বাংলাদেশের সাবেক সেনা প্রধান, এককালীন প্রধান সামরিক প্রশাসক ও রাষ্ট্রপতি। তিনি জাতীয় পার্টি নামক রাজনৈতিক দলের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি বর্তমানে জাতীয় পার্টি (এরশাদ) উপদলের নেতা।
২০০৯ খ্রিস্টাব্দে অনুষ্ঠিত ৯ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসন হতে তিনি জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৮৩ খ্রিস্টাব্দে নির্বাচিত সরকারের অধীনে সেনাপ্রধানের দায়িত্ব পালন কালে তিনি রাষ্ট্রক্ষমতা গ্রহণ করেন এবং সামরিক শাসন জারীর মাধ্যমে দেশ শাসন করেন।
দেশে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা পুন:প্রবর্তনের উদ্দেশ্য ঘোষণা করে তিনি ১৯৮৬ খ্রিস্টাব্দে সংসদীয় সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত করেন। এই নির্বাচনে তিনি স্বপ্রতিষ্ঠিত জাতীয় পার্টির ভোটপ্রার্থী হিসাবে অংশ গ্রহণ করেন এবং পরে ৫ (পাঁচ) বৎসরের জন্য বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
১৯৯০ খ্রিষ্টাব্দে গণবিক্ষোভের চাপে এবং সেনাবাহিনীর সমর্থনের অভাবে তিনি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।তার নামটি জড়িয়ে আছে রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক নানা বিষয়ের সাথে।
বাংলাদেশের এই সাবেক সামরিক শাসক এবং রাষ্ট্রপতিকে ঘিরে রয়েছে বিভিন্ন আলোচনা-সমালোচনার ঝড়। এবার নতুন করে আলোচনায় এরশাদ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পরেছে এরশাদ-রওশন দম্পতির একটি ছবি।
ছবিটি এরশাদ এবং রওশন এরশাদের বৈবাহিক জীবনের প্রথম দিকের কোন একসময়কার তোলা। ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছবিটি ছড়িয়ে পরলে আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছেন এই দম্পতি।
১৯৩০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি কোচবিহার জেলার দিনহাটায় জন্মগ্রহন করেন এরশাদ। পড়াশোনা করেন রংপুরের কারমাইকেল কলেজে। স্নাতক ডিগ্রী নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৫০ সালে।
তারপর, ১৯৫৬ সালে রওশন এর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। এরশাদ বর্তমানে সরকারের বিশেষ দূত এবং অন্যদিকে তাঁর স্ত্রী রওশন এরশাদ সংসদের বিরোধী দলীয় নেত্রী।

Related Post