পাঁচ বছরের নিষেধাজ্ঞা শেষে বিপিএলে দল পেয়েছেন বাংলাদেশ দলের সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুল। রবিবার (২৮ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ বিপিএলের প্লেয়ার্স ড্রাফটে আশরাফুলকে কিনে নেয় চিটাগাং ভাইকিংস। ড্রাফটের তৃতীয় রাউন্ডে ক্যাটাগরি ‘এ’ থেকে ১৮ লক্ষ টাকা ভিত্তিমূল্যে আশরাফুলকে কিনে নেয় চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রতিনিধিত্বকারী দলটি।
বিপিএলে ফেরা প্রসঙ্গে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে আশরাফুল জানিয়েছেন, চিটাগাং ভাইকিংসের মত কোনো দলই চেয়েছিলেন তিনি। আর এর কারণ, এই দলে তারকা ক্রিকেটার কম। বিপিএলে দল পাওয়ার দিনটির অপেক্ষায় ছিলেন- এমনটি উল্লেখ করে আশরাফুল বলেন, ‘এই দিনটার অপেক্ষাতেই ছিলাম। খুব খুশি আমি। আমি অপেক্ষায় ছিলাম কখন খবর আসে, আমাকে কোনো দলে নেয়।’

চিটাগাং ভাইকিংসে দলভুক্ত হলেও আশরাফুলকে দলে নেওয়ার ব্যাপারে কথা হচ্ছিল সিলেট সিক্সার্সেরও। আশরাফুল বলেন, ‘যেহেতু প্লেয়ার ড্রাফটে ইচ্ছে করলেই কাউকে নেয়া যায় না, লটারিতে কার সিরিয়াল বা কার কল করার সুযোগ আগে আসে তার ওপর নির্ভর করে অনেক কিছু। তারপরও সিলেটের সঙ্গে কথা হচ্ছিল। তারা আমার ব্যাপারে উৎসাহ দেখিয়েছিল।’

এবার আশরাফুল জানালেন চিটাগাং ভাইকিংসে সুযোগ পেয়ে তার উচ্ছ্বসিত হওয়ার কারণ। তার ভাষ্য, ‘আমি খুব খুশি একটা বিশেষ কারণে। এমন দলে খেলতে চেয়েছি, যে দলে বিদেশি ও স্থানীয় তারকা তুলনামূলক কম। রংপুর ঢাকা কুমিল্লা ও খুলনার চেয়ে চট্টগ্রামে নামি তারকার সংখ্যা কম। কাজেই আমার বিশ্বাস, আমি খেলার সুযোগ পাবো এবং নিজেকে মেলে ধরার জায়গাও বেশি থাকবে।’

তারকা ক্রিকেটার কম হলেও চিটাগাংয়ে আছেন জাতীয় দলের উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহিম, যার কারণে ভরসা পাচ্ছেন আশরাফুল। ভরসা পাচ্ছেন দলের সাথে সংশ্লিষ্ট অন্যদের কারণেও। আশরাফুল বলেন, ‘ওখানে মুশফিক আছে। সে খুব আন্তরিক। এর বাইরে নান্নু ভাই আছেন। তিনি প্রধান টেকনিক্যাল ডিরেক্টর। তিনি আমার সাবেক কোচও। এছাড়া নোবেল ভাই (নুরুল আবেদিন) আছেন। তিনি খুব প্রাণখোলা মানুষ এবং আমার অনেক দিনের চেনা।

Related Post