বাংলাদেশ দল মান সম্মত বোলিং অলরাউন্ডার এখনও খুঁজে বেড়াচ্ছে। দলের সাত নম্বর ব্যাটিং করার মতো এখনো কেউ হয়ে ওঠেনি বাংলাদেশ। তবে ২০১৭ সালে জাতীয় দলে অভিষেক হওয়া পেস বোলিং অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনকে উপযুক্ত ভাবা হয়েছিল।কিন্তু সময়ের সাথে সাথে হারিয়ে গেছে সেই প্রতিভাবান ক্রিকেটার। যে কারণে তাকে নিয়ে কোন পরিকল্পনাই করছেন না জানিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।

তিনি জানান, এই জায়গার জন্য প্রস্তুত করার পরিকল্পনায় আছেন তাঁরা। আরিফুল হক এবং সৌম্য সরকার তাদের মধ্যে অন্যতম। যদিও ইতিমধ্যে বল হাতে নিজের সামর্থ্য দেখানোর সুযোগ পেয়েছিলেন সৌম্য। কিন্তু এখনও আরিফুল হকের সুযোগ আসেনি।তবে তাঁকে নিয়ে পরিকল্পনা আছে জানিয়ে পাপন বলেন, ‘একটা বোলিং অলরাউন্ডার দরকার, আরিফুলকে নিয়ে কথা হচ্ছে। কিন্তু মাশরাফি তাঁকে বল করতে দিবে বলে মনে হয় না। আরিফুল এখনও পরীক্ষিত না। এই ফাইনালে কিন্তু তাঁর খেলার কথা ছিল। আরিফুল ও সৌম্যকে দিয়ে পাঁচ ওভার বল করানো হবে। এমন কথা ছিল, বাকিটা রিয়াদ দেখবে।’মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনকে নিয়ে বলেন, ‘আমরা সাইফুদ্দীনে অনেক প্রতিভা দেখেছিলাম। সে ওই জায়গার জন্য আদর্শ ক্রিকেটার আমাদের জন্য। কিন্তু ওর বোলিং নাকি খুবই খারাপ হয়ে গেছে, ওর খোঁজ খবর নিলেই শুনি সে বল করা ভুলে গেছে। এখন বল করা ভুলে গেলে কিভাবে হবে, আমার তো বোলিং অলরাউন্ডার দরকার। সে নাকি বল ফেলতেই পারে না জায়গা মত। এই পজিশনে আমরা অনেক পরীক্ষা নিরিক্ষা করেছি। সাব্বিরকে চেষ্টা করেছি, আরিফুল আছে, সৌম্যকে নিয়ে এখন নতুন করে ভাবা হচ্ছে।’বার বার ব্যর্থ হয়ে দল থেকে ছিটকে পড়েছিলেন সৌম্য।

তবে এবার ওপেনার হিসেবে নয় সাতে ব্যাটিং করার জন্য যায়গা পেয়েছে সে। পাশাপাশি বল হাতেও দলকে ভালই সাহায্য করবেন এমন পরিকল্পনায়। আর এতে কিছুটা কাজেও এসেছেন বলে জানান তিনি।কিন্তু সুযোগ হয়নি আরিফুলের। ছয়টি টি-টুয়েন্টি খেলছেন তিনি। বল করতে পেরেছিলেন মাত্র একটি ম্যাচে। এক ওভার বল করে ১৩ রান খরচে একটি উইকেটও নিয়েছিলেন সে দিন। এবার এশিয়া কাপের ওয়ানডে স্কোয়াডেও থেকেও ওয়ানডে অভিষেক ঘটাতে পারেননি এই অলরাউন্ডার।

Related Post