সবসময় সন্তানের সুখকে প্রাধান্য দেয় শাকিব: অপু

‘জয়ের বাবা সন্তানের সুখের জন্য সবকিছুই করতে পারেন। সবসময় সন্তানের সুখকে প্রাধান্য দেয় শাকিব। ছেলের কখন কি লাগবে এ ব্যাপারে যথেষ্ট সচেতন সে। শাকিব যখন জয়ের স্কুলে ঢুকেছে, তখন তার মধ্যে নায়কোচিত কোনো ব্যাপার ছিল না। জয়ের বন্ধুদের সঙ্গে খেলায় মেতে ছিল। পুরো সময়টা খুব আনন্দের মধ্যে কাটিয়েছে। আমার ছেলে তার বাবাকে কাছে পেলে আর সব ভুলে যায়। সন্তান আমার কাছে সব সময় খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল।’

বলছিলেন চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। গত ১৩ ডিসেম্বর শাকিব-অপুর একমাত্র সন্তান আব্রাম খান জয়ের স্কুলের অনুষ্ঠানে আবার এক হয়েছিলেন শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস। দুই ঘণ্টারও বেশি সময় স্কুলে জয়ের বন্ধুদের সঙ্গে খেলায় মেতে ছিলেন শাকিব ও অপু। তখন শাকিবকে নিয়ে অপু এসব কথা বলেন। তিনি জানান, স্বামীর সঙ্গে মনোমালিন্যও হয়েছে সন্তানের কারণে। সেই সন্তানকে যখন তার বাবা আমার চেয়ে বেশি পজিটিভ দেখছে, আমার আর চাওয়া-পাওয়ার কিছু নেই। এতেই আমি শতভাগ পেয়ে গেছি। অপু বিশ্বাস বলেন, মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জয়ের স্কুলে একটা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আমি জয়ের বাবাকে বলেছিলাম, চলো, অনুষ্ঠানে আমরা একই পোশাক পরি। একই পোশাক পরলে ভালো হয়। জয়ের বাবাও বলল ঠিক আছে। ভাবনাটা তো সুন্দর। জয়ের ক্লাসে সব মিলিয়ে ২০ জন শিক্ষার্থী, সবাই সন্তানের সঙ্গে মিলিয়ে পোশাক পরেছে। শাকিবও আমার কথা মতো একই ডিজাইনের পোশাক পরেছে। এটা জয়ের জন্য ছিল বাড়তি আনন্দ।

অপু জানান, তাদের ম্যাচিং করা পোশাক পরার পেছনে একটি উদ্দেশ্যও ছিল। স্কুল কর্তৃপক্ষের চাওয়া, প্রি-স্কুলের শিক্ষার্থীদের বাবা-মায়ের ছবি দেওয়ালে টাঙিয়ে রাখা হবে। কারণ, শিক্ষার্থীরা যখন ক্লাসে ঢুকবে, তখন তারা যেন বাবা-মায়ের হাসিমুখের ছবিটাই দেখে। এখান থেকে বাচ্চারাও উৎসাহিত হবে। বাচ্চাদের হ্যাপি মোমেন্টস উপহার দেওয়াটাই মূল উদ্দেশ্য। ২০০৮ সালের ১৮ এপ্রিল শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসের বিয়ে হয়। বিয়ের ব্যাপারটি কঠোর গোপনীয়তার মধ্যে রেখে তারা দুজন সমানতালে সিনেমার শুটিং করে গেছেন। গত বছর ১০ এপ্রিল একটি টেলিভিশন চ্যানেলে ছেলে আব্রামকে সঙ্গে নিয়ে উপস্থিত হন অপু।

২০০৮ সালের ১৮ এপ্রিল শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসের বিয়ে হয়। দীর্ঘদিন গোপন রাখার পর একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের লাইভ অনুষ্ঠানে বিয়ের তথ্য প্রকাশ করেন অপু বিশ্বাস। ২০১৭ সালের ২২ নভেম্বর বিবাহ বিচ্ছেদের কাগজে সাক্ষর করেন শাকিব খান। এরপর তাদের বিবাহবিচ্ছেদের বিষয়টি ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের কাছে গেলে সেখান থেকে শাকিব-অপুকে তলব করা হয়। সেখানে অপু বিশ্বাস উপস্থিত থাকলেও শাকিব খান উপস্থিত ছিলেন না। আইনি প্রক্রিয়ায় তখন তাদের ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়।

(Visited 143 times, 2 visits today)

Related Post

You may also like...