ডিম অত্যন্ত পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ একটি খাবার। ডিমের সাদা অংশে পানি ৮৮.০%, প্রোটিন বা আমিষ ১১.০%, চর্বি ০.২% এবং খনিজ পদার্থ ০.৮%।ডিমের হলুদ অংশ বা কুসুমের মধ্যে ৪৮.০% পানি, ১৭.৫% প্রোটিন বা আমিষ, ৩২.৫% চর্বি এবং ২.০% খনিজ পদার্থ আছে। এছাড়া এটি খুব সস্তা ও সহজলভ্য। কিন্তু বর্তমানে ডিমেও ভেজাল। প্লাস্টিকের ডিম তৈরি করে আসল ডিমের সঙ্গে মিশিয়ে বিক্রি হচ্ছে। এ ধরনের ডিমে প্রচুর রাসায়নিক ব্যবহার করা হয় বলে এতে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ে।

আসল ডিমের সঙ্গে প্লাস্টিক ডিমের পার্থক্য সহজে বোঝা যায় না। তবে একটু সাবধান হলে সহজে নকল ডিম ধরা যায়। প্লাস্টিক ডিম ফেটিয়ে কড়াইতে দিলে অনেক সময় শক্ত হয়ে যায়। এমনকি পোড়া প্লাস্টিকের গন্ধও বের হতে পারে। এছাড়া প্লাস্টিকের ডিম চেনার আরো কিচু উপায় রয়েছে-

# সাধারণ ডিমের চেয়ে এই ডিম বেশি ঝকঝকে। # ডিম ভাঙার পর সাদা অংশ ও কুসুম এক হয়ে যায়। # এর খোলস বেশি শক্ত। খোলের ভেতর রাবারের মতো লাইন থাকে। # ডিম ঝাঁকালে পানি গড়ানোর মতো শব্দ হয়। # প্লাস্টিকের ডিমে কোনো গন্ধ থাকে না। # আসল ডিম ভাঙলে মুড়মুড়ে শব্দ হয়। কিন্তু প্লাস্টিকের ডিমে তেমন শব্দ হয় না। # নকল ডিমের খোলা আসলের মতো মসৃণ নয়, খানিকটা খসখসে। # আসল ডিম ভেঙে রেখে দিলে পিঁপড়া বা পোকামাকড় আসে। কিন্তু নকল ডিমে পোকামাকড় আসে না।

প্লাস্টিকের নকল ডিম নিয়ে যমুনা টিভির রিপোর্ট। সচেতন হোন এখনই।

প্লাস্টিকের নকল ডিম নিয়ে যমুনা টিভির রিপোর্ট। সচেতন হোন এখনই।

Posted by নলেজ নেটওয়ার্ক বিডি on Monday, December 24, 2018

Related Post

Spread the love
  • 58.1K
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    58.1K
    Shares