দক্ষিণ কোরিয়ায় ভয়াবহ দাবানলে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া আরও চার হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদে অন্যত্র সরিয়ে নেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যেই দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।

দাবানল থেকে লোকজনকে সরিয়ে নিতে কয়েক হাজার সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করে যাচ্ছেন। উত্তর কোরিয়ার সীমান্তের কাছে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় পাহাড়ি এলাকাজুড়ে দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মূল অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে তবে আগুনের কারণে এখনও বেশ কিছু এলাকা পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

বৃহস্পতিবার রাতে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত ঘটে। রাজধানী সিওলের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় গ্যাংউন প্রদেশের গোসেওংয়ের কাছে একটি ট্রান্সফরমারের বিস্ফোরণ থেকেই আগুনের সূত্রপাত। পরে সেখান থেকেই দাবানলের পরিস্থিতি তৈরি হয়।

তীব্র বাতাসের কারণে আগুন পাহাড়ি এলাকায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ওই এলাকাতেই গত বছরের শীতকালীন অলিম্পিক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ৮ শতাধিক দমকলের গাড়ি মোতায়েন করা হয়। প্রদেশের শত শত বাড়ি-ঘর আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
দেশের এমন পরিস্থিতিতে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন প্রেসিডেন্ট মুন জ্যা ইন। আগুন নিয়ন্ত্রণে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে তিনি।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রায় ১৬ হাজার ৫শ সেনা, ৩২ সামরিক হেলিকপ্টার এবং ২৬টি সামরিক দমকল ট্রাক মোতায়েন করা হয়েছে।

প্রদেশের গভর্নর চই মুন সুন রেডিওতে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, সৌভাগ্যবশত মূল আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। তবে আরও বেশ কিছু স্থানে এখনও আগুন জ্বলছে।

Related Post

Leave A Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *