অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী প্রকৃতি মাল্লা শুধুমাত্র হাতের লেখার মাধ্যমেই সারাবিশ্বে পরিচিত হয়ে উঠেছেন। তার হাতের লেখা দেখলে যে কেউ বলবে, কম্পিউটারের কোনো ফন্ট! অনেক সময় তার হাতের লেখা এমএস ওয়ার্ডের চেয়েও বেশি সুন্দর হয়। নেপালের এই অধিবাসী ইতোমধ্যে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর হাতের লেখার অধিকারীর খেতাব পেয়েছে। কয়েকমাস আগে আগে নেপালের এক ভদ্রলোক তার হাতের লেখার ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দেন এবং কিছুদিনের মধ্যে সারা বিশ্বে এটি নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়।

প্রকৃতি মাল্লার হাতের লেখা দেখলে মনে হয় কম্পিউটারের কোনো ফন্ট। তার লেখার মাঝখানের ফাকা জায়গাগুলো সব সমান। এছাড়াও সে লিপিবিদ্যার নতুন একটি উচ্চতা সৃষ্টি করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, তার লেখা নিখুঁতের প্রায় কাছাকাছি। একারণে তার হাতের লেখা নেপালের সবচেয়ে সেরা। প্রকৃতি মাল্লা সৈনিক আওয়াসিয়া মহাবিদ্যার ছাত্রী। অসাধারণ হস্তাক্ষরের জন্য নেপালি সশস্ত্র বাহিনী থেকে তাকে পুরস্কৃত করা হয়। এখন সে সারা বিশ্বে জনপ্রিয় এবং মানুষ তার লেখা পড়তে বেশ আগ্রহী। নিজেদের হাতের লেখা আরও বেশি সুন্দর করতে প্রকৃতি মাল্লার লেখা সবাইকে অনুপ্রেরণা জোগাচ্ছে।
#### জেনে নিন পবিত্র কোরআনের সূরাগুলোর নাম অর্থসহ:

ইসলাম ধর্মের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ ( القرآن-আল-কোরআন)। ইসলামী ইতিহাস অনুসারে দীর্ঘ তেইশ বছর ধরে খণ্ড খণ্ড অংশে এটি ইসলামের নবী হযরত মুহম্মদ (সা.)-এর নিকট অবতীর্ণ হয়।
ইসলামের অনুসারীরা পবিত্র কোরআনকে একটি পুর্ণাঙ্গ জীবন বিধান বলে বিশ্বাস করে।পবিত্র কোরআনে সর্বমোট ১১৪টি সূরা আছে। আজ ডেইলি বাংলাদেশের পাঠকদের জন্য পবিত্র কোরআনের সূরাগুলোর নাম অর্থসহ দেয়া হলো।

পবিত্র কুরআনের ১১৪ টি সূরার নাম অর্থসহ: ১. আল ফাতিহা (সূচনা) ২. আল বাকারা (বকনা-বাছুর) ৩. আল ইমরান (ইমরানের পরিবার) ৪. আন নিসা (নারী) ৫. আল মায়িদাহ (খাদ্য পরিবেশিত টেবিল) ৬. আল আনআম (গৃহপালিত পশু) ৭. আল আরাফ (উচু স্থানসমূহ), ৮. আল আনফাল (যুদ্ধে-লব্ধ ধনসম্পদ), ৯. আত তাওবাহ্ (অনুশোচনা), ১০. ইউনুস (নবী ইউনুস), ১১. হুদ (নবী হুদ), ১২. ইউসুফ (নবী ইউসুফ), ১৩. আর রা’দ (বজ্রপাত), ১৪. ইব্রাহীম (নবী ইব্রাহিম), ১৫. আল হিজর (পাথুরে পাহাড়), ১৬. আন নাহল (মৌমাছি), ১৭. বনী-ইসরাঈল (ইহুদী জাতি), ১৮. আল কাহফ (গুহা), ১৯. মারইয়াম (মারইয়াম (ঈসা নবীর মা)) ২০. ত্বোয়া-হা (ত্বোয়া-হা), ২১. আল আম্বিয়া (নবীগণ), ২২. আল হাজ্জ্ব (হজ্জ), ২৩. আল মু’মিনূন (মুমিনগণ), ২৪. আন নূর (আলো), ২৫. আল ফুরকান (সত্য মিথ্যার পার্থক্য নির্ধারণকারী গ্রম্থ), ২৬. আশ শুআরা (কবিগণ), ২৭. আন নম্ল (পিপীলিকা), ২৮. আল কাসাস (কাহিনী), ২৯. আল আনকাবূত (মাকড়শা), ৩০. আর রুম (রোমান জাতি), ৩১. লোক্মান (একজন জ্ঞানী ব্যাক্তি), ৩২. আস সেজদাহ্ (সিজদা), ৩৩. আল আহ্যাব (জোট), ৩৪. সাবা (রানী সাবা/শেবা), ৩৫. ফাতির (আদি স্রষ্টা), ৩৬. ইয়াসীন (ইয়াসীন), ৩৭. আস ছাফ্ফাত (সারিবদ্ধভাবে দাঁড়ানো), ৩৮. ছোয়াদ (আরবি বর্ণ), ৩৯. আয্-যুমার (দলবদ্ধ জনতা), ৪০. আল মু’মিন (বিশ্বাসী) ৪১. হা-মীম সেজদাহ্ (সুস্পষ্ট বিবরণ), ৪২. আশ্-শূরা (পরামর্শ), ৪৩. আয্-যুখরুফ (সোনাদানা), ৪৪. আদ-দোখান (ধোঁয়া), ৪৫. আল জাসিয়াহ (নতজানু), ৪৬. আল আহ্ক্বাফ (বালুর পাহাড়), ৪৭. মুহাম্মদ (নবী মুহাম্মদ), ৪৮. আল ফাত্হ (বিজয়, মক্কা বিজয়), ৪৯. আল হুজুরাত (বাসগৃহসমুহ),

