অনেক জল্পনাকল্পনার পর অবশেষে আলোর মুখ দেখছে স্বপ্নের পূর্বাচল ক্রিকেট স্টেডিয়াম। বিশেষায়িত এই স্টেডিয়ামের দর্শক ধারণক্ষমতা কমপক্ষে ৭৫ হাজার। যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ স্টেডিয়াম। স্থাপনা পূর্বনির্ধারিত হলেও এতদিন জমি নিয়ে ছিল নানা বিরোধ। সরকারের উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপে কেটে গেছে সেই সংকট।

এই বছরের ডিসেম্বর মাসের ভেতরেই জমির একক মালিকানা বুঝে পাবে বিসিবি। এমনটাই নিশ্চিত করেছেন বিসিবির গ্রাউন্ডস কমিটর চেয়ারম্যান মাহবুব আনাম। বেশ কদিন থেকে চলা দন্দ্বে স্টেডিয়ামের জন্য নির্ধারিত ওই জমি নিয়ে বিরোধিতা করে বন বিভাগ। পূর্বাচল সিটিতে পরিবেশগত কারনে পর্যাপ্ত বনভূমি রাখতে এই দাবি করেছিলো তারা।

প্রাথমিক ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৮০০ কোটি টাকা। ২০২২ সালের ভেতরই শেষ করা হবে নির্মান কাজ। এই কমপ্লেক্সের ভেতর থাকছে অন্তত ৭৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতাসম্পন্ন অত্যাধুনিক স্টেডিয়াম, অনুশীলন গ্রাউন্ড, ইনডোর, জিমনেশিয়াম, সুইমিং পুল এবং পাঁচ তারকা হোটেল।
নতুন স্টেডিয়ামের প্রায় সবকিছুই হবে অটোমেটেড। পানি নিষ্কাশন থেকে উইকেটের পরিচর্যা সব কিছুতেই মানুষের ব্যবহার কমানো হবে।

সম্প্রতি আইসিসির একজন কিউরেটর এসব বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিয়েছেন বিসিবির কিউরেটর-কর্মকর্তাদের।
সব ঠিকঠাক থাকলে ২০২৩ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ আয়োজন করতে সক্ষম হবে বাংলাদেশ। বিশ্বের বুকে অন্যতম একটি ক্রিকেট স্টেডিয়ামের মালিক হিসেবে গর্ব করতে পারবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডও।

Related Post