“জান্নাত সিনেমাকে নিষিদ্ধ করতেই হবে যারা সিনেমাটি তৈরী করেছে…” বিস্তারিত আরো পড়ুন।

জান্নাত সিনেমাকে নিষিদ্ধ করতেই হবে যারা সিনেমাটি তৈরী করেছে তাদেরকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।
ইসলামকে নিয়ে কুটুক্তি করার সীমা প্রায় ছারিয়ে গেছে,,হাজারো নাস্তিক তৈরি হচ্ছে।ইসলামকে নিয়ে কুটুক্তি করে মুক্তি পাচ্ছে অনেকেই।
বাংলাদেশ মুসলিম সংখ্যাঘরিষ্ট একটি দেশ।এদেশের মাটির নিচে ঘুমিয়ে আছে হাজারো আল্লাহর অলীরা কিন্তু এ দেশে ইসলামী হুকুমত কায়েম নেই কেন? কেন এদেশে আল্লাহ ও নবী কারীম (সাঃ) ও ইসলামের নামে কুটুক্তি হয়????কেন এদেশের সিনেমা হলে ইসলামকে নিয়ে কুটুক্তি করে?? উত্তর হলো আমরা নামেই শুধু মুসলিম

প্রিয় বন্ধুরা আমাদের ইমানের শক্তি প্রায় নিভু নিভু অবস্হা। আমাদের ইমানকে ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য কাফের মুশরিকরা উৎপেতে বসে আছে। সম্প্রতি বাংলাদেশের সিনেমা নাটকেও নাস্তিকতার সয়লাভ.. তার মধ্যে একটি সিনেমা হলো “”জান্নাত””
এ সিনেমাটির মধ্যে মুসলমানকে জংগীর তথা সন্ত্রাসীর তকমা লাগানো হয়েছে,, এটা নতুন কোন ঘঠনা নয়,,এরকম মুসলমানকে অপমান এ দেশে অনেক সিনেমা তৈরী হয়েছে,তার মধ্যে আরেকটি হলো নাস্তিক হুমায়ন আহমেদের “ঘেটুপুত্র কমলা”
আমরা সকলেই জানি সিনেমা মানেই খারাপ।এটাতে জে ভাল দিক খুজবে সেও এক নস্টা। এতে যারা অভিনয় করে সব নস্টা ছেলেমেয়ে।।।
ঠিকাছে তোমরা নস্টামি করো,,তোমাদের বেপার,কিন্তু সেখানে ইসলাম ও মুসলমানকে মিশাও কেন??
কয়েক মাস আগে একটি টকশোতে দেখেছিলাম বিখ্যাত মুরগীচোর নাস্তিক শাহরিয়ার কবির,,মাদরাসার শিশু শ্রেনীর কয়েকটি বই এনে সকলকে বলছে, এই দেখেন বইতে কি শিখানো হচ্ছে,, অ তে অযুঃ অযু করে নামাজ পড়। ক তে কুরআনঃ কুরআন পড় জীবন গড়!
গান গাওয়া ভাল নয়,,,ইত্যাদি।

