আজও বেঁচে আছে- বিজ্ঞানী স্যার আইজ্যাক নিউটন। গ্রহ-নক্ষত্রের টানের মূল কারণ খুঁজে পেয়ে আবিষ্কার করেছিলেন মাধ্যাকর্ষণের সূত্র। কিন্তু এর নেপথ্যে ছিল একটি আপেল গাছ!প্রায় সাড়ে ৩০০ বছর আগের কথা। একটি আপেল গাছের নিচে বসেছিলেন এই বিজ্ঞানী। তখন হঠাৎ একটি আপেল পড়ে তার মাথায়। চোখ খুলে যায় নিউটনের! মনের মধ্যে ঝলক দিয়ে ওঠে মাধ্যাকর্ষণের সারকথা।অবশ্য এই বিষয়টি নিয়ে বিতর্কও আছে বিজ্ঞানী মহলে। তাদের দাবি, ওই এক মুহূর্তেই সূত্রটি নিউটন আবিষ্কার করেননি। এই ঘটনা নেহাতই জনশ্রুতি। কিন্তু উলটো দিকে একাধিক প্রমাণও রয়েছে এই গাছ থেকে আপেল পড়ার ঘটনার সপক্ষে।সবচেয়ে বড় প্রমাণ গাছটি নিজেই! ১৬৬৬ সালের ঐতিহাসিক ঘটনার সাক্ষী হয়ে সে বেঁচে রয়েছে আজও। ইংল্যান্ডের লিঙ্কনশায়রের উলসথর্প মানর গ্রামে ছিল স্যার আইজ্যাক নিউটনের বাড়ি। সেই বাড়ির সামনেই এখনও রয়েছে আপেল গাছটি।


গাছটির আপেলও গুণগতমানে অতি উৎকৃষ্ট। বিরল এই প্রজাতির নাম ‘ফ্লাওয়ার অব কেন্ট’। এই গাছ থেকেই ইংল্যান্ডের অন্যত্র নানা সময়ে চারা রোপণ করা হয়েছে নিউটনের স্মৃতিতে।ভারতের পুনের ইন্টার-ইউনিভার্সিটি সেন্টার ফর অ্যাস্ট্রোনমি অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোফিজিক্সে আনা হয়েছিল এই গাছের চারা।গাড়ির ওপর লরি উঠে নিহত ১৫ চীনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় গানসু প্রদেশে একটি টোল স্টেশনে গাড়ি দুর্ঘটনায় কমপক্ষে ১৫ জন নিহত হয়েছেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার গানসু প্রদেশের রাজধানী লাঝৌতে একটি টোল স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা অপেক্ষমান গাড়ি বহরের ওপর লরিটি উঠে গেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই ১৫ জনের মৃত্যু হয়। এছাড়া এ ঘটনায় আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৪৪ জন। চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিনহুয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, চালক জানিয়েছেন পাহাড় থেকে নেমে টোল স্টেশনের পথে আসার সময় ব্রেক ফেল হলে তিনি লরির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। এতে ৩১টি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ঘটনার তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।সম্প্রতি দেশটির দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় চংকিংয়ে চলন্ত বাসে চালক-যাত্রীর মারামারিতে ১৫ জন প্রাণ হারিয়েছেন। বাসটি সেতুর ওপর থাকার সময় চালকের সঙ্গে এক নারীর বাক-বিতন্ডা ও মারামারির জেরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বিনিয়োগকারীদের ২৪ ঘণ্টায় ভিসা দেবে সৌদি আরববিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য ভিসা দেওয়ার এক নতুন প্রক্রিয়া হাতে নিয়েছে সৌদি আরব সরকার। নতুন নিয়ম অনুযায়ী আবেদন করার মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ভিসা পাবেন বিনিয়োগকারীরা। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা উসামা নুগাইলের বরাত দিয়ে গত রোববার আরব নিউজ এই তথ্য জানিয়েছে।  নতুন এই পদ্ধতিতে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের একদিনের মধ্যে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে ভিসা দেওয়া হবে। গত ১ জানুয়ারি থেকে এই পদ্ধতি কার্যকর হয়েছে।

