দেখুন বাংলাদেশ ক্রিকেটারদের – বর্তমান বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের নিয়মিত খেলোয়াড়। মাশরাফি, সাকিব, মুশফিক, তামিম, রিয়াদরা। বর্তমান সময়ে এই সকল তারকাদের ছবির ছড়াছড়ি। কিন্তু ছোটবেলায় এই ক্রিকেটাররা কেমন ছিলেন দেখতে ?

চলুন আজ আমরা মাশরাফি, সাকিব,তামিম,রিয়াদ, মুশফিক,নাসির, সাব্বির,সৌম্য, তাসকিনের ছোটবেলার ছবিগুলো একে একে দেখে নি…
মাশরাফি বিন মর্তুজা:

সাকিব আল হাসান:

মুশফিকুর রহিম:

তামিম ইকবাল:

মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ:

সৌম্য সরকার:

নাসির হোসেন:

সাব্বির রহমান:

তাসকিন আহমেদ:

(ছবিগুলো খেলোয়াড়দের পারিবারিক অ্যালবাম থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে)
আরো পড়ুন
বলিউড ছেড়ে কেন আইপিএলে, জানালেন প্রীতি! জানলে অবাক হবেন।
২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর ভয়াবহ সুনামির স্মৃতি আজও অনেকের মনেই টাটকা। চৌদ্দ বছর আগেকার প্রায় ১৪টি রাষ্ট্রে হানা দিয়েছিল সেই সুনামি। নিহত হয়েছিল প্রায় ২ লাখ ৩০ মানুষ। ভয়ঙ্কর ওই সুনামির কবলে পড়েছিলেন বলিউড অভিনেত্রী প্রীতি জিনতাও। সেসময় থাইল্যান্ডের ফুকেট দ্বীপে ছুটি কাটাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু ভাগ্যজোড়ে সেদিন সাক্ষাৎ মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে ফেরেন।
গত শনিবার সন্ধ্যায় কলকাতার গ্র্যান্ড হোটেলে ‘ইন্ডিয়া টুডে কনক্লেভ ইস্ট ২০১৮’ অনুষ্ঠানে ‘কভি আলবিদা না কহেনা:ব্যাক টু দ্য ফিউচার’ শীর্ষক আলোচনাচক্রে উপস্থিত থেকে সেই ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার কথা জানান।
প্রীতি বলেন, ‘সুনামিতে আমি প্রায় মারাই যাচ্ছিলাম। আমি তখন ফুকেট’এ ছিলাম। আমার কাছের বন্ধুদের প্রায় অনেকেই সেদিন মারা যায়। একমাত্র আমি ভাগ্যজোরে বেঁচে গিয়েছিলাম। ঈশ্বর যেন তাদের আত্মার মঙ্গল করে। ওটা আমার কাছে খুব কঠিন সময় ছিল।’
সেদিনকার সেই ভয়াবহ ঘটনা প্রীতির জীবনে এক অদ্ভুত মোড় এনে দেয়। তিনি জানান, ‘আমি ভাবতে শুরু করলাম যে আমি কেন বেঁচে গেলাম? তাই আমি ভাবলাম আমার সেটাই করা উচিত যেটা আমি আমার জীবন দিয়ে করতে চাই। ওই ঘটনা পরই ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল)-এ যোগদানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেন এই বলিউডি অভিনেত্রী।
তিনি জানান, ‘ব্রেভারি অ্যাওয়ার্ডস-এ আমি ললিত মোদির সাথে দেখা করি। আমি তার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর ছিলাম এবং তাঁর পরিবারও এর সাথে যুক্ত ছিল। পরে আমরা একসাথে বসে কফি খাই এবং আমি তাঁকে (ললিত) বলেছিলাম যে একটা স্পোর্টস স্কুল করতে চাই। এটা আমার বাবা ও আমার স্বপ্ন ছিল। কিন্তু আমার কোন ধারণা ছিল না যে এর জন্য প্রায় এক হাজার কোটি রুপি লাগবে।’
প্রীতি আরও জানান, ‘যখন আইপিএল-এর জন্য নিলাম শুরু হল, ললিত মোদি আমাকে ডাকলেন এবং জিজ্ঞাসা করলেন যে ‘আপনি কেন এখানেপ্রীতি যুক্ত হচ্ছেন না?’ প্রত্যেকেই তখন নিষেধ করেছিলেন কিন্তু আমি সজাগ ছিলাম। আমি ভেবেছিলাম, আমি কি এটা করতে পারি? হ্যাঁ, আমি পারি।’
আরো পড়ুন
সাবধান! ভাত খাওয়ার পর এই ভুল কাজটি করলে আপনার মৃত্যু আনিবার্য।
ভাত খাওয়ার পর- সারা বিশ্বের অধিকাংশ মানুষ নানা ভাবে ভাত খেয়ে থাকেন। বিশেষত, এশিয়া মহাদেশে প্রতিদিন ভাত খাওয়া লোকের সংখ্যা সবথেকে বেশি।
আর ভারতের ও বাংলাদেশ কথা তো ছেড়েই দিলাম! বাঙালি সারাদিনে একবার ভাত খাবে না, সেটা হতেই পারে না। গরম হলে তো কথাই নেই পান্তা হলেও চলবে। ভাত অবশ্যই উপকারী খাবার।
কিন্তু এমন কিছু বদঅভ্যাস রয়েছে যেগুলো আমাদেরকে সুস্থ রাখার পরিবর্তে অসুস্থ করে তোলে।
আর তাই সে সব অভ্যাস পরিত্যাগ করাই ভাল। এ অভ্যাস গুলো শরীরে নানা বিরূপ প্রভাব ফেলে।
১. খাবার খাওয়ার পরপরই অনেকে ফল খায়। এটা একদম ঠিক নয়। কারণ এতে বাড়তে পারে এসিডিটি। খাবার গ্রহণের দু’এক ঘণ্টা আগে বা পরে ফল খাওয়া ভাল।
২. অনেকে দেখা যায় খাবার শেষ করার সঙ্গে সঙ্গেই ধূমপান শুরু করে। এটা খুবই মারাত্মক খারাপ অভ্যাস। চিকিত্‍সকরা বলেন, অন্য সময় ধূমপান যতটুকু ক্ষতি করে খাবার খাওয়ার পর ধূমপান করলে তা ১০ গুণ বেশি ক্ষতিকর।
৩. খাবার গ্রহণের পর পরই স্নান করবেন না। কারণ খাওয়ার পরপরই স্নান করলে শরীরের রক্ত সঞ্চালন মাত্রা বেড়ে যায়। এর ফলে পাকস্থিলির চারপাশের রক্তের পরিমাণ বেড়ে যায়। যা পরিপাকতন্ত্রকে দুর্বল করতে পারে। ফলে খাবার হজমের স্বাভাবিক সময়কে ধীরগতি করে দেয়।
৪. অনেকে দেখা যায় খাবার গ্রহণের সময় বা পরপরই কোমড়ের বেল্ট কিংবা কাপড় ঢিলা করে দেয়। এটা ঠিক নয়। কারণ কোমরের বেল্ট বা কাপড় ঢিলা করলে খুব সহজেই ইন্টেসটাইন (পাকস্থলি) থেকে রেক্টাম (মলদ্বার) পর্যন্ত খাদ্যনারীর নিম্নাংশ বেকে যেতে পারে বা পেঁচিয়ে যেতে পারে বা ব্লক হয়ে যেতে পারে।
এ সমস্যাকে ইন্টেসটাইনাল অবস্ট্রাকশন বলে।
৫. খাবার পরপরই ব্যয়াম করা ঠিক নয়।
৬. ভাত খাওয়ার পরপরই ঘুমিয়ে পড়া খুবই খারাপ অভ্যাস। এর ফলে শরীরে মেদ জমে যায়।
৭. খাবার পরেই অনেকে হাতে চায়ের কাপ নিয়ে বসে যান। চায়ে থাকে প্রচুর পরিমাণ টেনিক এসিড যা খাদ্যের প্রোটিনকে ১০০ গুণ বাড়িয়ে তোলে। এতে খাবার হজম হতে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় লাগে। তাই কিছু সময় অপেক্ষা করার পর চা পান করুন।
৮. হাটা চলা করবেন না! অনেকেই বলে থাকেন যে , খাবার পর ১০০ কদম হাটা মানে আয়ু ১০০ দিন বাড়িয়ে ফেলা! কিন্তু আসলে বিষয়টা পুরোপুরি সত্য নয় খাবার পর হাটা উচিত , তবে অবশ্যই সেটা খাবার শেষ করেই তাত্‍ক্ষণিক ভাবে নয় ।
কারণ এতে করে আমাদের শরীরের ডাইজেস্টিভ সিস্টেম খাবার থেকে প্রয়োজনীয় পুষ্টি শোষনে অক্ষম হয়ে পড়ে।
জনকল্যাণ স্বার্থে অবশ্যই এই পোস্টটি শেয়ার করুন আপনার কাছের মানুষদের ” সুস্থ রাখুন ও সুস্থ থাকুন”

Related Post

Spread the love
  • 789
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    789
    Shares