পরীক্ষায় ফল খারাপ হওয়ায়- পরীক্ষায় খারাপ ফল করেছেন। এর জন্য প্রেমিকাকে দায়ী করলেন ২১ বছর বয়সী এক যুবক। বললেন, প্রেমিকার সঙ্গে প্রেম করতে গিয়ে তিনি খারাপ ফল করেছেন। এ জন্য পুরো পড়াশোনায় যে খরচ হয়েছে তা পরিশোধ করতে হবে প্রেমিকাকেই। এ ছাড়া ওই প্রেমিকাকে তিনি ভীতি প্রদর্শন করেছেন।

এমন সব অভিযোগে তার প্রেমিকা পুলিশের কাছে হাজির হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের আওরঙ্গবাদে। সেখানে ব্যাচেলর অব হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন অ্যান্ড সার্জারি (বিএইচএমএস) পড়াশোনা করেন ২১ বছর বয়সী ওই যুবক। তার বাড়ি বীড জেলায়।

গত বছর তিনি ওই কোর্সে ভর্তি হন। তার প্রেমিকা তারই সহপাঠী। তার সঙ্গে প্রেম করতে গিয়ে তিনি পড়াশোনায় মন দেননি। ফলে প্রথম বর্ষের পরীক্ষায় অকৃতকার্য হন। এ জন্য চার বছরের ওই কোর্সের দ্বিতীয় বর্ষে উন্নীত হতে পারেননি তিনি।

এতে হতাশ হয়ে পড়েন ওই যুবক। খারাপ ফলের জন্য তিনি প্রেমিকাকে দায়ী করেন। এ জন্য তার পিতা তার পড়াশোনার জন্য প্রথম বর্ষে যে খরচ করেছেন সেই অর্থ দাবি করেন প্রেমিকার কাছে।

এমন অবস্থায় তার প্রেমিকা তার সঙ্গে কথা বলা বন্ধ করে দেন। তার থেকে দূরে দূরে থাকা শুরু করেন। কিন্তু মোবাইল ফোনে তাকে অব্যাহতভাবে ম্যাসেজ পাঠিয়ে যেতে থাকেন ওই যুবক। বার বার চেষ্টা করেন ওই তরুণীকে ফোন করার। কিন্তু তিনি ফোন ধরেন না।

এতে ওই প্রেমিকের মধ্যে ধারণা হয় যে, তাকে এড়িয়ে চলছে তার প্রেমিকা। ফলে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের আশ্রয় নেন। এতে প্রেমিকার ও তার পিতা, তাদের পরিবার নিয়ে পোস্ট দিতে থাকেন।

এক পর্যায়ে তিনি হুমকি দেন, ওই প্রেমিকার ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করে দেবেন। এতে লজ্জিত হন ওই প্রেমিকা। পরে তিনি পুলিশে অভিযোগ করেন।

প্লাস্টিক পণ্য দিয়ে স্কুলের বেতন!

এই স্কুলটির সবকিছুই অন্যরকম। ব্যাগের বোঝা নেই, সিলেবাস শেষ করার তাড়া নেই, শিক্ষক-শিক্ষিকার চোখ রাঙানি নেই। পড়াশোনার ধরন একেবারেই আধুনিক। আরো অবাক হওয়ার মতো বিষয় এ স্কুলের শিক্ষা-ফি। পড়াশোনার খরচ বাবদ এই স্কুলের শিক্ষার্থীদের জমা দিতে হয় প্লাস্টিক, পলিথিন, বা এধরনের সামগ্রী।

সমাজকে প্লাস্টিকমুক্ত করতে নজিরবিহীন পদক্ষেপ নিল ভারতের আসামের গুয়াহাটির অক্ষর বিদ্যালয়। স্কুলের বেতন হিসেবে বাতিল প্লাস্টিকের ব্যাগ এবং প্যাকেট বরাদ্দ করেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ।

স্কুলের প্রত্যেক ছাত্রছাত্রী প্রতি সপ্তাহে ১০-২০টি প্লাস্টিক প্যাকেট জমা দিচ্ছে স্কুলে। একইসঙ্গে নিজেদের অভিভাবক এবং আত্মীয়বন্ধুদের আবেদন করছে প্লাস্টিক প্যাকেট না পুড়িয়ে তাদের হাতে দিয়ে দিতে।

নিউ ইয়র্ক থেকে পড়াশোনা শেষ করে গুয়াহাটি ফিরে ২০১৬ সালে মজিন মুখতার-পারমিতা শর্মার সাহায্যে স্থানীয় দরিদ্র ঘরের ছেলেমেয়েদের শিক্ষিত করার উদ্দেশ্যে শুরু করেছিলেন অক্ষর বিদ্যালয়। এরপর আরও কয়েকজন উৎসাহী যুবক-যুবতী অক্ষর ফোরামে সঙ্গে যোগ দেন।

পারমিতা জানান, দরিদ্র অধ্যুষিত গুয়াহাটির ওই অঞ্চলে প্লাস্টিকের অতিরিক্ত ব্যবহার হয়। শীতকালে গরম পোশাকের অভাবে গরিব মানুষরা নিজেদের উষ্ণ রাখতে প্লাস্টিক পোড়ান। এর ফলে পরিবেশের সঙ্গে চূড়ান্ত বায়ুদূষণও হচ্ছে। তাই পরিবেশ পরিচ্ছন্ন করার লক্ষ্যেই এই অভিনব পন্থা নিয়েছেন তারা।

বিখ্যাত খেলনার দোকান কিনে নিলেন মুকেশ আম্বানি

কিছুদিন আগেই জানা গিয়েছিল, বাংলাদেশের মোবাইল অপারেটর কোম্পানী বাংলালিংক-কে কিনে নিচ্ছে ভারতের মুকেশ আম্বানীর রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ। এবার তারা খেলনার জগতে প্রবেশ করছে।

২৫৯ বছরের পুরনো ডাকসাইটে ব্রিটিশ খুচরা খেলনা বিক্রেতা সংস্থা ‘হ্যামলেজ’ কিনে নিচ্ছে ভারতীয় এই ধনকুবের। ভারতে হ্যামলেজের সব রকমের খেলনা বিক্রির লাইসেন্সও পেয়ে গেছে রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ।

খেলনার জগতে এক ঐতিহ্যবাহী সংস্থা হল এই ‘হ্যামলেজ’। আড়াইশোর বেশি বছর পার হওয়া বিভিন্ন সময়ে বহু ধাক্কা সইতে হয়েছে মধ্য লন্ডনের রিজেন্ট স্ট্রিটের হ্যামলেজের স্টোরকে। বর্তমানে ১৮টি দেশে হ্যামলেজের খেলনা পাওয়া যায়। সব দেশ মিলিয়ে মোট ১৬৭টি স্টোর রয়েছে। এর মধ্যে আবার ভারতের ২৯টি শহরেই রয়েছে ৮৮টি হ্যামলেজের স্টোর।

চার বছর আগে, ২০১৫-য় ফ্রান্সের গ্রুপে লুদেন্দোর কাছ থেকে ১০ কোটি পাউন্ডে হ্যামলেজ কিনেছিল হংকং শেয়ার বাজারে নথিভুক্ত সি-ব্যানার ইন্টারন্যাশনাল হোল্ডিংস। এবার সেই সি-ব্যানার ইন্টারন্যাশনাল হোল্ডিংসের কাছ থেকে হ্যামলেজকে কিনছে রিলায়েন্স।

Related Post

Leave A Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *