এশিয়া কাপের ফাইনালে আবারো স্বপ্ন ভঙ্গ হয়েছে বাংলাদেশের। এবারেও শেষ সময়ে এসে তরী ডুবেছে বাংলাদেশের। বাংলাদেশের দেয়া ২২৩ রানের লক্ষে খেলতে নেমে একদম শেষ বলে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশ হারলেও রুখে দাঁড়ানো নিয়েই লিখেছে ভারতীয় পত্রিকাগুলো। আনন্দ বাজার লিখেছে, ‘এক সময় ১২০-০। সেখান থেকে ২২২ রানে অল আউট! এ যেমন বাংলাদেশের একটা দিক, তেমনই ২২২ রান তুলেও ভারতের সাত উইকেট ফেলে দিয়ে শেষ বল পর্যন্ত জেতার লড়াইয়ে থাকা।

এটা বাংলাদেশের আর এক দিক। শুক্রবার দুবাইয়ে এশিয়া কাপে যে বাংলাদেশকে দেখল ক্রিকেটবিশ্ব, তা এক নতুন বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তানের মতো বিশ্বকাপজয়ী দল যখন ক্রমশ ব্যর্থতার অন্ধকারে ঢেকে গিয়েছে, তখন বাংলাদেশের এই উত্থান এশিয়ার ক্রিকেটের পক্ষে অবশ্যই ভাল খবর।’

‘শেষ ওভারে ভারতের দরকার ছিল ছয় রান। হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পাওয়া কেদার যাদব তখন আবার নেমেছেন। সঙ্গী কুলদীপ যাদব। চাই পাঁচ বলে পাঁচ। তিন বলে দুই। এবং এক বলে এক। আবার একটা টাইয়ের সম্ভাবনা তখন সামনে চলে এসেছে। মাহমুদুল্লার করা ওই শেষ বলটা কেদারের প্যাড ছুঁয়ে চলে গেল ফাইন লেগে। সঙ্গে সঙ্গে মরুশহরে এশিয়া সেরার সিংহাসনে অধিষ্ঠিত হল ভারতীয় ক্রিকেট। মরুভূমির বুকে প্রায় নতুন এক আরব্যরজনী লিখে ফেলা এগারো বাঙালি তখন বিধ্বস্ত। কারও মুখের হাসিটা টিভি-তে তখন খুবই করুণ দেখাচ্ছিল।’
আনন্দ বাজার লিখেছে, ‘একটা ম্যাচে কম ঘাত-প্রতিঘাত তো দেখা গেল না। কোথাও যন্ত্রণাকে অগ্রাহ্য করে, জীবনকে বাজি রেখে মাঠে নেমে পড়া। কোথাও প্রতিযোগিতার সেরা ম্যাচেই নিজেকে ছাপিয়ে যাওয়া। কোথাও হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট অগ্রাহ্য করে দলের স্বার্থে নিজেকে তুচ্ছ করা। যেমন মাশরফি মর্তুজা, যেমন লিটন দাস, যেমন কেদার যাদব।’

Related Post