ভারতের ট্রেন স্টেশনে বিরাট সম্মান পেলেন সেই নোবেল

শনিবার ‘সারেগামাপা’তে গান গেয়েছেন মঈনুল আহসান নোবেল। ভারতের জি বাংলায় প্রচারিত জনপ্রিয় এই অনুষ্ঠানটি ধারণ করা হয়েছে অনেক আগেই। পূজার কারণে শুটিং বন্ধ থাকায় শুক্রবার দেশে এসেছেন তিনি। ঢাকায় এসে বন্ধু-আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন তিনি।
ঢাকায় ফেরার আগে ট্রেনের টিকেট কিনতে গিয়েছিলেন তিনি। তখন মাইকে ঘোষণা করা হচ্ছে, সোমবারের আগে বাংলাদেশের কোনো টিকিট নেই। সে সময় তিনি ভেতরে যেতেই স্টেশনের কর্মকর্তা বাইরে চলে এসেছিলেন।
ছবি তুলেছেন। পরে নিজে টিকিটের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। শুধু তা–ই নয়, নোবেলের কাছে কিছু রুপি কম ছিল, স্টেশনের কর্মকর্তা নিজেই সেটা দিয়ে দিয়েছেন বলে জানান নোবেল। এটা তার কাছে একটা দারুণ অভিজ্ঞতা।
তিনি যখন মঞ্চে উঠছিলেন, ততক্ষণে পরের ধাপের জন্য ১৮ জন চূড়ান্ত হয়ে গেছে। কিন্তু তিনি তাতে দমে যান নি। তিনি তার সেরাটা দিয়েছেন। গান শুনে বিচারক শান্তনু মৈত্র তার জন্য চেয়ার ছেড়ে দিয়েছিলেন।
নোবেল জানান, অনুষ্ঠানের উপস্থাপক যিশু সেনগুপ্ত বাংলাদেশের রক গানগুলো খুব পছন্দ করেন। এ কারণে আমার পরিবেশনা তার খুব ভালো লেগেছে।
দ্বৈত গান গাওয়ার সুযোগ পেলে সবার আগে মেহরীন, তারপর চিরকুটের সুমির সঙ্গে তিনি গাইবেন। আর জেমসের সঙ্গে দেখা হলে পায়ে হাত দিয়ে সালাম করে দোয়া চাইবেন বলে জানান তিনি।
কান্না ভেজা চোখে বোনের কাছে ক্ষমা চাইলেন আলিয়া
দাঁত হলুদ হওয়ার কারণে বিব্রত হতে হয় আমাদের অনেককেই। সমাজে মেলামেশার সময়ে অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায় দাঁতের এই হলদেটে দাগ। নানা কারণে দাঁতে এই হলুদ দাগ দেখা দিতে পারে।
দাঁতের অযত্ন, তামাক সেবন, নিয়মিত ওষুধ সেবন, পান মশলা কিংবা মদ্যপানের কারণে চলে যেতে পারে দাঁতের স্বাভাবিক শুভ্রতা। যাঁরা দাঁত হলুদ হয়ে যাওয়ার সমস্যায় ভুগছেন তারা নানা উপায়ে দাঁতের স্বাভাবিক শুভ্রতা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেন। নানা ধরনের টুথপেস্ট, পাউডার,
কবিরাজ: তপন দেব । নারী-পুরুষের সকল জটিল ও গোপন রোগের চিকিৎসা করা হয়। দেশে ও বিদেশে ওষুধ পাঠানো হয়। আপনার চিকিৎসার জন্য আজই যোগাযোগ করুন – ০১৮২১৮৭০১৭০ (সময় সকাল ৯ – রাত ১১ )
ফ্লস— অনেক রকমের কৌশল তাঁরা এজন্য প্রয়োগ করে থাকেন। কিন্তু কোনোটাতেই খুব সুফল মেলে না। সেক্ষেত্রে তাঁরা খোঁজেন এমন কোনও উপায় যা নিশ্চিতভাবে এবং দ্রুত হলুদ দাঁতকে সাদা করে তুলতে পারে। সত্যি কি সেরকম কোনও উপায় রয়েছে? আশার কথা, রয়েছে তেমন উপায়। এবং এই উপায়ে মাত্র ৩ মিনিটে হলুদ দাঁত হয়ে উঠবে ঝকঝকে সাদা।
এই কৌশলকে কার্যকর করতে গেলে লাগবে মাত্র দু’টি সাধারণ ঘরোয়া জিনিস। প্রথমটি বেকিং সোডা, এবং দ্বিতীয়টি পাতি লেবুর রস। এবার জেনে নিন কী করতে হবে। একটি পাত্রে এক চা চামচ বেকিং সোডা নিন।
এবার তাতে মিশিয়ে দিন অর্ধেক করে কাটা একটি পাতি লেবুর রস। এবার চামচে করে মিশিয়ে নিন দু’টি উপাদান। দেখবেন, মিশ্রণটি প্রাথমিকভাবে ফেনা ফেনা আকার ধারণ করছে। কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই দেখবেন মিশ্রণটির আকার হয়েছে একটি ঘন তরলের মতো।
এবার এই তরল আঙুলে করে তুলে দাঁতের উপরে লাগিয়ে দিন। মনে রাখবেন, দাঁত মাজার মতো করে দাঁতে মিশ্রণটি ঘষার প্রয়োজন নেই কোনো। মিশ্রণটি শুধু লাগিয়ে রাখুন দাঁতের উপরে। তিন মিনিট পরে কুলকুচি করে মুখ ধুয়ে ফেলুন। এবার তাকান আয়নার দিকে। দেখবেন, আপনার হলুদ দাঁত সাদা হয়ে গেছে।
দাঁত সাদা করার এটি একটি পরীক্ষিত ঘরোয়া টোটকা। দাঁতের বা মুখের কোনো ক্ষতি হওয়ার কোনো আশঙ্কা এতে নেই। আর এই কৌশলের কার্যকারিতা কতখানি, তা নিজেই যাচাই করে একবার দেখে নিন না

