শুক্রবার (১৭ মে) উইন্ডিজের বিপক্ষে টসে জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন টাইগার অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা। আগের ৬ ফাইনালে হেরে যাওয়ার পর অনেকেই ধরে নিয়েছিল ফাইনাল বাংলাদেশের জন্য ‘অপয়া’। কিন্তু সপ্তমবার ফাইনালে এসে লাকি সেভেন ধরা দিয়েছে বাংলাদেশের কাছে। টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে দারুণ খেলতে থাকে উইন্ডিজ ওপেনার হোপ ও অ্যামব্রিস। বৃষ্টির কারণে ম্যাচ অনেকক্ষণ বন্ধ থাকারপর ওভার কমিয়ে তা করা হয় ২৪। নির্ধারিত ২৪ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে ১৫২ রান করে উইন্ডিজ।

তবে বৃষ্টি আইনে জয়ের জন্য বাংলাদশের দরকার ২১০ রান। ২১০ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা দুর্দান্ত করে দুই টাইগার ওপেনার তামিম ও সৌম্য। শেষ কিছুটা চাপে পড়লেও মোসাদ্দেকের হাফসেঞ্চুরিতে ৫ উইকেটে জয় পায় বাংলাদেশ। মোসাদ্দেক ২৪ বলে ৫ ছয় ও ২ চারে ৫২ রান করেন। এ জয়ের মাধ্যমে টানা ৬ ফাইনাল হারের পর সপ্তম ফাইনালে এসে শিরোপার দেখা টিম বাংলাদেশ।
এদিকে এই সাফল্য দিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার যাত্রা শুরু হল জানিয়েছেন অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। তার প্রত্যাশা, বাংলাদেশ এই সাফল্যযাত্রা অব্যাহত রাখবে।

ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, অসাধারণ এক অনুভূতি। কেবল শুরু হল, আশা করি ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে। দীর্ঘদিন ধরে আমরা জিততে পারিনি। ৬ বার ফাইনালে গিয়ে হেরেছি। সপ্তমবার এসে সফল হলাম। এটা দারুণ দলীয় প্রচেষ্টা।’

মাশরাফি বলেন, ‘উইকেট ব্যাটিংয়ের জন্য বেশ ভালো ছিল, আমরা বোলিং করার সময়ই বুঝতে পেরেছিলাম। সৌম্য ও তামিম ভালো শুরু এনে দিয়েছিল। ম্যাচ জয়ের ভিত্তি তারাই গড়ে দিয়েছিল। মাঝখানে মুশফিক বেশ ভালো ব্যাট করেছে। মোসাদ্দেক ও রিয়াদ দারুণভাবে শেষ করেছে।’

ডাকওয়ার্থ লুইস পদ্ধতির মারপ্যাঁচে ৭ বল হাতে রেখেই ম্যাচ জিতেছেন মাশরাফির দল। মাশরাফি এই ব্যাটিং থেকে শিক্ষা নিয়ে বিশ্বকাপেও কাজে লাগাতে চান অভিজ্ঞতাটুকু।

তিনি, ‘অবশ্যই বিশ্বকাপ আরও বেশি চ্যালেঞ্জিং হবে। সেখানে উইকেট আরও ফ্ল্যাট থাকবে। বোলারদের জন্য অনেক চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে। আজকের ম্যাচ আমাদের বড় লক্ষ্য তাড়া করায় আত্মবিশ্বাস দেবে, বিশেষ করে এমন কোনো ম্যাচে যখন পরে ব্যাট করতে হবে।’

Related Post

Leave A Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *