কিয়ামত কি খুব নিকটে এগুলা কি তারি লক্ষন,
হযরত জিবরাঈল (আঃ) ২৪ হাজার বার দুনিয়াতে হুজুর (সাঃ) এর দরবারে এসেছিলেন এক সাক্ষাতে। হুজুর (সাঃ) জিবরাঈল (আঃ) কে জিঙ্গাসা করেছিলেন, হে জিবরাঈল ! আমার ইন্তেকালের পরে তুমি কতবার দুনিয়াতে আসবে? তিনি বললেন, ১০ বার আসব এবং প্রতিবারই একটি করে জিনিস তুলে নেব। দশম জিনিসটা তুলে নেওয়ার পর ঈসরাফিল (আঃ) সিঙ্গায় ফুঁ দিবেন এবং কেয়ামত আরম্ভ হবে।।
দশটি জিনিস হল:- ১। বরকত তুলে নেব।। ২। এবাদত থেকে মজা তুলে নেব।। ৩। পরস্পর মহব্বত তুলে নেব।। ৪। লজ্জা তুলে নেব।। ৫। হক বিচার তুলে নেব।। ৬। ছবর (ধর্য্য) তুলে নেব।। ৭। আলেম থেকে সত্য কথা তুলে নেব।। ((অর্থাৎ একদল আলেম জানা সত্ত্বেও হক কথা বলবে না)) ৮। ধনীদের সৎ সাহস উঠিয়ে নেব, ৯। ঈমানদার থাকবে না, ঈমান উঠে যাবে, ১০।ক্বারীদের কাছ থেকে কোরআনের তেলোয়াত তুলে নেব। ((অর্থাৎ কোরআনকে উঠিয়ে নেব)) আফসোস আমাদের সমাজে সর্বশেষ ৯ ও ১০ নাম্বারটি বাকী রয়েছে, যেদিন এদুটি উঠে যাবে সেদিনই হবে শেষ সময়।হে ভাই তুমি ভয় কর সেদিনকে, যেদিন কেও কাওকে সাহায্য করবে না, বিধায় এখন হতে তাওবা করে নবরুপে নিজের জীবনকে ইসলামের রঙে রাঙিয়ে নাও এবং অপরকেও একই পরামর্শ দাও তাহলেই শান্তি থাকবে সবার ঘরে।।ইসলামিক পোষ্টগুলো শেয়ার করার চেষ্টা করুন, এতে করে যেমন অন্য বন্ধুরা জানতে পারবে তেমনি সওয়াবও পাওয়া যাবে।নামায না পড়ার শাস্তিযারা নামায পড়েনা তাদের জন্য আল্লাহ্ পাক পনেরটি আজাব নির্দিষ্ট করিয়া রাখিয়াছেন।পনেরটি আজাবের মধ্যে ছয়টি দুনিয়ায়, তিনটি মৃত্যুর সময়, তিনটি কবরের মধ্যে এবং বাকি তিনটি হাশরের মধ্যে দেয়া হইবে।

দুনিয়াতে ছয়টি আযাব : ১। তাহার জীবনে কোনরূপ বরকত পাইবেনা। ২। আল্লাহ্ তার চেহারা হইতে নেক লোকের চিহ্ন উঠাইয়া লইবেন। ৩। যে যাহা কিছু নেক কাজ করবে, তাহার ছওয়াব পাইবেনা। ৪। তাহার দোয়া আল্লাহ্ পাকের নিকট কবুল হইবে না। ৫। আল্লাহ্ পাকের সমস্ত ফেরেশতা তাহার উপর অসন্তুষ্ট থাকবে। ৬। ইসলামের মূল্যবান নেয়ামত সমূহ হইতে বঞ্চিত করা হইবে। মৃত্যুর সময় তিনটি আজাব : ১। অত্যন্ত দুর্দশাগ্রস্ত হইয়া মৃত্যুবরণ করিবে। ২। ক্ষুধার্ত অবস্থায় মৃত্যু বরন করিবে। ৩। মৃত্যুকালে তাহার এত পিপাসা পাইবে যে,তাহার ইচ্ছা হইবে দুনিয়ার সমস্ত পানি পান করিয়া ফেলিতে।
কবরের মধ্যে তিনটি আজাব :

১। তাহার কবর এমন সংকীর্ণ হবে যে তাহার এক পাশের হাড় অপর পাশের হাড়ের সংগে মিলিত হইয়া চূর্ণবিচূর্ণ হইয়া যাইবে। ২। তাহার কবরে, দিনরাত্রি সবসময় আগুন জ্বালাইয়া রাখা হবে। ৩। আল্লাহ্ তাহার কবরে একজন আজাবের ফেরেশ্তা নিযুক্ত করিবেন। তাহার হাতে লোহার মুগুর থাকবে। সে মৃত ব্যক্তিকে বলতে থাকবে যে,দুনিয়ায় কেন নামায পড় নাই। আজ তাহার ফল ভোগ কর। এই বলিয়া ফজর নামায না পড়ার জন্য ফজর হইতে জোহর পর্যন্ত, জোহর নামাযের জন্য জোহর থেকে আছর পর্যন্ত, আছরের নামাযের জন্য আছর থেকে মাগরিব পর্যন্ত, মাগরিবের নামাযের জন্য মাগরিব হইতে এশা পর্যন্ত এবং এশার নামাযের জন্য এশা হইতে ফজর পর্যন্ত লোহার মুগুর দ্বারা আঘাত করতে থাকবে।আমাদের মধ্যে যারা মুসলিম আছে আসুন ভাই আমরা সকল ভাই ও বোনেরা নিয়মিত এবং সময়মত নামাজ পড়ি, অপর ভাইদের ও বলি নামাজ পরার জন্য। তাহলেই একমাত্র আমাদের সমাজ এ প্রকৃত শান্তি ও মুক্তি আসবে,,,

Related Post