৫০. ক্বাফ (ক্বাফ), ৫১. আয-যারিয়াত (বিক্ষেপকারী বাতাস), ৫২. আত্ব তূর (পাহাড়), ৫৩. আন-নাজম (তারা), ৫৪. আল ক্বামার (চন্দ্র) ৫৫. আর রাহমান (পরম করুণাময়) ৫৬. আল ওয়াক্বিয়াহ্ (নিশ্চিত ঘটনা) ৫৭. আল হাদীদ (লোহা) ৫৮. আল মুজাদালাহ্ (অনুযোগকারিণী), ৫৯. আল হাশ্র (সমাবেশ), ৬০. আল মুম্তাহিনাহ্ (নারী, যাকে পরীক্ষা করা হবে), ৬১. আস সাফ (সারবন্দী সৈন্যদল), ৬২. আল জুমুআহ (সম্মেলন/শুক্রবার), ৬৩. আল মুনাফিকূন (কপট বিশ্বাসীগণ), ৬৪. আত তাগাবুন (মোহ অপসারণ), ৬৫. আত ত্বালাক (তালাক), ৬৬. আত তাহ্রীম (নিষিদ্ধকরণ), ৬৭. আল মুল্ক (সার্বভৌম কতৃত্ব), ৬৮. আল ক্বলম (কলম), ৬৯. আল হাক্কাহ (নিশ্চিত সত্য), ৭০. আল মাআরিজ (উন্নয়নের সোপান), ৭১. নূহ (নবী নূহ) ৭২. আল জ্বিন (জ্বিন সম্প্রদায়) ৭৩. আল মুয্যাম্মিল (বস্ত্রাচ্ছাদনক ারী) ৭৪. আল মুদ্দাস্সির (পোশাক পরিহিত), ৭৫. আল ক্বিয়ামাহ্ (পুনরু্ত্তান), ৭৬. আদ দাহ্র (মানুষ), ৭৭. আল মুরসালাত (প্রেরিত পুরুষগণ), ৭৮. আন্ নাবা (মহাসংবাদ), ৭৯. আন নাযিয়াত (প্রচেষ্টাকারী), ৮০. আবাসা (তিনি ভ্রুকুটি করলেন), ৮১. আত তাক্ভীর (অন্ধকারাচ্ছন্ন), ৮২. আল ইন্ফিতার (বিদীর্ণ করা), ৮৩. আত মুত্বাফ্ফিফীন (প্রতারণা করা), ৮৪. আল ইন্শিকাক (খন্ড-বিখন্ড করণ), ৮৫. আল বুরুজ (নক্ষত্রপুন্জ), ৮৬. আত তারিক্ব (রাতের আগন্তুক), ৮৭. আল আ’লা (সর্বোন্নত), ৮৮. আল গাশিয়াহ্ (বিহ্বলকর ঘটনা), ৮৯. আল ফাজ্র (ভোরবেলা), ৯০. আল বালাদ (নগর), ৯১. আশ শামস (সূর্য), ৯২. আল লাইল (রাত্রি), ৯৩. আদ দুহা (পূর্বান্হের সুর্যকিরণ), ৯৪. আল ইনশিরাহ (বক্ষ প্রশস্তকরণ), ৯৫. আত ত্বীন (ডুমুর), ৯৬. আল আলাক (রক্তপিন্ড), ৯৭. আল ক্বাদর (মহিমান্বিত), ৯৮. আল বাইয়্যিনাহ (সুস্পষ্ট প্রমাণ), ৯৯. আল যিল্যাল (ভূমিকম্প),

১০০. আল আদিয়াত (অভিযানকারী), ১০১. আল ক্বারিয়াহ (মহাসংকট), ১০২. আত তাকাসুর (প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা), ১০৩. আল আছর (সময়), ১০৪. আল হুমাযাহ (পরনিন্দাকারী), ১০৫. আল ফীল (হাতি), ১০৬. কুরাইশ (কুরাইশ গোত্র), ১০৭. আল মাউন (সাহায্য- সহায়তা), ১০৮. আল কাওসার (প্রাচুর্য), ১০৯. আল কাফিরুন (অবিশ্বাসী গোষ্ঠী), ১১০. আন নাসর (স্বর্গীয় সাহায্য), ১১১. আল লাহাব (জ্বলন্ত অংগার), ১১২. আল ইখলাস (একত্ব) ১১৩. আল ফালাক (নিশিভোর) ১১৪. আল-নাস (মানবজাতি)।

Related Post

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave A Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *