যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী অভিনেত্রী শ্রাবন্তী তার স্বামী অধ্যাপক খোরশেদ আলমের সঙ্গে দাম্পত্য জীবনের জটিলতার নিরসনের জন্য ২৫ জুন দেশে ফিরেন। এরপর সমাধানের বহু চেষ্টাও করেন। কিন্তু তা আর হয়নি। তারপর অনেকটা হতাশা নিয়েই ২৬ অক্টোবর এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি উড়োজাহাজে নিউ ইয়র্কে ফিরে যান শ্রাবন্তী। পৌঁছে ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন তিনি। ২৮ অক্টোবর সকালে (যুক্তরাষ্ট্র সময়) দেওয়া ওই স্ট্যাটাসে শ্রাবন্তী তার পারিবারিক জীবনের বর্তমান বাস্তবতা তুলে ধরেছেন।শ্রাবন্তী লিখেন,‘সুন্দরভাবে পৌঁছালাম, এখানেই ভালোই ঠান্ডা। আমার দুই মেয়ে মহাখুশি। ওদের স্কুল শুরু হবে, স্কুলে যাবে। নতুন জীবন, নতুন দুনিয়া। দোয়া করবেন, আমার দুই মেয়ের আর আমার জন্য। আর কোনো ঝড় যেন আমাদের তিনজনকে ভেঙে মুচড়ে দিতে না পারে।’ ‘মা হিসেবে মাথা নষ্ট করে দুটি বাচ্চার লাইফ শেষ করে দিতে পারি না’ মন্তব্য করে শ্রাবন্তী লিখেন, ‘বয়স তো কম হলো না। ওরা ওদের বাবাকে কাছে পেতে, অনেক কষ্টও করেছে। কিন্তু ওরা নিজেরাই এখন ক্লান্ত। এতো ছোট ছোট দুটি বাচ্চার বিবেক-বুদ্ধির কাছে হেরে গেছি।’

‘ওদের মন খারাপ হয়, কিন্তু বুঝতে দেয় না। উল্টো আমাকে বলছে স্ট্রং হতে। ‘‘এমন বাবার জন্য আমরাও কাঁদব না, তুমিও কাঁদবে না মা’’-এটা আমার রাবিয়া (বড় মেয়ে) আমাকে বলে। আর কিছু বলার আছে? আমার মা অসুস্থ। আল্লাহ আমার মাকে ভালো রাখুক, এই দোয়া করি।’ ‘আমি অনেকের কাছে কৃতজ্ঞ, বলে শেষ করতে পারব না। এই মানুষগুলো আমাকে এতো ভালোবাসেন, তাদের সুস্থতা কামনা করি। ভালো থাকবেন। দেখা হবে, আবার দেশের মাটিতে।’ খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শ্রাবন্তীর স্বামী মোহাম্মদ খোরশেদ আলম যে তালাকের নোটিশ শ্রাবন্তীকে পাঠিয়েছিলেন, ঢাকার পারিবারিক আদালতের বিচারক দ্বিতীয় অতিরিক্ত সহকারী জজ ইশরাত জাহান তার স্থগিতাদেশ দিয়েছেন। আর গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর থেকে জানা গেছে, নিউ ইয়র্কে ফিরে যাওয়ার আগে মোহাম্মদ খোরশেদ আলম তার স্ত্রী কিংবা দুই মেয়ের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করেননি।

Related Post