ভারতের লোকসভা নির্বাচনের শেষ ধাপের ভোটগ্রহণের আগে গতকাল ধ্যানে বসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অবশেষে আজ (রবিবার) সকালে মোদি ধ্যান ভাঙেন। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, সকালে ধ্যান ভেঙে কেদারনাথ গুহা থেকে বেরিয়ে বদ্রীনাথের উদ্দেশ্যে রওনা দেন মোদি। এসময় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মোদি বলেন, ‘আমি সৃষ্টিকর্তার কাছে কখনো কিছুই চাইনি।’ জানা যায়, দুই দিনের বিশেষ সফরে উত্তরখণ্ড আসেন মোদি। হিন্দুদের পবিত্রস্থান কেদারনাথ ও বদ্রীনাথ মন্দিরে সৃষ্টিকর্তার সান্নিধ্যে কাটানোর সংকল্প নেন। সেই মতে শনিবার পৌঁছে যান কেদারনাথ। গেরুয়া বসন পরে কেদারের গুহায় ধ্যানে বসে পড়েন।

অন্যদিকে বিরোধী দল মোদির এ ধ্যান করাকে নির্বাচনী প্রচারণার কৌশল হিসেবে অভিযোগ তুলেছে। ভারতের লোকসভা নির্বাচনের সপ্তম দফার ভোটগ্রহণ চলছে। আট রাজ্যের ৫৯ আসনে আজ রবিবার শেষ ধাপের ভোটযুদ্ধ। পশ্চিমবঙ্গের ৯ আসন ছাড়াও ভোট হচ্ছে বিহারের ৮, ঝাড়খণ্ডের ৩, মধ্যপ্রদেশের ৮, পাঞ্জাবের ১৩, পশ্চিমবঙ্গের ৯, চন্ডিগড়ের ১, উত্তর প্রদেশের ১৩ এবং হিমাচল প্রদেশের ৪ আসনে। এসব আসনে প্রায় ১০ কোটি ভোটারের ভোটে ভাগ্য নির্ধারিত হবে ৯১২ প্রার্থীর।

আরো পড়ুন
শেখ হাসিনার হাতে জাদু আছে : মতিয়া চৌধুরী
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে জাদু আছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী। শেখ হাসিনার হাতে জাদু আছে। তাই দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে। ১৯৯৮ সালে দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে। এই দেশে এই মাটি, এই মানুষই ছিল; বরং মানুষ কম ছিল, মাটি বেশি ছিল। আওয়ামী লীগ থেকে ক্ষমতা চলে যাওয়ার পর ২০০১ সালে দেশ আবার খাদ্যঘাটতিতে পড়ে। ২০০৯ সালে সরকার গঠন করে আবার আমরা খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছি। চাল রপ্তানিও করেছি। আজ রোববার সকালে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার কাপাসিয়া শহীদ স্মৃতি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় তিনি মেধার ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের প্রণোদনা ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে গরিব অসহায়দের মধ্যে শাড়ি বিতরণ করেন। মতিয়া চৌধুরী দিনব্যাপী তাঁর নিজস্ব তহবিল থেকে পৌরসভাসহ ১০টি ইউনিয়নের ৫১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৫৫১ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে প্রণোদনা হিসেবে একটি করে থ্রিপিস দেন। এ ছাড়া ঈদুল ফিতর উপলক্ষে অসহায় দরিদ্র ২ হাজার ২০০ নারীর মধ্যে একটি করে শাড়ি বিতরণ করেন।

Related Post

Leave A Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *