স্টকব্রিজের অ্যালেক্স এরকম স্বপ্নেও ভাবেনি। যেটা সে সামান্য ঠাণ্ডা লাগা ভেবেছিল, সেটা ছিল আসলে মাংস খেঁকো পোঁকা, যেটা তার মুখের কিছুটা অংশ এবং হাত পায়ের কিছুটা অংশ খেয়ে নিয়েছিল। সে প্রাণে বেঁচে গেলেও এবার তার লড়াই ছিল নিজের ছোট ছেলের সাথে সময় কাটানো, তাকে বাড়তে দেখা। # তাকে অনেকগুলি মুখে অস্ত্রপ্রচার করতে হয়।

কোমা থেকে সেড়ে ওঠার পরে অ্যালেক্সকে বেশ কয়েকটি অস্ত্রপ্রচার করাতে হয় মুখে। মুখের তলার দিকের অংশটি পোঁকায় সম্পূর্ণ নষ্ঠ করে দিয়েছিল। সুস্থ হয়ে ওঠার আগে তার মুখটি বীভৎস আকার ধারণ করেছিল। ## তার বেঁচে থাকার সম্ভাবনা খুবই কম ছিল। #ডাক্তার বলেছিল অ্যালেক্সের বেঁচে থাকার মাত্র তিন শতাংশ সম্ভাবনা আছে, কিন্তু সে সমস্ত প্রতিকূলতাকে হারিয়ে বেঁচে ফিরেছে। তবে শুধুমাত্র বেঁচে ফিরেছে বললে পুরো গল্পটা বলা হয় না। তাকে যে মানসিক লড়াই করতে হয়েছে তা ভাবা যায় না।###আসল লড়াই তার মুখের নয়।# সাধারণ মানুষে তাকে দেখে ভাবত প্রতিবন্ধি। বেঁচে থাকাটাই হয়ত তার কাছে সব থেকে কঠিন পরীক্ষা। তিনি বলেন “লোকে শুধু দেখত আমি আমার শরীরের বেশ কিছুটা অংশ হারিয়েছি, কিন্তু আমার ব্যক্তিগত পারিবারিক জীবনে তার কি প্রভাব পড়েছিল সে সম্পর্কে তাদের কোন ধারণাই ছিল না”। তার ছেলের তাকে দেখে প্রতিক্রিয়াটা আরও কষ্টকর ছিল!: অ্যালেক্সের কাছে তার মারণ ব্যাধির থেকেও কষ্টকর ছিল তার ৩ বছরের ছেলের তাকে দেখে ভয়ে চেঁচিয়ে ওঠার ঘটনা।: একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ হিসেবে তার ছেলের সাথে একটা সুন্দর সম্পর্ককে খুব মিস করে।: অ্যালেক্সের কাছে সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল ছোট স্যাম এর সাথে একটা স্বাভাবিক সম্পর্ক তৈরি করা। “আমি স্যাম এর সাথে কাটানো পুরানো সময়গুলিকে খুব মিস করি, বিশেষ করে তার ছোট হাতের ছোঁয়া”।

তার নিজেকে একা ভাবার প্রয়োজন নেই।: এই কঠিন সময়ে সবসময়ের জন্য তার সঙ্গী লুসি টাউনসেন্ড তার সাথে থেকেছে। লুসি অ্যালেক্স সম্পর্কে বলেছে, “আমি ওকে খুব ভালবাসি, এই প্রথম আমি কাউকে এতটা ভালবেসেছি”।# দ্বিতীয় সুযোগ!: যেখানে অ্যালেক্সের খুব তাড়াতাড়ি নিরাশ হয়ে পড়ার সম্ভাবনা ছিল, সেখানে এই দ্বিতীয় সুযোগ পেয়ে জীবনের কাছে খুবই কৃতজ্ঞ।

Related Post