মস্তিষ্ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ৮ টি কারণ
১। খুব অল্প বা অপর্যাপ্ত ঘুম মস্তিষ্কের জন্য ক্ষতিকর।যার কারণে তাড়াতাড়ি স্মৃতিশক্তি কমে যায় এবং আরো নানা রকমরে সমস্যার সৃষ্টি হয়। ২। কম কথা বলা ও মস্তিষ্কের জন্য খুবই ক্ষতিকর।যারা কম কথা বলেন তারা এখন তেকেই বেশি কথা বলার অভ্যাস করুন। ৩। শরীর অসুস্থ্য থাকলে খুবই দু্র্বল এবং কাজ করার অনুপযোগী থাকে। শরীর অসুস্থ্য থাকাকালে অতিরিক্ত পরিমাণে কাজ করলে মাথার উপর চাপ পড়ে।একারণে অসুস্থ্য থাকাকালে চাপ পড়ে এমন কোন কাজ থেকে বিরত থাকুন। ৪। ধূমপান করেছেন তো মরেছেন।আপনার যদি ধূমপান জনিত কোন সমস্যা থাকে তবে আজই ত্যাগ করুন।ধুমপানের কারণে মস্তিষ্কের নিউরণ আস্তে আস্তে অকেজো হয়ে যায়। ৫। অনেকে আছেন যারা ঘুমানোর সময় কোন কিছু যেমন চাদর দিয়ে মাথা ঢেকে ঘুমান।মাথা ঢেকে ঘুমানো খুবই ক্ষতিকর।কারণ শাথা ঢেকে ঘুমালে অক্সিজেন ভালো করে ঢুকতে পারে না।যার কারনে কার্বন-ডাই অক্সাইডের পরিমাণ বুদ্ধি পায় যা মস্তিষ্কের জন্য ক্ষতিকর। ৬। যারা কোন বুদ্ধিভিত্তিক কাজে মাথা খাটান না, তাদের মস্তিষ্ক আস্তে আস্তে অকেজো হয়ে পড়ে।যে কোন কাজের ক্ষেত্রে উপস্থিত বুদ্ধি ক্রমশ কমে যায়।তাছাড়া ভুলে যাওয়ার আশঙ্খা বড়াতে থাকে। ৭। অনেকে আছেন যারা মিষ্টির প্রতি খুবই আকৃষ্ট।মনে রাখবেন অতিরিক্ত মিষ্টি খেলে মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য খারাপ হয়ে যায়। ৮। বায়ূ দূষণ আধুনিক সভ্যতার নিত্যনৈম্যক্তিক ব্যাপার।বায়ু দূষনের কারণে পরিবেশ যেমন ক্ষতি হেয়,তেমনি মুস্তিষ্কের ও ক্ষতি করে।কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যা
বায়ু দূষণ

কেনো খাবেন মিষ্টিকুমড়া ও চালকুমড়া.
♠ মিষ্টিকুমড়া > ক্যান্সার প্রতিরোধ করে > কোলেস্টেরল কম রাখতে সাহায্য করে > নিয়মিত মিষ্টিকুমড়া খেলে হৃদরোগও প্রতিরোধ করা যায় > ভিটামিন-এ এর অভাবজনিত রোগ থেকে রক্ষা করে। > বয়সজনিত রোগ তাড়াতে সাহায্য করে। > এতে থাকা বিটা-ক্যারোটিন বিভিন্ন দূষণ, চাপ ও খাবারে যেসব রাসায়নিক ও ক্ষতিকর উপাদান থেকে রক্ষা করে। > এতে আছে প্রচুর ভিটামিন-সি। > এতে থাকা ভিটামিন-সি ও এ চুল ও ত্বক ভালো রাখে।ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়। > হজমশক্তি বৃদ্ধি করে।কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। চালকুমড়া: > বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন,মিনারেল,শর্করা ও ফাইবার সমৃদ্ধ সবজি। > যক্ষ্মা,কোষ্ঠকাঠিন্য ও গ্যাস্ট্রিকসহ বহু রোগ উপশম করে। > মস্তিষ্কের স্নায়ু ঠাণ্ডা রাখে > শরীরের মেদ ও ওজন কমাতে দারুণ কার্যকরী। > চালকুমড়ার রস নিয়মিত চুলে ও ত্বকে মাখলে চুল কচকচে হয় এবং ত্বক সুন্দর হয়। > বয়সের ছাপ দূর করে। # রোগ প্রতিকাররে চেয়ে রোগ প্রতিরোধ করাই উত্তম।

Related Post

Spread the love
  • 2.1K
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    2.1K
    Shares