বাবা যে আদালত চত্বরের- এক চা বিক্রেতার মেয়ে হলেন ভারতের আদালতের বিচারক। পঞ্জাবের জলন্ধরের এক আদালত চত্বরে চা বিক্রি করে সংসার চালানো সুরেন্দ্র কুমার নামের এক ব্যক্তির মেয়ে ওই কোর্টেরই বিচারক হলেন। সুরেন্দ্রর মেয়ে শ্রুতি পড়াশোনায় শুরু থেকেই ভাল ছিল।

শ্রুতি প্রথম বারেই পাশ করেছেন পঞ্জাব সিভিল সার্ভিস (জুডিসিয়াল) পরীক্ষা। এরপর একবছর ট্রেনিং-এর পর এখন পঞ্জাবের জলন্ধরে নাকোদার শহরের সাব-ডিভিশনার ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের বিচারকের পদে নিযুক্ত হলেন। এসসি ক্যাটাগরিতে প্রথম হয়েছেন শ্রুতি।

মেয়ের বিচারক হওয়ার খবরে বাবার চোখে খুশির জল। চা বিক্রেতা সুরেন্দ্র বললেন, ‘এই দিনটার অপেক্ষাতেই ছিলাম। বিশ্বাস ও এরকম একটা কিছু করবে।’ কথাটা বলতে বলতে কেঁদে ফেলেন।

শ্রুতি বললেন, আমার কাজটা সহজ ছিল না ঠিকই। কিন্তু বাবাকে চা বিক্রি করতে দেখে জেদটা চেপে গিয়েছিল। সেই জেদটার জন্যই হয়তো স্বপ্নের চাকরিটা করতে পারছি।

তিনি বলেন, ‘আমি সবসময়ই চাইতাম কোনও আইনি পেশার সঙ্গে যুক্ত হতে। বিশেষত চাইতাম বিচারক হতে। তাই এই পরীক্ষায় বসা। এবং প্রথমবারেই সাফল্য।’ এত বড় সাফল্যের পর শ্রুতিকে নিয়ে রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে উচ্ছ্বাস, সংবর্ধনা অনুষ্ঠান।

বিশ্ববাজার দখল করছে বাংলাদেশের সিরামিক পণ্য

ক্রমেই বিশ্ববাজার দখল করছে বাংলাদেশের সিরামিক পণ্য। চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রথম ৮ মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) ৫ কোটি ৬৫ লাখ মার্কিন ডলারের সিরামিক পণ্য রফতানি হয়েছে যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১২৭ শতাংশ বেশি। রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) হালনাগাদ পরিসংখ্যাণ থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

ইপিবি সূত্রে জানা গেছে, গত ২০১৭-১৮ অর্থবছরের প্রথম ৮ মাসে রফতানির পরিমাণ ছিল ২ কোটি ৪৯ লাখ ডলার। চলতি অর্থবছরের ৮ মাসে রফতানির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ কোটি ৭৩ লাখ ডলার। অথচ এই সময়ে ৫ কোটি ৬৫ লাখ ডলারের পণ্য রফতানি হওয়ায় লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ৫১ দশমিক ৩৭ শতাংশ বেশি রফতানি হয়েছে।

তথ্যমতে, বর্তমানে ৫০টিরও বেশি দেশে সিরামিক পণ্য রফতানি হয়ে থাকে। যার মধ্যে আমেরিকা, চীন, জাপান, পোল্যান্ড, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ক্রোয়েশিয়া, রোমানিয়া, তুরস্ক, রাশিয়া, স্পেন, নরওয়ে, নিউজিল্যান্ড, ডেনমার্ক, ইতালি, অস্ট্রেলিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র অন্যতম।

এদিকে চলতি অর্থবছরে ৫ কোটি ৭০ লাখ ডলারের রফতানি লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে বলে জানান বাংলাদেশ সিরামিক ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশনের (বিসিএমইএ) সাধারণ সম্পাদক ইরফান উদ্দিন। তিনি বলেন, ৮ মাসেই আমরা লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি চলে গেছি। চলতি বছর রফতানি আয় ১০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করছি।

ছেলের বন্ধুর সঙ্গে মায়ের প্রেম, ‘পথের কাঁটা’ সরাতে ছেলেকে খুন

ছেলের বন্ধুর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে মধ্য বয়সী ওই বিধবার। ঘটনাটি জেনে গেলে প্রেমিকের সহযোগিতায় ‘পথের কাঁটা’ ছেলেকে খুন করেন তিনি। এমনকি ছেলেকে খুনের পর নিজেই মামলা করেন।

হিন্দুস্তান টাইমস জানায়, রোমহর্ষক এই ঘটনা ঘটেছে ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের ঝাজ্জার জেলায়। বৃহস্পতিবার ৪৪ বছর বয়সী ওই নারীকে ছেলে হত্যার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

নিহত পারমোদ (২৩) গুরুগ্রামে একটি প্রতিষ্ঠানে প্রহরীর কাজ করতেন। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি ঝাজ্জার জেলায় চামানপুরা গ্রামে নিজ বাড়িতে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ওই ঘটনায় পারমোদের মায়ের দেওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে একটি মামলা করে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, গুরুগ্রামে কাজ করার সময় পারমোদের সঙ্গে প্রদীপের (২৩) বন্ধুত্ব হয়। পেশায় প্রহরী প্রদীপের বাড়িও ঝাজ্জার জেলার পার্শ্ববর্তী গ্রামে।

বন্ধুত্বের সূত্র ধরে প্রদীপ প্রায়শই পারমোদদের বাসায় যেতেন। এরই মধ্যে তার বিধবা মা মীনা দেবীর সঙ্গে প্রদীপের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

পুলিশ জানায়, গত মাসে পারমোদ চাকরি ছেড়ে দেন এবং বাসায় থাকতে শুরু করেন। তখন মায়ের সঙ্গে প্রদীপের সম্পর্কের বিষয়ে সন্দেহ হলে তাকে তাদের বাসায় আসতে নিষেধ করেন পারমোদ।

এতে প্রেমিকের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ বন্ধ হয়ে যায় মীনা দেবীর। এরই একপর্যায়ে প্রদীপের সহযোগিতায় ছেলেকে হত্যার পরিকল্পনা করেন তিনি। দুজনে মিলে প্রদীপের আরও দুই বন্ধুর সহযোগিতা নেন, যারা ওই রাতে নিজ বাড়িতে পারমোদকে গুলি করে হত্যা করে।

পরদিন পুলিশ ডেকে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের নামে মামলা করেন পারমোদের মা। তিনি আরও দাবি করেন, রাতে যখন তিনি ঘুমিয়ে ছিলেন, তখন এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সকালে ঘুম থেকে উঠেই কেবল বিষয়টি জানতে পারেন।

পুলিশ জানায়, রহস্যজনক ঘটনাটি তখনই প্রকাশ্যে আসে, যখন বুধবার নিয়মিত তল্লাশির সময় অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সৌরভ নামের ওই ব্যক্তি জিজ্ঞাসাবাদে অন্যান্য মামলার সঙ্গে পারমোদ হত্যকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়টিও স্বীকার করেন।

পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রদীপকে গ্রেপ্তার করলে তিনি তার অপরাধ স্বীকার করেন। এছাড়া মীনা দেবী এবং প্রদীপের বন্ধু মনুকেও গ্রেপ্তার করা হয়। সৌরভকেও এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে

Related Post

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave A Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *