সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে এসে আউট হয়ে গেলেন দু’দুজন ব্যাটসম্যান। লিটন কুমার দাসেরটা না হয় কিছুটা মেনে নেয়া গেলো, কিন্তু ইমরুলেরটা! ৯০-এর ঘরে চলে আসার পর আউট হয়ে যাওয়াটা খুবই হতাশার। ইমরুল কায়েস সেই হতাশাটাই জন্ম দিয়ে ফিরে গেলেন। আউট হয়ে গেলেন ৯০ রানে। টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরিটা আর পাওয়া হলো না তার। লিটন ফিরেছিলেন ৮৩ রান করে।
লিটন দাসের সঙ্গে ১৪৮ রানের অনবদ্য এক জুটি গড়েছিলেন ইমরুল। ৮৩ রান করে লিটন দাস আউট হয়ে গেলে ফজলে রাব্বির সঙ্গে জুটি বাধেন ইমরুল। কিন্তু এই জুটি টিকলো না ৪ রানও। রাব্বি আউট হয়ে যান কোনো রান না করেই। এরপর মুশফিকুর রহীমকে নিয়ে জুটি বাধেন ইমরুল। ৫৯ রানের জুটি গড়ার পর আবারও সিকান্দার রাজার আঘাত।
এবার সিকান্দার রাজার বলে লফটেড ড্রাইভ করতে চেয়েছিলেন ইমরুল। কিন্তু তার বল আর বাউন্ডারি লাইন খুঁজে পেলো না। তার আগেই জমা পড়লো চিগুম্বুরার হাতে। ১১১ বলে ৭টি বাউন্ডারিতে সাজানো ৯০ রানের ইনিংসটির পরিসমাপ্তি ঘটে গেলো খুব সহজেই।
২৪৭ রানের লক্ষ্য। খুব বেশি বড় নয়। দুই ওপেনার যদি ফর্মে থাকেন, তাহলে এই লক্ষ্য পাড়ি দেয়াও খুব বেশি কঠিন কিছু হওয়ার কথা নয়। আপাতত সেটাই প্রমাণ করে চলেছেন দুই ওপেনার লিটন কুমার দাস এবং ইমরুল কায়েস। দু’জনের উদ্বোধনী জুটিতে ১৫.৪ ওভারেই (৯৪ বল) ১০০ রান তুলে ফেলে বাংলাদেশ।
শেষ পর্যন্ত মিঠুনের ২৪ ও মুশফিকের অপরাজিত ৪০ রানে ভর করে ৪৪তম ওভারে ৭ উইকেট হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌছে যায় বাংলাদেশ। এরই সাথে ২-০ ব্যবধানে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জিতে নিল টাইগাররা।

Related Post