সৌদি আরবের কাউন্সিল অব ইকোনোমিক অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অ্যাফেয়ার্সের নির্দেশনায় এই পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি বলছে, বিনিয়োগের পরিবেশ একটি দেশের বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ করতে অন্যদের আকৃষ্ট করে। তাই বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী ২০ বছরে খ্রিস্টানদের ছাড়িয়ে শীর্ষে যাবে মুসলমানরা!বর্তমানে সারা বিশ্বে যেকোনও সম্প্রদায়ের থেকে খ্রিস্টান শিশুর জন্মই বেশি দেন মায়েরা। তবে আগামী ২০ বছরে চিত্রটা পাল্টাতে চলেছে। মুসলিম মায়েদের প্রসব করা সন্তানের সংখ্যা বেশ খানিকটা বাড়তে চলেছে। মার্কিন গবেষণা সংস্থা পিউ রিসার্চ সেন্টার প্রকাশিত সাম্প্রতিক এক রিপোর্টে এই তথ্য সামনে এসেছে। খবর ইন্ডিয়া টাইমসের। এই সংস্থার গণনা বলছে, ‘এখন থেকে ২০ বছরেরও কম সময়ের মধ্যে খ্রিস্টানদের থেকে মুসলিম শিশু জন্মের সংখ্যা বাড়তে চলেছে।’ এর কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, গত কয়েক বছরে ও আগামী কয়েক বছরে বিশ্বের মোট মৃত্যুর মধ্যে বেশিরভাগই হয়েছে বা হতে চলেছে খ্রিস্টানদের। কারণ তাদের জনসংখ্যায় তুলনামূলকভাবে বার্ধক্যের পরিমাণই বেশি। উল্টোদিকে, মুসলিম জনসংখ্যা সেই তুলনায় অনেক বেশি নবীন এবং তুলনামূলকভাবে তাদের ফার্টিলিটি রেটও বেশি।

বুধবার পিউ রিসার্চ সেন্টারের রিপোর্টে বলা হয়েছে, ‘২০৩০-৩৫ সালের মধ্যে খ্রিস্টান শিশুর(২২৪ মিলিয়ন) থেকে মুসলিম শিশু(২২৫ মিলিয়ন) বেশি জন্মাবে বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও মোট খ্রিস্টান জনসংখ্যা সর্বাধিকই থাকবে।’ ২০১৫ সালে এই মার্কিন সংস্থার প্রোজেকশন ছিল, আগামী এক দশকের মধ্যে বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত গতিতে বেড়ে চলা ধর্মীয় দল হবে মুসলিমরা। বুধবার পিউ-এর তরফে বলা হয়, এই দাবি যে সঠিক হতে চলেছে তার ইঙ্গিত ইতোমধ্যেই মিলেছে। বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি মুসলিম জনসংখ্যা ইন্দোনেশিয়ায়। সমান হচ্ছে রুপি-টাকার মান ভারতীয় রুপির বিপরীতে ডলারের পাশাপাশি শক্তিশালী হয়ে উঠেছে বাংলাদেশি টাকা। গেল সপ্তাহে নিম্নমুখী ধারায় রুপির রেকর্ড মূল্যপতন হয়েছে। বৃহস্পতিবার একটা পর্যায়ে ১০০ রুপির দাম নেমে দাঁড়িয়েছিল ১১৩ টাকা। অতীতে কোনো সময় এতো কম দামে রুপি পাওয়া যায়নি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টাকা শক্তিশালী হলে পণ্য আমদানি-রফতানিতে তেমন বড় প্রভাব পড়বে না। তবে ভ্রমণ কিংবা চিকিৎসার জন্য বাংলাদেশ থেকে যারা ভারতে যাবেন তারা লাভবান হবেন। কারণ রুপি কিনতে এখন আগের চেয়ে টাকা কম লাগবে। রুপির এ মান ধারাবাহিক কমতে থাকলে এক সময় টাকা আর রুপি সমান হয়ে যাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ইন্টারনেট মানি এক্সচেঞ্জ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (৪ অক্টোবর) এক মার্কিন ডলারে বিনিময়ে ভারতীয় মুদ্রার মূল্য দাঁড়ায় ৭৩ দশমিক ৬৬ রুপি। চলতি বছরের শুরুতে (১ জানুয়ারি) যা ছিল ৬৩ দশমিক ৮৮ রুপি। এ হিসেবে ১০ মাসের ব্যবধানে রুপির মান কমেছে প্রায় ১৫ শতাংশ। এখন এক ডলারে পাওয়া যাবে ৭৩ দশমিক ৬৬ রুপি। যা রুপির ইতিহাসে সর্বনিম্ন দর। ডলারের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রুপির বিপরীতে বাংলাদেশি মুদ্রাও শক্তিশালী হচ্ছে। ৪ অক্টোবরের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি রুপিতে মান দাঁড়ায় এক টাকা ১৩ পয়সা। অর্থাৎ বৃহস্পতিবার ১১৩ টাকায় ১০০ রুপি পাওয়া গেছে। অন্যদিকে ১০০ রুপিতে মিলেছে ৮৯ টাকা। টাকার বিপরীতে রুপির এ দর এযাবৎকালের সর্বনিম্ন। এ প্রসঙ্গে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, রুপির অবমূল্যায়ন হয়েছে। ফলে ডলাদের বিপরীতে রুপির মান কমেছে। তবে রুপির যে হারে অবমূল্যায়ন হয়েছে সেই হারে টাকার অবমূল্যায়ন হয়নি।যার কারণে রুপির মান টাকা কাছাকাছি চলে এসেছে। ফলে ভারত থেকে পণ্য আমদানিতে কিছুটা সুবিধা হলেও নেতিবাচক প্রভাব পড়বে রফতানিতে। অর্থাৎ দেশ থেকে যারা ভারতে পণ্য রফতানি করে তারা কিছুটা প্রতিযোগিতায় পড়বে। কারণ রফতানি পণ্যের দাম বেড়ে যাবে, ফলে চাহিদা কমবে।

