টস হেরে ব্যাট করতে নামা জিম্বাবুয়ে শুরুতেই পড়ে দুই পেসার সাইফউদ্দিন আর আবু হায়দার রনির তোপের মুখে। নিজের করা দ্বিতীয় ওভারেই ঝড় তুলে দিলেন রনি। দুজন মিলেন ফিরিয়ে দেন জিম্বাবুয়ের দুই ওপেনার হ্যামিল্টন মাসাকাদজা ও সেফাস ঝুয়াওকে। রনি নিজের দ্বিতীয় ওভারে আঘাত হানার আগেই ঝড় তুলেছিলেন আগের ম্যাচের সেরা মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। ইনিংসের প্রথম ওভার করেন আবু হায়দার রনি। অন্যপ্রান্ত থেকে পরের ওভার করেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। নিজের প্রথম ওভারের তৃতীয় বলেই ঝুয়াওকে সরাসরি বোল্ড করেন সাইফ, কোনো রান না করেই ফিরে যান জুওয়াও। নিজের দ্বিতীয় এবং ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই ঝড়ের ধারাবাহিকতা বজায় রাখেন আবু হায়দার রনি। তিনি বোল্ড করে দেন হ্যামিল্টন মাসাকাদজাকে। ১০ বলে খেলে ২ রান করেই সাজঘরে ফিরে যান জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক। তিন ওভারের মধ্যে দুই ওপেনারকে হারিয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিল জিম্বাবুয়ে। টানা ২৩ বলে নিতে পারেনি কোনো রান। ম্যাচের সময় গড়াতেই সে চাপ কাটিয়ে উঠিয়েছে সফরকারীরা। ব্রেন্ডন টেলর ও শন উইলিয়ামসের অবিচ্ছিন্ন শতরানের জুটিতে ম্যাচে ফিরে জিম্বাবুয়ে। আগের ম্যাচে দলকে একাই টেনেছিলেন টেলর, এ ম্যাচেও শক্ত ব্যাটে প্রতিহত করেছেন টাইগার পেসারদের আক্রমণ। শুরুতে রয়ে সয়ে খেললেও ধীরে ধীরে খোলস থেকে বেরিয়ে আসেন টেলর। তুলে নেন টানা দ্বিতীয় ফিফটি। অপর প্রান্তে ফিফটি তুলে নিয়েছেন উইলিয়ামসও। আগের দুই ম্যাচেও ভালো ব্যাটিং করেছেন উইলিয়ামস। প্রথম ম্যাচে ৫০ রান করার পরে দ্বিতীয় ম্যাচেও খেললেন শত রানের এক দূর্দান্ত ইনিংস। ব্যাট হাতে উজ্জল ছিলেন সিকান্দার রাজাও। ৪৫ রান করে আউট হয়েছেন তিনি। সেঞ্চুরির পর ভয়ংকর হয়ে উঠেন উইলিয়ামস। তার ১২৯ রানের ইনিংসে ভর করে ৫০ ওভার শেষে স্কোরবোর্ডে ২৮৬ রান দাড় করায় জিম্বাবুয়ে। জয়ের জন্য বাংলাদেশের টার্গেট ২৮৭ রান।

Related Post