রাজধানীর উত্তরার আজমপুর এলাকায় নিহত শিশু রিফাতের লাশ নিয়ে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন এলাকাবাসী। দক্ষিণখান থানার বাসিন্দা আবদুর রশিদের সাত বছরের ছেলে রিফাত হত্যার সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে লাশ নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেন তারা।

কয়েকদিন যাবত বাচ্চাটিকে পাওয়া যাচ্ছিল না, যেদিন হারায় ঠিক সেদিনই মসজিদে মাইক মাইকিং করা হয়। তার বাবা মা বাচ্চাটিকে পেলো না পেলই না! বাচ্চার নাম রিফাত বাবার নাম আব্দুর রশীদ, জেলা কিশোরগন্জ বলে জানা গেছে।

রবিবার বাচ্চাটি ঘুড়ি উড়াতে পাশের বাড়ীর ছাদে যায় পরে বাড়ীর লোকজন তাদেরকে ধাওয়া করলে দুই সহপাটি দৌড়ে চলে আসতে পারলেও এই ছেলেটি আসতে পারে নি! বাচ্চাগুলো তখনো বুঝতে পারেনি তাদের সহপাটিকে নিষ্টুর বাড়ীওয়ালা মেরে পানির রিজার্ভ টাংকিতে ফেলে রেখে ছালা দিয়ে ঢেকে রেখেছে!

ময়নাতদন্ত শেষে থানায় বারবার মামলা করার জন্য গেলেও দক্ষিনখান থানার ওসি মামলা নিচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছে বাচ্চার বাবা আব্দুর রশীদ!উল্টো বাচ্চাটাকে দাফন করার জন্য থানা থেকে বারবার বাচ্চার অভিবাকদের চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে।

আজ দক্ষিনখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তপন চন্দ্র ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মামলাটি নিয়েছেন। তবে এলাকাবাসী দোষীদের বিচারের দাবিতে বেলা ৩টা পর্যন্ত রাস্তায় মানববন্ধন করেন।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত উপপরিদর্শক (এসআই )মো. সুজন জানান, আবদুর রশিদের ছেলে রিফাতের লাশ উদ্ধার হয়েছে স্থানীয় অজিত কুমার বসাক নামের এক ব্যক্তির বাড়ি থেকে। এরপর রিফাতের বাবা দক্ষিণখান থানায় অজিত কুমারের বিরুদ্ধে মামলা করতে যায়। কিন্তু থানা উপযুক্ত প্রমাণ না থাকার কারণ দেখিয়ে তার মামলা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাবাসী রিফাতের লাশ নিয়ে উত্তরা সড়ক অবরোধ করে।

Related Post