নিজের কবর নিজেই খুঁড়লেন- ৭০ বছর বয়সী বৃদ্ধ। বয়সের ভারে নুইয়ে পড়ার মতো অবস্থা তার। এ কারণে তিনি আগে থেকেই নিজের মৃত্যুর প্রস্তুতি নিয়ে রাখলেন। বলছি, ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের বাসিন্দা লাচ্চি রেড্ডির কথা। সম্প্রতি লাচ্চি রেড্ডি নিজের বাড়ির পাশে মাঠের এক কর্ণারে মাটি খুঁড়তে থাকে। প্রথম দিকে কোনো কিছু অনুমান করা না গেলেও পরে দেখা যায়, তিনি একটি কবর খনন করেছেন। কবরে নেমে মাপ-জোপ ঠিক আছে কি না, তাও খতিয়ে দেখে নেন এই ৭০ বছরের বৃদ্ধ।

পরে অবশ্য ওই ব্যক্তি নিজেই জানিয়েছেন, তিনি একটি বিশেষ কারণেই স্বেচ্ছায় নিজের কবর খুঁড়েছেন। ঠিক কি কারণে নিজেই নিজের কবর খুঁড়ছেন এমন এক প্রশ্নের উত্তরে ওই বৃদ্ধ জানান, ঈশ্বরের ডাক এসেছে। তাই তাকে এবার পৃথিবী থেকে বিদায় নিতে হবে। তাই এখনই সব রকম ব্যবস্থা সেরে ফেলছেন। স্থানীয়রা ওই বৃদ্ধের এমন যুক্তিতে হতবাক। অপ্রীতিকর ঘটনা আটকাতে এরপর খবর দেয়া হয় পুলিশকে। ঘটনাস্থলে এসে তাকে উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, লাচ্চি রেড্ডি পরিবার-পরিজন ছেড়ে সাধুদের জীবনই অতিবাহিত করতেন। হঠাৎই একদিন তার মনে হয় ঈশ্বর তাকে ডাকছেন। ঈশ্বরের নির্দেশ মেনে পৃথিবী ছাড়তেই কবর খোঁড়ার কাজ করছিলেন তিনি। তবে অঘটন ঘটার আগেই তাঁকে রক্ষা করে পুলিশ। ভবিষ্যতে যাতে তিনি এমন কোনো পদক্ষেপ না নেন, তার জন্য ওই বৃদ্ধ ও তার মেয়েকে কাউন্সেলিং করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

##########################################################
১ হাজার বছরের কাজা নামাজ আদায় হবে এই দোয়াটি পাঠ করলে!
###########################################################
আলহামদু লিল্লাহি আ’লা কুল্লি নি’মাতিহী, আলহামদু লিল্লাহি আ’লা কুল্লি আ-লা-ইহী, আলহামদু লিল্লাহি ক্বাবলা কুল্লি হালিন, ওয়া ছাল্লাল্লাহু আ’লা খাইরি খালক্বিহী মুহাম্মাদিওঁ ওয়া আলিহী ওয়া আছহাবিহী আজমাঈ’ন, বিরাহমাতিকা ইয়া আরহামার রাহিমীন ।দোয়ার ফযীলতঃ এ দোয়াটির ফযীলত ও মর্তবা সম্বন্ধে ছাহাবীদের মধ্যে পরস্পর এখতেলাফ রয়েছে । আমিরুল মু’মিনীন হযরত ওমর (রা) বলেন যে, এ দোয়া যে ব্যক্তি শ্রদ্ধাসহকারে পাঠ করবে তার ছয়শত বৎসরের আদায় করা নামাজ এর বরকতে আল্লাহর দরবারে কবুল হয়ে যাবে । অনুরুপ হযরত ওসমান (রা) বলেছেন, সাতশত বৎসরর এবং হযরত আলী কাররাল্লাহু ওয়াজহু বলেছেন, যদি এ দোয়া পাঠকারীর এক হাজার বৎরের নামাজ কাজা হয়ে থাকে তাও এ দোয়ার বরকতে আল্লাহ্ তা’আলার দরবারে কবুল হয়ে যাবে । যা হোক হযরত রাসূলে করীম (স) এর মহিমায় এ পবিত্র দোয়ার ফযীলত বর্ণনাকালে ছাহাবীগন প্রশ্ন করলেন, হে আল্লাহর রাসূল ! মানুষের এরুপ ছয়, সাতশত ও হাজার বৎসর (হায়াত) বয়স কোথায় ? যে এর নামাজ কবুল হবে ? তখন রাসূলুল্লাহ (স) বললেন যে, এ দোয়া পাঠকারীর বাপ, দাদা, পরদাদা ও আত্মীয়স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশীদের নাম কবুল হয়ে বৎসর পূরন করা হবে ।
সুবাহানাল্লাহ্ । (সূত্র : ছহীহ্ নূরাণী অজিফা শরীফ)

Related Post