তিনি বলেন, রুপির দরপতনের কারণে সবচেয়ে লাভবান হবেন ভ্রমণকারীরা। তারা এক ডলারে আগের তুলনায় বেশি রুপি পাবেন। এতে পণ্য কেনাকাটায় খরচ কম লাগবে। আমদানি-রফতানিকারকদের সঙ্গে জড়িত ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভারতে পণ্য বেশিরভাগ কেনাবেচা হয় ডলারে। ফলে টাকা শক্তিশালী হলে বা রুপির মান কমলে ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে খুব একটা প্রভাব পড়ে না। তবে যারা ভারত ভ্রমণ করবেন কিংবা কাঁচা টাকা ভাঙান তারা লাভবান হবেন। অ্যাসোসিয়েশন অব মিউচুয়াল ফান্ডস ইন ইন্ডিয়ার প্রধান নির্বাহী এনএস ভেঙ্কটেশ বলেন, তেলের উচ্চমূল্যের কারণে ভারতীয় মুদ্রা সংকুচিত হয়ে পড়ছে। এতে ব্যবসায়ীদের কাছে আকর্ষণ হারাচ্ছে মুদ্রাটি। তবে ভারতীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী উল্লেখ করে তিনি রুপির মান ৬৯-এর কাছাকাছি স্থিতিশীল হবে বলে আশা প্রকাশ করেন। ভেঙ্কটেশ বলেন, রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়া (আরবিআই) রুপির উত্থান-পতনের বিষয়টি দেখছে। ফলে মুদ্রা বিনিময় বাজারের প্রতিক্রিয়া নিয়ে বিনিয়োগকারীদের উদ্বিগ্ন হওয়ার প্রয়োজন নেই।
এদিকে রুপির এ দরপতন ঠেকাতে ইতিমধ্যে বেশকিছু উদ্যোগ নিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক-আরবিআই। বিশ্ব বাজারে তেলের দাম ধারাবাহিক বৃদ্ধি ও মার্কিন ডলারের বাড়তি চাহিদার কারণে রুপির এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বলে এনডিটিভি জানিয়েছে। তাদের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরিস্থিতি সামাল দিতে তেল সংস্থাগুলোকে বাজার থেকে দশ বিলয়ন মার্কিন ডলার তোলার অনুমতি দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। একই সঙ্গে বিদেশ থেকে মুদ্রা আহরণকারী সংস্থাগুলোকেও বিশেষ ছাড় দিয়েছে। শিগগিরই ঋণ নীতিতেও পরিবর্তন আনছে আরবিআই। গত চার বছরের মধ্যে বর্তমানে তেলের দাম সবচেয়ে বেশি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এদিকে রুপির মান কমায় বিদেশ ভ্রমণকারীদের জন্য সুখবর বলছেন দেশের পর্যটন খাত সংশ্লিষ্টরা। তারা জানায়, ডলারের বিপরীতে রুপির মান কমায় এখন ওই দেশে ভ্রমণের খরচ কমেছে। প্রতিবছরই রেকর্ড পরিমাণ পর্যটক বাংলাদেশ থেকে ভারত ঘুরতে যায়। এখন চলছে ভারত ভ্রমণের সুবর্ণ সময়। এ সুযোগ অনেকে গ্রহণ করছেন। এখন ভারত সরকার বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করেছে। ডালের মানও রুপির তুলনায় বেড়েছে। সব মিলিয়ে ভারতে ভ্রমণ আরও বাড়বে। ভ্রমণপিপাসু রফিকুর রহমান বলেন, আগে ভারতে ১০০ ডলারের বিপরীতে ছয় হাজার ৫০০ রুপি পাওয়া যেত। বর্তমানে ১০০ ডলারে ৭৪০০ রুপি পাওয়া যাচ্ছে। এটি আমাদের মত ভ্রমণপিপাসুদের জন্য অত্যন্ত খুশির সংবাদ। ভৌগোলিকভাবে বিশ্বের সপ্তম বৃহৎ বৈচিত্র্যময় দেশ ভারত। যার আয়তন প্রায় ৩৩ লাখ বর্গ কিলোমিটার, যেখানে বসবাস করেন ১৩২ কোটিরও বেশি মানুষ। মরুভূমি থেকে বরফ সবই আছে ভারতে। আয়তন ও বৈচিত্র্যের কারণে নিয়মিত প্রচুর পর্যটক যায় ভারতে। প্রতি বছরই এ সংখ্যা বাড়ছে। ভারতের পর্যটন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালে মোট ২০ লাখ বাংলাদেশি ভারত সফর করেছে। তার মানে দেশটির বিদেশি পর্যটকদের এক-পঞ্চমাংশ বাংলাদেশি। ২০১৩ সালে যেখানে সোয়া পাঁচ লাখ বাংলাদেশি ভারত সফর করেছিল, সেখানে ২০১৭ সালে তা দাাঁড়ায় ২০ লাখে।

Related Post

Spread the love
  • 295
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    295
    Shares