উদ্বোধনী যাত্রায় বিরতিহীন বনলতা এক্সপ্রেস ট্রেনটি পৌনে ৫ ঘণ্টায় রাজশাহী থেকে ঢাকায় এসে পৌঁছায়। বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) দুপুর পৌনে ১২টায় ট্রেনটি রাজশাহী থেকে যাত্রা শুরু করে। বিকেল সাড়ে ৪টায় এটি কমলাপুর স্টেশনে পৌঁছায়। আকাশপথের বাইরে যেকোনো মাধ্যমে এটিই এখন রাজশাহী ও ঢাকার মধ্যে চলাচলের দ্রুততম মাধ্যম।
কিন্তু অদ্ভুত কিছু মানুষ বাস করে এদেশে। দেশের সম্পদের ক্ষতি করে তারা পাশবিক আনন্দ পায়। মাত্র দুদিন আগে যাত্রা শুরু ঝকঝকে নতুন এই ট্রেনটিতে ঢিল ছোড়ার উৎসবে মেতে উঠেছে এক শ্রেণীর মানুষ। তাদের ঢিলের আঘাতে চুরমার হয়ে গেছে বনলতার ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ড। চিড় ধরেছে জানালার কাঁচে।

ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানিকৃত নতুন সব সুবিধাযুক্ত ট্রেনের কোচগুলো কিছুদিন আগেই দেশে এসেছে। ব্রডগেজ কোচগুলোর বাইরে এবং ভেতরে আছে ডিজিটাল নেমপ্লেট। রেলওয়ের গ্রুপে আজ পোস্ট করা কিছু ছবিতে দেখা যায়, চলতি পথে ঢিলের আঘাতে সেগুলো ভেঙে নষ্ট হয়ে গেছে। শুধু বনলতা নয়; ঢিলের আঘাতে গত কয়েক বছরে আমদানি করা নতুন কোচগুলোর অবস্থাও শোচনীয় হয়ে উঠেছে।
চলন্ত ট্রেনে ঢিল ছোড়া মারাত্মক অপরাধ। আশ্চর্য হলেও সত্য যে, বছরের পর বছর প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন ট্রেনে এই ঢিল ছোড়ার ঘটনা ঘটছে। এসি বগির যাত্রীরা ঢিলের আঘাত থেকে বেঁচে গেলেও ননএসির যাত্রীরা প্রতিদিন আহত হচ্ছেন। যাদের মধ্যে শিশুও রয়েছে। এ সমস্যার সমাধানে এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি বাংলাদেশ রেলওয়ের পক্ষ থেকে। এটা রোধ করতে মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করাও জরুরি।
এ বিষয়ে রাজশাহী ট্রেন কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে দায়িত্বরত কর্মকর্তা বিডি২৪লাইভকে বলেন, ‘বিষয়টি আমরা গণমাধ্যম মারফত জেনেছি। তবে এ বিয়য়ে বিস্তারিত কিছু বলতে পারছি না।’

Related Post

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave A Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *