একগ্রামে এক অলস লোক ছিলো, সে কখনোই পরিশ্রম করতে চাইতোনা। তার আরো দুটি ভাই ছিলো। সে তাদেরকেও উপদেশ দিতো কোন কাজ না করার। বলতো কাজ না করলেও যখন বাবা খাওয়ার এনে দেয় তো আর কাজ করবো কেনো। ওই দুই ভাই তার কথা শুনতোনা। তারাও তার বাবার কাজে সাহায্য করতো। এমনভাবে তারাও বাবার সাথে থেকে বব্যাবসা শিখে গেলো। একদিন হঠাৎ করে তাদের বাবা মারা গেলো। নিয়মমত সবাই বাবার সম্পত্তি ভাগ ভাটোয়ারা করে নিলো। অন্য ভাইয়েরা যে যার মত ব্যাবসা দিয়ে বসলো আর অলস ভাইটি ভাগে যা পেলো বসে বসে ক্ষেতে থাকলো। একটা সময় সে লক্ষ করলো অন্য ভাইদের অবস্থা দিন দিন ভালো হচ্ছে। তার খুব হিংসে হল এবং সে একজন জ্ঞানী ব্যাক্তির কাছে গেলো এবং সব খুলে বলল। তখন জ্ঞানী ব্যাক্তি তাকে বলল তোমার বাবা ছিলো মই,, যে যে তাকে অনুস্মরন করেছে সেই উপরে উঠতে পেরেছে। লোকটি নিজের ভুল বুঝতে পারলো…কিন্তু তখন তো আর কিছুই করার ছিলোনা। তাই বলা যায়,, মই থাকলেই উপরে উঠা যায়না। উপরে উঠার মানষিকতা থাকতে হবে। তাহলেই মইই বেয়ে উপরে উঠা যায়। পৃথিবীর সবচেয়ে সহজ কাজ চিন্তা বা টেনশন করা।### কেউ কেউ টেনশন করতে ভালোবাসে আবার কেউ অকারনে টেনশন করে। এটা যেন আমাদের নিত্যদিনের সঙ্গী। একবার কি ভেবে দেখেছেন টেনশন কোন সুপার পাওয়ার না যে টেনশন করলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

এটা কেবল অলস মস্তিষ্কের কারসাজি মাত্র। টেনশন করলে যদি সব সমস্যার সমাধান হয়ে যায় তাহলে এক্ষুনি রুমের দরজা আটকে টেনশন করতে শুরু করে দিন। আর অপেক্ষা করুন হার্ট এটাক সহ নানা রোগের জন্য। যাই হোক, ভাবুন তো, ঘটে যাওয়া কোন কিছু কি কখনো মুছে ফেলা যায়? এক বাক্যে উত্তর “কখনোই সম্ভব না” তাহলে এত চিন্তা করে শরীর খারাপ করে কি লাভ? জীবন চলার পথে কত কিছুই না ঘটে, কোনটা আনন্দের আবার কোনটা কষ্টের। তবে কেন আমরা অনন্দের ঘটনাকে নিয়ে না ভেবে কষ্টের দিন গুলো নিয়ে ভাবতে থাকি? যা হওয়ার হয়েছে আবার যা হবার তাই হবে। যে ঘটনা ঘটেছে তা আপনার পরিবর্তন করার ক্ষমতা ছিলোনা বলেই ঘটেছে, এ নিয়ে হতাস হওয়ার কোন মানে হয় না। জীবনের প্রতিটা মুহুর্তে নিজেকে বিশ্বাস করানোর চেষ্টা করুন “Can’t Changed” । কোন কিছুই পরিবর্তন করার ক্ষমতা আমাদের নেই। যা ঘটেছে বা যা ঘটবে তা আমাদের জীবনের অংশ । কষ্ট পেয়েছেন? নিজেকে বলুন কান্ট চেঞ্জড। জোবায়ের রহমান

Related Post

Spread the love
  • 9.3K
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    9.3K
    Shares