সরকারি চাকরিতে নিয়োগের বয়সসীমা ৩০ বছরই যৌক্তিক মনে করে সরকার। বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) সংসদে এ তথ্য জানান জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী।

এর ফলে চাকরির বয়স ৩৫ করার প্রস্তাবটি নাচক হলো।
বৃহস্পতিবার রাতে সংসদে বগুড়া-৭ থেকে নির্বাচিত আওয়ামী লীগের এমপি মো. রেজাউল করিম বাবলু প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন।

তবে নানান যুক্তি দেখিয়ে ওই প্রস্তাব প্রত্যাহারের অনুরোধ জানান জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। এরপর কণ্ঠভোটে ওই প্রস্তাব নাকচ হয়ে যায়।
কণ্ঠভোটে প্রস্তাবটির বিপক্ষে ভোট দেন সংসদ সদস্যরা।

বর্তমানে চাকরিতে প্রবেশের বয়স সর্বোচ্চ ৩০ বছর এবং মুক্তিযোদ্ধা কোটায় তা ৩২ বছর। আর অবসরে যাওয়ার বয়সসীমা ৬০ বছর এবং মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ৬১ বছর।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় বসে অধিবেশন। একাদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন এটি। দেশের তরুণ সমাজের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণের লক্ষ্যে সরকারি চাকরিতে ঢোকার বয়সসীমা বাড়াতে সংসদ অধিবেশন সিদ্ধান্ত প্রস্তাবটি আনা হয়।

Related Post

Leave A Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *