স্ট্রোক আজ অকালে কেড়ে নিচ্ছে মানুষের প্রান৷ যদি দেখেন কারো স্ট্রোক হচ্ছে তাহলে রোগীকে বাঁচানোর জন্য আপনাকে জরুরীভিত্তিতে নিম্নলিখিত পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে: যখন কেউ স্ট্রোকে আক্রান্ত হয় তখন তার রক্তচাপ বেড়ে যায়, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরন হয় ও মস্তিষ্ক কোষ ধীরে ধীরে প্রসারিত হয়। এসময় একজন মানুষের জরুরী ভিত্তিতে ফার্স্ট এইড এবং বিশ্রামের প্রয়োজন হয়। যদি স্ট্রোকে আক্রান্ত রোগী দেখেন তবে তাকে তাৎক্ষনিক সরানো যাবে না কারন মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ বিস্ফোরিত হতে পারে, এটা ভাল হবে যদি আপনার বাড়ীতে পিচকারি সুই থাকে, অথবা সেলাই সুই থাকলেও চলবে, আপনি কয়েক সেকেন্ডের জন্য আগুনের শিখার উপরে সুচটিকে গরম করে নেবেন যাতে করে এটি জীবাণুমুক্ত হয়৷ তারপর রোগীর হাতের ১০ আঙ্গুলের ডগার নরম অংশে ছোট ক্ষত বা বিদ্ধ করতে এটি ব্যবহার করুন। এমনভাবে করুন যাতে প্রতিটি আঙুল থেকে রক্তপাত হয়, কোন অভিজ্ঞতা বা পূর্ববর্তী জ্ঞানের প্রয়োজন নেই। কেবলমাত্র নিশ্চিত করুন যে আঙ্গুল থেকে যথেষ্ট পরিমাণে রক্তপাত হচ্ছে কি না। এবার ১০ আঙ্গুলের রক্তপাত চলাকালীন, কয়েক মিনিটের জন্য অপেক্ষা করুন দেখবেন ধীরে ধীরে রোগী সুস্থ হয়ে উঠছে। যদি আক্রান্ত ব্যক্তির মুখ বিকৃত হয় তাহলে তার কানে ম্যাসেজ করুন। এমনভাবে তার কান ম্যাসেজ করুন যাতে ম্যাসেজের ফলে তার কান লাল হয়ে যায় এবং এর অর্থ হচ্ছে কানে রক্ত পৌঁছেছে। তারপর প্রতিটি কান থেকে দুইফোঁটা রক্ত পড়ার জন্য প্রতিটি কানের নরম অংশে সুচ ফুটান। কয়েক মিনিট অপেক্ষা করুন দেখবেন মুখ আর বিকৃত হবে না।

কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে রোগীর অবস্থা একটু স্বাভাবিক হলে যথাসম্ভব তাড়াতাড়ি হাসপাতালে ভর্তি করান। জীবন বাঁচাতে রক্তক্ষয়ের এই পদ্ধতি চীনে প্রথাগতভাবে চিকিৎসার অংশ হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। এই পদ্ধতির ব্যবহারিক প্রয়োগ, ১০০% কার্যকরী হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। আমরা প্রতিদিন অনেক এমন কাজ করি আমাদের অজান্তে যা আমাদের ক্ষতি করে। মেয়েরা সব সময়েই নিজেদের সৌন্দর্য নিয়ে খুব চিন্তায় থাকে। কারন তারা কখনইচায়না কোন কারনে তাদের সৌণদর্যের কোন ক্ষতি হোক। শুধু সৌন্দর্যের ক্ষতি বলে না, স্বাস্থ্যেরও অনেক ক্ষতি হচ্ছে প্রতিদিন। এমন কোন কাজ কেউ কেউ নিজের অজান্তে এরকম কাজ করে ফেলে যার জন্য ভুগতে হয় বাকি জীবন। এরকম কিছু সাবধানতার কথা আজ আপনাদের বলব। কিছু কিছু কাজ আমরা হয়তো রোজ করি তাও যদি কখনো বেখেয়াল হয়ে যাই তাহলে ক্ষতি হয় নিজেদের। আসুন জেনে নিন কিকি জিনিস যার ক্ষেত্রে সাবধান না হলে হতে পারে ত্বকের ক্ষতি ও স্বাস্থ্যের ক্ষতি।

১। চুলের রঙ করতে গিয়ে অসাবধানতায় কখনো তা মুখে না লেগে যায়। তাহলে ত্বকের খুব ক্ষতি হয়। ২। ডিওডোরেন্ট ব্যবহার করা হয় গায়ের ঘাম রোধ করার জন্য। এবার অনেকে ভাবেন যে মুখে যদি এটি ব্যবহার করা হয় তাহলে মুখে ঘাম হয়ে মেক আপ উঠে যাবেনা। কিন্তু এই ধারনা ভুল। এতে মুখের ত্বকের ক্ষতি হয়। ৩। অনেকে চুল ঠিক মত সেট করার জন্য হেয়ার স্প্রে ব্যবহার করেন। যদি এই স্প্রে ব্যবহার করেন তাহলে মুখ ঢেকেই করুন। কোন ভাবেই যেন এটি মুখে না লাগে। এটি ত্বক রুক্ষ করে তোলে আর ত্বকের ক্ষতি করে। ৪। ডালডা বা ঘি জাতিয় কোন খাদ্যদ্রব্য মুখে লাগাবেন না। এটি আপনার মুখের লোমকুপ বন্ধ করে দিতে পারে। ৫। শ্যাম্পু করার সময় দেখবেন তা যেন আপনার মুখে লাগে। শ্যাম্পু চুলের জন্য ভালো হলেও তা কখনো মুখের জন্য ভালো হতে পারেনা। তাই শ্যাম্পু করার সময় সাবধানে করুন। ৬। অনেকে চুলে হেয়ার সিরাম ব্যবহার করেন। অনেকে ভাবেন সিরাম জিনিসটি খুব ভালো। তা ভালো কিন্তু ত্বকের জন্য নয়।

৭। আমাদের দেশের মহিলারা ভাবেন বডি আর মুখের ত্বক এক রকম। তাই শীত কালে অনেকে বডি লোশন মাখার সময় তা মুখেও মেখে থাকেন। কিন্তু তা মুখ কোমল করার বদলে মুখের ক্ষতি করে। ৮। মেয়োনিজ খেতে যেমন ভালো তেমন চুলের জন্য ভালো। কিন্তু মুখের জন্য খুব ক্ষতিকর। এটি অনেকে ফেস প্যাকে ব্যবহার করার জন্য বলে। কিন্তু তা একদম ভালো নয়। ০১: তাড়াতাড়ি মা হবার জন্য সপ্তাহে অন্তত তিনবার শারীরিক মিলন করুন – মা হবার জন্য নিয়মিত শারীরিক মিলন অত্যন্ত জরুরী। স্বামী-স্ত্রী সাধারনত হিসেব করতে থাকেন আনুমানিক কখন ডিম্ব নিঃস্বরন (ওভুলেশান) হবে? সেজন্য তারা অন্য সময় শারীরিক মিলন থেকে বিরত থাকেন। এটা সত্যযে ওভুলেশান ছাড়া কনসিভ করা সম্ভব নয় – তবে যেহেতু নারীর ওভুলেশান সব সময় তাদের অনুমান করা সময়ে নাও হতে পারে তাই সপ্তাহে অন্তত তিন দিন স্বামী-স্ত্রীর মিলন গর্ভধারনের সম্ভাবনাকে বাড়িয়ে দেয়।

০২: গর্ভধারন নিশ্চিত করতে ডিম্বস্ফোটন ভবিষ্যদ্বাণী কিট অথবা নিষেক পরীক্ষন কিট ব্যবহার করুন – Ovulation prediction kit হচ্ছে একধরনের স্টি্রপ যা শরীরের তাপমাত্রা এবং প্রস্রাবে Luteinizing হরমোনের লেভেল পরীক্ষা করে ডিম্বনিস্বরনের সময় সম্পর্কে ধারনা দিতে পারে। অনেক নারীর ক্ষেত্রে ওভুলেশান চার্ট অথবা অন্য সব হিসাব-নিকাশ কিছুটা কনফিউজিং। তাই ovulation prediction kit দিয়ে ওভুলেশানের সময় আগে থেকে জেনে মিলন করলে গর্ভধারনের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তাছাড়া “ক্লিয়ার ব্লু ইজি মনিটর” জাতীয় নিষেক পরীক্ষন যন্ত্র দিয়েও গর্ভধারনের সম্ভাবনার একটি চিত্র পাওয়া যায়। নিষেক পরীক্ষন যন্ত্রও ওভুলেশান প্রিডিকশন কিটের মত লুটিইনজিং হরমোনের পরিবর্তন সহ অন্যন্য আনুষাঙ্গিক হরমোনাল পরিবর্তনের বিবেচনায় গর্ভধারনের সঠিক দিক নির্দেশনা দিতে পারে।

০৩: গর্ভধারনের জন্য ডিম্বনিস্বঃরনের পুর্বে শারীরিক মিলন করুন – পরে নয় – অনেকসময় স্বামী-স্ত্রী ডিম্ব নিষেক এর জন্য মিলনের সঠিক সময় নিয়ে সন্দেহে ভোগেন। প্রতি মাসে আপনার খুব একটা ছোট সময় আছে গর্ভধারনের। নারীর ডিম্বনিঃস্বরনের পর আনুমানিক ২৪ ঘন্টা তা জীবিত থাকতে পারে। অন্যদিকে পুরুষের শুক্রানু নারীর গোপনাঙ্গে প্রায় পাঁচ দিনের মত জীবিত থাকতে পারে। সেই কারনে ওভুলেশানের ২/৩ দিন আগে শারীরিক মিলন করলে গর্ভধারনের সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই ওভুলেশানের দিনের জন্য অপেক্ষা না করাই বুদ্ধিমানের মত কাজ হবে। ০৪: শুধুমাত্র ঋজচক্র ক্যালেন্ডারে নির্ভর করবেন না – আপনাদের অনেকে হয়তো শুনে আসছেন মাসিক ঋতুচক্রের ১৪ তম দিন মিলন করলে গর্ভধারনের সম্ভাবনা বেশি থাকে। এটি আসলে যাদের মাসিক চক্র ২৮ দিনের তাদের হিসেবে এ কথাটির প্রচলন হয়েছে। এটি দ্বারা অনুমান করা হয় মাত্র – কখন ডিম্বনিস্বঃরন হতে পারে। তবে এটি একদম ১০০ ভাগ নির্ভুল পদ্ধতি নয়। অনেক নারী ঠিক ১৪ তম দিনে ওভুলেট করেন না। কিন্তু আপনি যদি ওভুলেশান প্রিডিকশান কিট অথবা ডিম্বনিঃস্বরনের কোন আলামত লক্ষ্য করে মিলন করেন তাহলে ভাল ফলাফল পাওয়া যেতে পারে।

০৫: গর্ভধারনের চেষ্টার আগে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন –
নিশ্চিত করুন আপনি সন্তান ধারনের জন্য স্বাস্থ্যগত ভাবে তৈরি আছেন। শাররীক ইনফেকশান, এসটিডি তথা শারীরিক বাহিত রোগ অথবা দুর্বল স্বাস্থ্য আপনার গর্ভধারনে সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। ০৬: যখন বাচ্চা নেবার চিন্তা করছেন তখন ধুমপান, মদ্যপান এবং যাচ্ছেতাই ভাবে মেডিসিন খাওয়া থেকে বিরত থাকুন – এটি একটি সাধারন জ্ঞানের কথা কিন্তু অনেক নারী ধুমপান, মদ্যপান ইত্যাদির বহাল রেখে গর্ভধারন করেতে চান। কিন্তু বাস্তবতা হল উপরোক্ত সব বদঅভ্যাস ডিম্ব নিষেকে প্রভাব পেলতে পারে এবং এটি গর্ভের সন্তানের জন্য অতিমাত্রায় ক্ষতিকর। ০৭: গর্ভধারনের জন্য আনন্দদায়ক শারীরিক মিলন খুবই জরুরী – বেশিরভাগ ক্ষেত্রে যখন কোন যুগল সন্তান নিতে মানসিক ভাবে প্রস্তুত হন তখন তারা শারীরিক মিলনকে একপ্রকার ডিউটি মনে করতে শুরু করেন এবং মিলনের আনন্দ থেকে বঞ্চিত হন। রোমান্টিক কোন প্ল‍্যান করুন অথবা সম্পর্ক স্পাইস-আপ করার জন্য বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন। কারন আপনি মিলনে কি রকম অনুভূতি পাচ্ছেন তার উপরও গর্ভধারনের সম্ভাবনা নির্ভর করে। গবেষনায় দেখা গেছে মিলনকালে নারীর পুর্নতৃপ্তি সন্তানধারনের সম্ভাবনা বৃদ্ধি করে। পুর্নতৃপ্তির ফলে নারীর জরায়ুর দিকে শুক্রানু প্রাকিতিক ভাবে সঞ্চালিত হয় এবং পুরুষের তৃপ্তি বীর্যে শুক্রানুর সংখ্যা বৃদ্ধি করে।

০৮: কিছু শারীরিক আসন শুক্রানুকে বেশি সময় যোনীতে রাখতে সহায়তা করে – মিসনারী আসন হচ্ছে সবছে ভাল আসন যখন আপনি গর্ভধারনের চেষ্টা করছেন। যখন আপনি সন্তান নেবার পরিকল্পনা করছেন তখন ঐসকল আসন থেকে বিরত থাকুন যেখানে নারী পুরুষের উপর আরোহন করে। কারন মধ্যকর্ষন শক্তির প্রভাবে শুক্রানু লিক হয়ে বেরিয়ে পড়তে পারে। কিংবা মিলনকালে নারীর কোমরের নিচে একটি বালিশ দিয়ে রাখতে পারেন যাতে তার গোপনাঙ্গে বেশি সময় শুক্রানু অবস্থান করার সম্ভাবনা বাড়ায়। ০৯: গর্ভবতী হবার জন্য কঠিন কোন চেষ্টা করতে হয়না – অনেক দম্পতির ক্ষেত্রে খুব অল্প সময়ে গর্ভধারন বিষয়টি ঘটে যায়। অনেকে আবার লম্বা সময় চেষ্টা করেও সফল হননা। যদি আপনি চেষ্টা করার এক বছরের মধ্যে সন্তান সম্ভবা না হন তাহলে অবশ্যই ডাক্তারের স্বরনাপন্ন হন। ছবিটি ইন্টারনেট হতে সংগৃহীত সুত্রঃ হেলথবার্তা

Related Post

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave A Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *