এস-৪০০ আকাশ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা নিয়ে বৈঠকে বসেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ন্যাটো সহযোগীকে তার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য এখনো পিছিয়ে দেয়নি।

সোমবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে এরদোগানের এ বছরের শুরু থেকে এটি তৃতীয় বৈঠক।

রাশিয়ার রাষ্ট্রপতির সহযোগী ইউরি উশাকভ বলেন, দু’দেশের আলোচনায় এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা হস্তান্তর নিয়ে আলোচনা হয়েছে। যেটি ২০১৯ সালের মধ্যে হস্তান্তর করা হবে।

তুরস্ক এস-৪০০ সিস্টেমটি গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে। যেটি বাস্তব বুদ্ধিসম্পন্ন ভূমি থেকে আকাশে ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করতে সক্ষম। এ ছাড়া এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান কেনার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেরও একটি চুক্তি রয়েছে

তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বাস করে এস-৪০০ প্রতিরক্ষাব্যবস্থাগুলো তাদের এফ-৩৫ যোদ্ধা জেটগুলোর জন্য হুমকি সৃষ্টি করবে।

প্রসঙ্গত, তুরস্ক ১৯৯৯ সালে ১০০টি এফ-৩৫ জঙ্গিবিমান কেনার জন্য আমেরিকার সঙ্গে চুক্তি করেছে। এর মধ্যে গত বছরের ২২ জুলাই প্রথম চালান হিসেবে একটি বিমান হস্তান্তর করে আমেরিকা।

ন্যাটোভুক্ত দেশ তুরস্ক আমেরিকা নেতৃত্বাধীন কয়েকটি দেশের এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান তৈরি ও কেনার প্রকল্পে যুক্ত রয়েছে। অন্যান্য দেশগুলো হচ্ছে আমেরিকা, ইংল্যান্ড, ইতালি, নেদারল্যান্ড, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নরওয়ে এবং ডেনমার্ক।

তুরস্ক রাশিয়ার এস-৪০০ আকাশ ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা ক্রয়ে অটল থাকলে যুক্তরাষ্ট্র সিনেটে তুরস্কের বিরুদ্ধে অত্যাধুনিক এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান না দিতে বিল পাস করে।

এদিকে ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে এস-৪০০ পাওয়ার জন্য রাশিয়ার সঙ্গে ২ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি করে তুরস্ক।

Related Post

Leave A Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *