দেশে কবে এলেন?
গত শুক্রবার। পূজার কারণে আমাদের শুটিং বন্ধ আছে। আসার পর থেকেই বন্ধু, আত্মীয়স্বজন অনেকেই আসছে বাড়িতে। ছবি তুলছে, অটোগ্রাফ নিচ্ছে। আজ (গতকাল) আমাদের বাসার (ঢাকার ডেমড়া) পাশের একটা কিন্ডারগার্টেন স্কুলের শিক্ষার্থীরা এসেছিল। ওদের সঙ্গে সময় কাটাতে ভালো লেগেছে।
কলকাতায় এ রকম কোনো অভিজ্ঞতা হয়নি?
আর বলবেন না! আসার আগে ট্রেনের টিকিট কাটতে গিয়েছি, সেখানে নিরাপত্তাকর্মীরা সবাই আমার সঙ্গে ছবি তুলেছেন। ওদিকে মাইকে ঘোষণা করা হচ্ছে, সোমবারের আগে বাংলাদেশের কোনো টিকিট নেই। আমি ভেতরে যেতেই স্টেশনের কর্মকর্তা বাইরে চলে এসেছিলেন। ছবি তুলেছেন। পরে নিজে টিকিটের ব্যবস্থা করে দিলেন। শুধু তা–ই নয়, আমার কাছে কিছু রুপি কম ছিল, তিনি নিজেই সেটা দিয়ে দিলেন। এটা আমার কাছে একটা দারুণ অভিজ্ঞতা।
শনিবারের পরিবেশনা নিয়ে মঞ্চে ওঠার আগে কি ভেবেছিলেন বিচারকেরা গানটি এত পছন্দ করবেন?
আমি যখন মঞ্চে উঠেছি, ততক্ষণে পরের ধাপের জন্য ১৮ জন চূড়ান্ত হয়ে গেছেন। আমাকে আর নেওয়ার কোনো কারণই নেই। আমি অবশ্য এসব কিছু ভাবিনি। আমি আমার সেরাটা দিতে চেয়েছি।
বিচারক শান্তনু মৈত্র আপনার জন্য চেয়ার ছেড়ে দিলেন। কেমন লেগেছে?
এটা আসলে ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না। কী যে ভালো লেগেছে…!
অনুষ্ঠানের উপস্থাপক যিশু সেনগুপ্তের সঙ্গে আলাদা করে কথা হয়েছে?
হ্যাঁ। তিনি বাংলাদেশের রক গানগুলো খুব পছন্দ করেন। এ কারণে আমার পরিবেশনা নাকি তাঁর খুব ভালো লাগে।
ভক্তের মধ্যে মেয়ে না ছেলের সংখ্যা বেশি?
হা হা হা! দুটি দলই সমান। আসলে ছেলে ভক্তদের সঙ্গে বেশি কথা হয়। মেয়েদের সঙ্গে একটু কম।
দ্বৈত গান গাওয়ার সুযোগ পেলে কোন শিল্পীর সঙ্গে গাইতে চান?
সবার আগে মেহরীন, তারপর চিরকুটের সুমি আপার সঙ্গে।
জেমসের সঙ্গে দেখা হলে কী করবেন?
পায়ে হাত দিয়ে সালাম করে দোয়া চাইব।
তিন বিচারকের মধ্যে সেরা কে?
শান্তনু মৈত্র। তিনি একাধারে সংগীত পরিচালকও। এ কারণে তাঁকে বেশি ভালো লাগে।

Related Post

Spread the love
  • 2K
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    2K
    Shares