তখন ঘড়ির কাটায় পৌনে দুইটা। সময় হয়েছে যোহরের নামাযের। আবুধাবি স্টেডিয়ামের প্রধান গেইটের নিচ তলায় রয়েছে নামাজ পড়ার স্থান। এ সময় বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় আসলেন নামাযের জন্য। দুই রাকাত কসর পড়বেন নাকি চার রাকাত পড়বেন –এই নিয়ে একটু দ্বিধায় ভুগছিলেন তারা। ঠিক হলো, ২ রাকাত কসরই পড়বেন।

কিন্তু ইমামতি করবেন কে? এ নিয়ে সিদ্ধান্তহীনতায় পড়ে গেল তারা। সাকিব সদ্য হজ্জ করে এসেছেন। লম্বা দাড়ি রেখেছেন, সাকিবেরই তো ইমামতি করার কথা ছিল। কিন্তু ইমামতি করতে রাজি ছিলেন না সাকিব। এই ফাঁকে ইমামতির জন্য দাঁড়িয়ে গেলেন ইমরুল। সাকিব বললেন, ‘তুই করবি?’ ইমরুল বললেন, ‘হ্যাঁ।’

আফগানদের বিপক্ষে দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছেন ইমরুল কায়েস। তিন দিন টানা ম্যাচ খেলার পর দুদিনের জার্নি। ক্লান্ত ইমরুল কি ঠিকঠাক ব্যাটিং করতে পারবেন? এই প্রশ্ন কিন্তু ছিল। তবে সব শঙ্কা উড়িয়ে সফল ইমরুল। গত বছর অক্টেবরে শেষ ওয়ানডে খেলেন দলের হয়ে। কঠিন পরিস্থিতিতে দলে ফিরেই হাফ সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন ইমরুল। দলে যে টানা ব্যাটিং ধ্বস চলছিল, সেটা সামাল দিয়েছেন তিনিই। ইনিংস শেষে ৭২ রানে অপরাজিত রয়েছেন ইমরুল।

Related Post