এবার এ কুলাংগারটা বলেছে এ শিক্ষার্জন করেই এই ছেলেরা হলি আর্টিজেনে জঙ্গী হামলা করেছে? (নাউযুবিল্লাহ। শুধু তাই নয় এদেশের কুশিক্ষিত শ্রেনীর বিড়াট এক মহল বল্ল মাদরাসার ছেলেরা জঙ্গী! কিন্তু হলি আর্টিজেন হামলায় একজন ও মাদটাসার ছেলে ছিল না,,সব কয়টি বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র।
শাহরিয়ার কবিরের মতো শত নাস্তিক দেরকে বলবো,, মাদরাসা আছে বলেই এ দেশের ভোর হয় শিশুদের কন্ঠের কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে। এ দেশে মাদরাসা আছে বলেই তোদের মতো নাস্তিক কুলাংগার সুলতানা কামালের মতো প্রসটেটিওটের বাচ্চারা পৃথিবীর আলো ও বাতাসে বেঁচে আছিস।এ দেশের মধ্যে যখন তোরা আল্লাহর ও তার রাসুলকে নিয়ে কুটুক্তি করিস,যখন এদেশের প্রসটিটুউশান গুলো,নাইটক্লাব গোলো প্রসটেটিউটদের মাধ্যমে পাপিষ্ট এক জাহান্নামের টুকরায় পরিণত করিস! তখন আল্লাহ চান তোদেরকে জমিনের নিচে দাবিয়ে দিতে!কিন্তু আল্লাহ তায়ালা তখন দেখেন এ দেশের মসজিদ থেকে “” আল্লাহু আকবার”””আজানের ধ্বনি বেজে উঠে এদেশের ছোট ছোট কুটির থেকে ছোট ছোট বাচ্চারা তাহাজ্জুদ নামাজ পড়ে,,কুরআন তিলাওয়াত করছে।আল্লাহ তায়ালা তখন শাশ্তি দেয়ার পরীবর্তে রহমত নাযিল করেন।

শুনে রাখ শাহরিয়ার কবির আমার এই মাদটাসার শিক্ষার বই গুলো ছেলেদের কে সন্ত্রাস বানায় না? তবে শিক্ষা দেয় ইসলাম ধর্মকে রক্ষার জন্য জিহাদ।। আর তুর ঐ গান বাদ্য ওয়ালা সিনেমা এফডিসি শিক্ষা দেয় সন্ত্রাসের,,এই সিনেমার অশ্লীলতার জন্যই এদেশে প্রশটিটিওশান তৈরী হয়েছে। দর্ষণ হচ্ছে। তুর কুশিক্ষায় শিক্ষিত যুবকেরা টি এস সি তে বোনদের বস্র হরণ করেছে।

মাননীয় সরকারের কাছে আমাদের দাবী ইসলামকে অবমাননা কারী, “সিনেমা জান্নাতকে” কে বাংলাদেশের প্রতিটি সিনেমা হল থেকে বেন্ড করে,যারা এ সিনেমা বানিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্হা নিবেন মনে রাখবেন ইসলাম আছে বলেই এদেশ স্বাধীনতা পেয়েছে,আজো টিকে আছে,,যদি এ নাস্তিকরা ইসলামের বিরুদ্ধে কোন কটুক্তি করে তাহলে কিন্তু আল্লাহর গজব চলে আসবে। আর যদি নাস্তিকদের বিরুদ্ধে এ সিনেমার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্হা না নেন তাহলে ইসলাম ও মুসলমানের সম্মানের রক্ষায় এদেশের প্রতিটি মুসলমান মুজাহিদ হয়ে,রাস্তায় নামবে,
প্রতিটি নাস্তিক কে প্রকাশ্যে জাহান্নামে পাঠাবে। আর বেশ্যাদের প্রসুতি এফ ডি সি কে মাটির সাথে মিশিয়ে দেবে ইনশাল্লাহ।

সরকারী দলকে আমার প্রশ্ন হলো” জাতির পিতার অবমাননা কারী শাস্তি ১৪ বছর জেল????কিন্তু ধর্মপরাধীদেরকে কেন বড় কোন আইনে শাস্তি নেই?? হাজারো ধর্মপড়াধী মুক্ত আকাশে হাওয়া খাচ্ছে কেন???সম্প্রতি কোরআান শরীফে পা দিয়ে পশ্রাব করার ঘোষনা কারী এক কুখ্যাত নাস্তিক “আসাদ নুর” কে কেন ছেড়ে দিয়েছেন?? কি জবাব দেবেন ?
শেষ করবো এই পৃথিবীর মালিক সমশ্ত মাখলুকাতের মালিকের ঐশী বানী দিয়ে:: قال الله تعالی….”” ان بطش ربک لشدید““ নিশ্য়ই তোমাদের পালনকর্তার পাকড়াও খুব কঠিন( সুরা বুরুজঃ১২)

(Visited 744 times, 1 visits today)

Related Post

You may also like...