ডিম ও অলিভ অয়েল: ২টি ডিম ফেটিয়ে নিন। ৩ টেবিল চামচ অলিভ অয়েল মেশান। মিশ্রণটি চুলে ১ ঘণ্টা লাগিয়ে রাখুন। মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন চুল। সপ্তাহে একবার ব্যবহার করুন হেয়ার প্যাকটি।

নারকেলের দুধ ও লেবু: ১/৪ কাপ নারকেলের দুধের সঙ্গে ১ টেবিল চামচ লেবুর রস মিশিয়ে নিন। মিশ্রণটি ফ্রিজে রেখে দিন সারারাত। পরদিন চুলের আগা থেকে গোড়া পর্যন্ত প্যাকটি লাগান। আধা ঘণ্টা পর ভেষজ শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে একবার ব্যবহার করুন প্রাকৃতিক উপায়ে চুল সোজা করার জন্য। দুধ ও মধু: ১/৪ কাপ দুধের সঙ্গে ২ টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে নেড়ে নিন। চুল ভাগ করে মিশ্রণটি লাগান। শাওয়ার ক্যাপ দিয়ে চুল ঢেকে রাখুন ২ ঘন্টা। ঠাণ্ডা পানি ও মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন। চালের আটা ও ডিম: ১টি ডিম ফেটিয়ে নিন। ৫ টেবিল চামচ চালের আটা ও ১/৪ কাপ দুধ মেশান। মিশ্রণটি ১ ঘণ্টা চুলে লাগিয়ে রেখে শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। অ্যালোভেরা ও নারকেল তেল: ১/৪ কাপ নারকেল তেল মেশান গরম করে নিন। সমপরিমাণ নারকেল তেল মিশিয়ে নিন গরম নারকেল তেলে। মিশ্রণটি চুলে লাগিয়ে রাখুন। ১ ঘণ্টা পর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।, কলা ও মধু: ২টি কলা চটকে ২ চা চামচ মধু মিশিয়ে চুলে লাগান। আধা ঘণ্টা পর শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
চুল সোজা করার ঘরোয়া পদ্ধতি
———————————
পার্লারে চুল স্ট্রেইট বা রিবন্ডিং করতে কেমিকল ব্যবহার করা হয়, যা চুলের জন্য ক্ষতিকর। তবে প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করে ঘরেই তৈরি করা যায় ‘হেয়ার স্ট্রেইটনিং মাস্ক’। রূপচর্চাবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে চুল সোজা করার মাস্ক তৈরির পদ্ধতি এখানে দেওয়া হল। কয়েকদিনের ব্যবহারে সুফল পাওয়া যায়। এই মাস্ক তৈরিতে লাগবেঃ এককাপ নারিকেলের দুধ। পাঁচ থেকে ছয় টেবিল-চামচ লেবুর রস। ‍দুই টেবিল-চামচ অলিভ অয়েল। তিন টেবিল-চামচ কর্নস্টার্চ।

পদ্ধতিঃ # নারিকেলের দুধ, অলিভ অয়েল এবং লেবুর রস খুব ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। এরপর অল্প অল্প করে কর্নস্টার্চ ওই মিশ্রণের সঙ্গে মিশিয়ে নিতে হবে। খুব ভালোভাবে মেশাতে হবে যেন কোনো দানা না থাকে। # এখন মিশ্রণটি অল্প আঁচে চুলায় দিয়ে গরম করতে হবে। এসময় প্রতিনিয়ত মিশ্রণটি নাড়তে হবে। কিছুক্ষণ পর মিশ্রণটি ঘন ক্রিমের মতো হয়ে যাবে। # মিশ্রণটি ঠাণ্ডা হয়ে গেলে একটি বয়ামে সংরক্ষণ করুন। # গোছলের আগে মিশ্রণটি চুলে লাগান। কিছুটা শুকিয়ে গেলে শ্যাম্পু করে কন্ডিশনার ব্যবহার করতে হবে। # সপ্তাহে দুবার করে টানা দুমাস ব্যবহার করলেই চুল স্ট্রেইট হয়ে যাবে। তাছাড়া এই মাস্ক ব্যবহারে চুল ঝলমলে হয় আর সামলানও সুবিধা হয়।

Related Post