ক্রেডিট কার্ড

উচ্চ সুদ হার নিয়ে ব্যাপক অভিযোগের মধ্যে ক্রেডিট কার্ডে সুদের হার বেঁধে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
এখন থেকে ব্যাংকগুলো যে সুদে ভোক্তা ঋণ দিয়ে থাকে, তাদের ক্রেডিট কার্ডে সুদের হার তার চেয়ে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ বেশি হতে পারবে। ক্রেডিট কার্ড পরিচালনায় বাংলাদেশ ব্যাংক প্রণীত নীতিমালায় এই সীমা বেঁধে দেওয়া হয়।

বাংলাদেশে ব্যাংকগুলোর ক্রেডিট কার্ড পরিচালনার কোনো নীতিমালা এতদিন ছিল না। ফলে ক্রেডিট কার্ডে ব্যাংকগুলোর নিজেদের মতো উচ্চ সুদ নিত বলে অভিযোগ ছিল।
এখন ‘গাইডলাইনস অন ক্রেডিট কার্ড অপারেশন্স অফ ব্যাংকস’ অনুসরণ করতে হবে তাদের।
বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ’র মহাব্যবস্থাপক আবু ফারাহ মো. নাছের সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, “নিয়মের মধ্যে আনতেই প্রথমবারের মতো এই নীতিমালা করা হল।”
বৃহস্পতিবার একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

ক্রেডিট কার্ড হচ্ছে একটি সেবা, যার মাধ্যমে গ্রাহক স্বল্প মেয়াদে ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে পারে, ব্যাংক ঋণের চেয়ে অনেক অল্প সময়ে একটি ক্রেডিট কার্ড নেওয়া যায় বলে অনেকেই এই সেবা নেন।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জিএম নাছের বলেন, “আমরা এবার ইন্টারেস্ট রেটের উপর বার (সর্বোচ্চ সীমা)করে দিয়েছি ।
“আমার নীতিমালায় বলেছি যে একটি ব্যাংক কনজুমার ক্রেডিটে (ভোক্তা ঋণ) যে হারে সুদ নেয়, তার সর্বোচ্চ সীমার ৫ শতাংশ পর্যন্ত বেশি সুদ ক্রেডিট কার্ডে হতে পারবে।”
এখন অনেক ব্যাংক ৩০ থেকে ৩৬ শতাংশ হারেও সুদ নিচ্ছে বলে জানান তিনি।
ক্রেডিট কার্ড থেকে ঋণ কিস্তি আকারে পরিশোধ করার ক্ষেত্রে এখন পুরো ঋণের উপর সুদ ধরা হয়। নতুন নীতিমালায় বলা হয়েছে, যেটুকু আসল বাকি থাকে তার উপর সুদ ধার্য করা হবে।
নীতিমালা অনুযায়ী, প্রতি মাসে ক্রেডিট কার্ড গ্রাহককে তার অবস্থা সম্পর্কে জানাতে হবে।

Related Post