প্রত্যেক প্রাণীকেই একদিন মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। মহান আল্লাহ তায়ালা পবিত্র কোরআনে স্পষ্ট করে উল্লেখ করেছেন, ‘কুল্লুন নাফসিন জায়্যিকাতুল মাউন’। অর্থ্যাৎ প্রতিটি প্রাণীই একদিন মৃত্যুর শরাব পান করবে। মুত্যুর পর মুসলমানেরা ইসলামের ব্যাখ্যা অনুযায়ি গোসলের পর মৃতদেহকে কাফনের কাপড় পরিধান করানো হয়। এরপর জানাজা করে দাফন করা হয়। কিন্তু আপনি জানেন কি, অন্য রঙের কোন কাপড়কে কাফনের কাপড় হিসেবে কেন ব্যবহার করা হয় না? এ প্রসঙ্গে ইবনে আব্বাস [রা] থেকে বর্ণিত হাদিসে পাওয়া যায়, তিনি বলেন, রাসুল [সা] বলেছেন, তোমরা সাদা রঙের কাপড় পরিধান করো। তোমাদের জীবিতরা যেনো সাদা কাপড় পরিধান করে, আর মৃতদের সাদা কাপড় দিয়ে দাফন দেয়। কেননা, সাদা কাপড় তোমাদের সর্বোত্তম পোশাক। (নাসায়ি, হাদিস-৫৩২৩) হযরত সামুরা ইবনে জুনদুব [রা] বলেন, রাসুল [সা] বলেছেন, তোমরা সাদা কাপড় পরিধান করো। কেননা, তা সর্বাধিক পবিত্র ও উত্তম। আর তা দিয়েই তোমরা মৃতদের কাফন দাও। (মুজামুল কাবীর, হাদিস-৯৬৪) ২৯ নভেম্বর

### যে স্বপ্ন গুলো দেখলে আপনার অনেক বড় ক্ষতি হতে পরে!###
আবূ ক্বাতাদাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ভালো স্বপ্ন আল্লাহর তরফ থেকে ও খারাপ স্বপ্ন শয়তানের তরফ থেকে হয়ে থাকে। কেউ এমন কিছু দেখল, যা সে অপছন্দ করে, সে যেন বামদিকে তিনবার থুথু ফেলে এবং শয়তান থেকে আশ্রয় চায়। তাহলে এ স্বপ্ন তার কোন ক্ষতি করবে না। আর শয়তান আমার আকৃতি ধরতে পারে না। [ বুখারী শরিফ] তিন নাম্বার কোন বিষয় নিয়ে চিন্তা ফিকির করতে থাকলে ঐ বিষয়ও মানুষ স্বপ্নে দেখে। আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি স্বপ্লের মধ্যে আমাকে দেখতে পেয়েছে সে আমাকেই দেখতে পেয়েছে। কেননা, শাইতান আমার রূপ (সাদৃশ্য) ধারণ করতে পারে না। তিনমীজি, ইবনু মা-জাহ (৩৯০০)।আবূ ঈসা বলেন, আবূ হুরাইরা, আবূ কাতাদা, ইবনু আব্বাস, আবূ আবূ বাকরা ও আবূ সাইদ, জাবির, আনাস, আবূ মালিক আল-আশজাঈ তার পিতার সুত্রে, আবূ বকরা ও জুহাইফা (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। উবাদাহ ইবনু সামিত (রাঃ) সূত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেনঃ মু’মিনের স্বপ্ন নবুয়তের ছেচল্লিশ ভাগের এক ভাগ।বুখারী শরিফ সাবিত, হুমায়দ, ইসহাক ইবনু ‘আবদুল্লাহ্ ও শু‘আয়ব (রহ.) আনাস (রাঃ) সূত্রে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে একই রূপ বর্ণনা করেছেন। [মুসলিম, আহমাদ]ফাযায়েলে আমাল, ফাযায়েলে সাদাকাত, ফাযায়েলে হজ্ব ফাযায়েলে দরূদে এমন কিছু ঘটনা আছে, যাতে দেখা যায় যে, কোন কোন বুযুর্গ রাসূল সাঃ এর রওযা পাশে ক্ষুধার্ত অবস্থায় ঘুমিয়ে গেছেন, ঘুমের মাঝে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উক্ত ব্যক্তি রুটি দিয়েছেন। আর সেই রুটি উক্ত ব্যক্তি ঘুমের মাঝেই খেয়েছেন। রুটির কিছু অংশ বাকি রইল। এমন সময় ঘুম ভেঙ্গে গেল। ঘুম থেকে জেগে দেখেন উক্ত রুটির অর্ধেক অংশ এখনো হাতেই রয়েছে। মুহাম্মাদ ইবনু আবূ বকর মুকাদ্দামী (রহঃ) … আবদুল্লাহ ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি মদিনা সম্পর্কে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্বপ্নের বর্ণনা প্রসঙ্গে বলেন। তিনি বলেছেনঃ আমি দেখেছি এলোমেলো চুল বিশিষ্ট একজন কালো মহিলা মদিনা থেকে বের হয়েছে। অবশেষে মাহইয়াআ নামক স্থানে অবস্থান নিয়েছে। আমি এর ব্যাখ্যা এরূপ প্রদান করলাম যে, মদিনার মহামারী মাহইয়াআ তথা জুহফা নামক স্থানে স্থানান্তরিত হল. স্বপ্নে এলোমেলো চুলবিশিষ্ট মহিলা দেখা । ইবরাহীম ইবনু মুনযির (রহঃ) … সালিমের পিতা আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি স্বপ্নে দেখেছি। এলোমেলো চুল বিশিষ্ট একজন কালো মহিলা মদিনা থেকে বের হয়ে মাহইয়াআ তথা জুহফা নামক স্থানে গিয়ে থেমেছে। আমি এর ব্যাখ্যা এরূপ দিলাম যে মদিনার মহামারী তথায় স্থানান্তরিত হল।যাইহোক আমাদের মূল আলোচনা ইটা না ,মূল আলোচনায় আসি

সাদা কাপড় পরা : যদি কোনো মেয়ে স্বপ্নে দেখে সে নিজে সাদা কাপড় পরা অবস্থায় আছে, তাহলে ধরে নিতে হবে যে খারাপ কিছু ঘটতে যাচ্ছে তার সঙ্গে। যদিও বর্তমান যুগে এ ধরনের যুক্তি ভিত্তিহীন মনে হতে পারে। তবে একাধিক প্রাচীন বইয়েও এই বিষয়ের উল্লেখ পাওয়া গেছে যে স্বপ্নের সঙ্গে আমাদের বাস্তব জীবনের একটা গভীর সম্পর্ক রয়েছে। তাই এমন স্বপ্ন দেখলে বিষয়টিকে হলকাভাবে নেওয়া একেবারেই উচিত হবে না। দূরে ঘুরতে যাওয়া মানা : আপনি আগামী কাল দূরে কোথাও ঘুরতে যাচ্ছেন। কিন্তু সে দিন রাতেই যদি আপনার পরিবারের কোনো সদস্য এই বেড়াতে যাওয়া নিয়ে কিছু খারাপ কোনো স্বপ্ন দেখে। তাহলে আপনার উচিত সেই ভ্রমণ বাদ দেয়া। কারণ এমন ধরনের স্বপ্ন দেখার অর্থ হলো এই ভ্রমণে মারাত্মক খারাপ কিছু হতে পারে।

Related Post