জীবিত ছেলেটিকে হাত – জীবিত ছেলেটিকে হাত পা বেধে কবর দেয়া হলো। তারপর যা ঘটল। ভিডিওসহঃ সেই সৃষ্টির আদিকাল থেকে মানুষ সবসময় আজব আর অদ্ভুত কাজ করতে বেশি আগ্রহী ছিলো। মানুষের সেই সহজার পবৃত্তি এখনও কমেনি বড়জোর বেড়েছে। অনেক মানুষ সবসময় চেষ্টা করে েএমন কাজ করতে যা দেখে অন্যরা আশ্চর্য হতে বাধ্য হয়। তেমনই একটি কাজ করল এই ছেলেছি। মাটির নিচে হাত পা বেধে মাটি চাপা দিয়ে রাখ হলো ছেলেটিকে প্রায় দুই ঘন্টা। তারপর সেই ছেলেটি মাটির ভিতর থেকে আবার জীবিত আর সুস্থ বের হয়ে আসল।
ভিডিওঃ

জীবিত ছেলেটিকে হাত পা বেধে কবর দেয়া হলো, এর যা ঘটলো তা এক কথায়…

জীবিত ছেলেটিকে হাত পা বেধে কবর দেয়া হলো, এর যা ঘটলো তা দেখলে চমকে যাবেন

Posted by ওরা কারা? ৪২০ on Tuesday, November 27, 2018

ভিডিও দেখতে এখানে ক্লিক করুন

অদৃশ্য ব্যবসায়ীছ ‘হ্যালো, ভাই কোথায় আছ? হ’ কন। আছি। টাকা পাঠাইছেন? হ্যাঁ, পাঠিয়েছি, ৫টা। তোমার আগের নাম্বারে। হ, ঠিক আছে। একটা কাজ করেন ভাই। কী করব, বল? কোথায় আছ তুমি? আমার কথা বাদ দেন। আমি আছি এক জায়গায়। আপনি যেখানে আছেন, আমি দেখছি আপনারে। আপনি সোজা হাঁইটা যান। বড় রাস্তায় উইঠা বামে মোড় দেবেন। ফুটপাথে উঠলেই একটা লাইটপোস্ট পাইবেন। লাইটপোস্টে একটা কাঠের বাক্স দেখবেন। চাকরির বিজ্ঞাপন দেওয়া আছে। ওই বাক্স পর্যন্ত হাত দিতে হইব না। আরেকটু নিচে লাইটপোস্টে হাত লাগান। স্কচটেপ দিয়ে লাগানো আছে। জিনিস স্কচটেপের ভিতরেই। কাগজে মোড়ানো। টান দিয়া উঠায়া নিলেই পাইয়া যাইবেন। তাড়াতাড়ি নিয়া আমারে জানান।’ মিরপুরের সবুজ ইয়াবার একজন খুচড়া ব্যবসায়ীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা বলার পর সেই লাইটপোস্টের কাছে যান। লাইটপোস্টের নির্দিষ্ট স্থানে হাত দিয়েই বুঝতে পারেন, স্কচটেপ লাগানো আছে। সেটি তুলেই পেয়ে যান সেই কাগজটি। হাতের মুঠিতে নিয়েই বুঝতে পারেন অর্ডার দেওয়া ৫ পিস ইয়াবা ঠিকঠাক আছে। সবুজ ফোন করে সেই মাদক ব্যবসায়ীকে জানিয়ে দেন, সব ঠিক আছে। এভাবে সবুজ রাস্তার ওপর পড়ে থাকা সিগারেটের প্যাকেটে, দেয়ালের সঙ্গে ঝোলানো কোনো পলিথিনের প্যাকেটে বা রাস্তার পাশের কোনো ইটের নিচে চাপা দিয়ে রাখা ছোট কাগজের পোঁটলা তুলে অর্ডার করা ইয়াবা ট্যাবলেট হাতে পেয়ে যান। মিরপুর এলাকার সেই মাদক ব্যবসায়ী অদৃশ্য থেকে মাদকের ক্রেতাদের হাতে এভাবেই তুলে দিচ্ছেন ইয়াবা। মাদক দৃশ্যমান হলেও ব্যবসায়ী থেকে যাচ্ছে অদৃশ্য। এতে সে নিজে যেমন রিস্কের বাইরে থাকছে, ঠিক তেমনি ক্রেতারও ঝুট-ঝামেলা টেনশন ছাড়া হাতে চলে আসছে কাঙ্ক্ষিত ইয়াবা। যাস্ট বিকাশের মাধ্যমে টাকা পাঠিয়েই রাস্তায় পড়ে থাকা কোনো কিছুর মাঝে পেয়ে যাচ্ছেন মাদক। এমন দৃশ্য এখন সবখানের। সম্প্রতি দেশব্যাপী মাদকের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সর্বাত্মক অভিযানের পর নানা কৌশলে মাদকের বেচাকেনা চলছে। মাদক ব্যবসায়ীরা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে ক্রেতাদের হাতে তুলে দিচ্ছে মাদক। সংশ্লিষ্টরা বলছে, মাদক নানা পথে দেশে ঢুকছে। ছড়িয়ে পড়ছে সারা দেশে। আর নানা কায়দায় ইয়াবা যাচ্ছে সেবনকারীদের হাতে। জানা গেছে, পুলিশ-র‌্যাবের বিশেষ অভিযানের কারণে রাজধানীতে এখন মাদক ব্যবসার ধরন পাল্টেছে। মোবাইল ফোনে ডেকে এনে কিংবা নিরাপদ কোনো স্থানে নিয়ে ক্রেতাদের হাতে মাদক তুলে দেন বিক্রেতারা। কড়াকড়ির কারণে ইয়াবার দামও আগের চেয়ে কিছুটা বেড়েছে। মাদকের স্পট হিসেবে পরিচিত মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্প, মিরপুরের নিউ সি ব্লক, ভাষানটেক এলাকার ব্যবসায়ী অদৃশ্য থেকেই মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ইয়াবা সরবরাহ করছে। এসব এলাকার পুলিশ সদস্যরাও স্বীকার করেছেন মাদক বিক্রি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়নি। গত ৪ মে থেকে দেশজুড়ে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এর মধ্যে ২৬ মে জেনেভা ক্যাম্পে প্রথমে অভিযান চালিয়ে ১৩ হাজার ইয়াবা বড়ি ও ৩০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে র‌্যাব। এর ২৪ দিন পর ২০ জুন পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে ৭০০ ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করে। পরবর্তীতে আরও বেশ কয়েকবার এই আখড়ায় মাদকের অভিযান চলে। মাদকও সেখান থেকে উদ্ধার হয়। পুলিশ-র‌্যাবের অভিযানের পরও জেনেভা ক্যাম্পে মাদক ব্যবসা চলছে। ক্যাম্পের বেশ কয়েকজন দোকানি এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, থানার কিছু পুলিশ সদস্যের সঙ্গে বড় মাদক ব্যবসায়ীদের সম্পর্ক রয়েছে। যে কারণে অভিযানের খবর আগেই পেয়ে যায় তারা। ক্যাম্পের বড় মাদক ব্যবসায়ীরা এখনো ধরা পড়েনি। মোবাইলে ক্রেতাদের ক্যাম্পের আশপাশে ডেকে ইয়াবা তুলে দেওয়া হচ্ছে এখন।

Related Post