স্যার আপনার স্ত্রী ও ছেলেকে গুলি করেছি!
খুনের পর খুনি নিজেই ফোন করে জানালেন নিজের কৃতকর্মের কথা। শনিবার (১৩ অক্টোবর) ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের গুরুগ্রাম শহরে দুজনকে গুলিবিদ্ধ করে বিষয়টি অতিরিক্ত দায়রা জজ কৃষ্ণকান্ত শর্মাকে জানিয়েছেন তারই দেহরক্ষী মহীপাল সিংহ। তিনি ফোনে বলেন, ‘আপনার স্ত্রী-ছেলেকে গুলি করেছি স্যার’। এর পরেই ফোনটা কেটে দেন তিনি।
এ বিষয়ে পুলিশ জানিয়েছে, বিচারকের স্ত্রী-ছেলেকে গুলি করার পর মা এবং আরও পরিচিত কয়েক জনকে ফোন করে বিষয়টি জানান মহীপাল। সন্ধ্যায় তাঁকে গুরুগ্রাম-ফরিদাবাদ রোড থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
প্রাথমিকভাবে পুলিশের ধারণা, মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন মহীপাল। কেন গুলি করলেন তা জানার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। হরিয়ানার মহেন্দ্রগড়ের বাসিন্দা মহীপালের বাড়িতে মা, স্ত্রী ও দুই সন্তান আছে। তাঁর স্ত্রী শিক্ষিকা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, মহীপাল তাঁর সার্ভিস রিভলভার থেকে প্রথমে বিচারকের স্ত্রীর বুকে গুলি করেন, তার পর ছেলের মাথা লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন। ধ্রুবের মাথায়, কান ও ঘাড়ে গুলি লাগে।
রাস্তায় লুটিয়ে পড়ে সে। এর পরই ধ্রুবকে টেনে গাড়ির ভিতর ঢোকানোর চেষ্টা করেন মহীপাল। কিন্তু না পেরে তাঁদের দু’জনকে রাস্তায় ফেলে রেখেই গাড়ি নিয়ে চম্পট দেন।
পরে রিতু ও ধ্রুবকে স্থানীয়রা হাসপাতালে নিয়ে যায়। তারা বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তারা আশঙ্কামুক্ত।
গ্রামবাসীরা জানান, মামাবাড়িতেই মানুষ হয়েছেন মহীপাল। বাবা মদ্যপ হওয়ার কারণে তাঁর জন্মের আগেই মা বাপের বাড়িতে চলে আসেন। সেখানেই জন্ম হয় মহীপালের। ছোটবেলা থেকেই খুব রাগী স্বভাবের তিনি। ২০০৭-এ হরিয়ানা পুলিশে যোগ দেন মহীপাল। কিন্তু গ্রামের ছেলে যে এমন কাণ্ড ঘটিয়ে বসেছে সেটা যেন বিশ্বাসই করতে পারছেন না গ্রামবাসীরা।
গত দু’বছর ধরে বিচারকের ব্যক্তিগত দেহরক্ষী হিসাবে কাজ করছেন মহীপাল। শনিবার বিকেলে শপিং করতে যাবেন বলে ছেলেকে নিয়ে গাড়িতে করে বেরিয়ে ছিলেন বিচারকের স্ত্রী রীতু।
সঙ্গে মহীপালও ছিলেন। গুরুগ্রামের সেক্টর ৪৯-এর সামনে বাজারে গাড়ি থেকে নামার পরই বিচারকের স্ত্রী রীতু ও ছেলে ধ্রুবকে লক্ষ্য করে গুলি চালান মহীপাল।

(Visited 432 times, 2 visits today)

Related Post

You may also like...