজনীয় তৈজসপত্র ধার দেওয়ার ক্ষেত্রে কখনো ‘না’ করে না। প্রতিবেশীর জন্য তা-ই পছন্দ করে, যা সে নিজের জন্য পছন্দ করে। ঘরে উঁচু আওয়াজ করে না; পাছে প্রতিবেশীর কষ্ট হয়। যখন ভালো খাবার রান্না করে, তখন প্রতিবেশীকেও শরীক করে।

তার রান্নাঘরের ধোঁয়া, তার বাড়ির ময়লার ভাগাড় প্রতিবেশীর কষ্টের কারণ হয় না। মাঝেমধ্যে সে প্রতিবেশীর জন্য উপঢৌকন পাঠায়। উপহার ছোট কি বড় তাতে সে ভ্রুক্ষেপ করে না। যে প্রতিবেশীর ঘর সবচেয়ে নিকটে প্রথমে তাকে প্রাধান্য দেয়। এভাবে প্রাধান্য দেওয়ার ক্ষেত্রে ধারাবাহিকতা রক্ষা করে।

মোটকথা, একজন আদর্শ মুসলিম হয় তার প্রতিবেশীর জন্য সর্বোত্তম প্রতিবেশী।

Related Post