বাংলাদেশ বিমানের দুবাইগামী বিমান ছিনতাই চেষ্টাকারী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিল বলে জানিয়েছেন সেনাবাহিনীর ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি এবং এরিয়া কমান্ডার (চট্টগ্রাম) মেজর জেনারেল এস এম মতিউর রহমান। এছাড়া ওই ব্যক্তি নিজের স্ত্রীর সঙ্গেও কথা বলতে চেয়েছিল।

তিনি বলেন, কমান্ডাে অভিযানে নিহত যুবকর্টির আনুমানিক বয়স ২৫ থেকে ৩০। তার নাম মাহাদী বলে জানা গেছে। সেনাবাহিনীর এক নম্বর প্যারা কমান্ডাের একটি দল অভিযান চালিয়ে তাকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় প্রথমে আটক করে। পরে তার মৃত্যু হয়। সন্ধ্যা সাতটা ১৭ মিনিট থেকে সাতটা ২৫ মিনিট পর্যন্ত আট মিনিটের অভিযানে বিমান ছিনতাই চেষ্টকারীকে নিবৃত্ত করা হয়।

এস এম মতিউর রহমান বলেন, সেনা কমান্ডােকে নেভি সােয়াট ও র্যাব সহযােগিতা করেছে। সৌভাগ্যক্রমে এক নম্বর প্যারা কমান্ডাের দলটি চট্টগ্রামেই ছিল। বিমান ছিনতাই চেষ্টার ঘটনাটি শােনার সঙ্গে সঙ্গে দ্রুত এক নম্বর প্যারা কমান্ডাে দলকে বিমানবন্দরে পাঠানাে হয়। তারা প্রথমে ছিনতাই চেষ্টাকারীকে’ আত্মসমর্পণ করতে আহ্বান জানায়। কিন্তু আত্মসমর্পণ করেনি। পরে অপারেশনে সে ইনজুরড (আহত) হয়। তার কাছে একটি অস্ত্র ছিল। সেই অস্ত্রটি উদ্ধার করা হয়েছে।
মতিউর রহমান বলেন, ‘হােলি আর্টিজানে কমান্ডাে অভিযান পরিচালনাকারী লে. কর্নেল ইমরুল কায়েসের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান এতাে দ্রুত হয়েছে যে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যায়নি। এখন বিষয়গুলাে জানার চেষ্টা করা হবে।’
এয়ার ভাইস মার্শাল মফিজুর রহমান বলেন, ‘আমরা তাকে ব্যস্ত রাখার চেষ্টা করেছিলাম। তাকে (ছিনতাই চেষ্টাকারী) বলেছি আমরা কথা বলার ব্যবস্থা করছি।

Related Post

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •