দিল্লির নিজামুদ্দিন মারকাজের বর্তমান আমির মাও. সাদ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জায়গায় কুরআন, হাদিস, ইসলাম, নবি-রাসুল নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন।

তিনি তার এ সব আপত্তিকর মন্তব্যের জন্য দেওবন্দ মাদ্রাসা সহ বিশ্ব বরেণ্য ওলামা মাশায়েখদের কাছে বিতর্কিত হয়েছেন। তাঁর বিতর্কিত মন্তব্যগুলোর কারনে তাবলিগ জামাতের মধ্যে ফাটল দেখা দিয়েছে। দুই পক্ষের মাঝে তৈরি হয়েছে নানা বিষয় নিয়ে দন্দ। তার কিছু বিরুপ প্রভাব বাংলাদেশেও পরেছে।

তার আলোচিত ফোতোয়া গুলোর মাঝে একটি হচ্ছে,

ভোট দেয়া থেকে বিরত থাকা
ভোটের সময় চিহ্ন হিসাবে (আঙুলে) যে রং লাগানো হয়, তার কারণে নামাজ হয় না। তাই ভোট না দেয়া উচিত। ভোটের কালিতে ওযু হয় না,তাই ভোট দেয়া উচিত না। কিন্ত উপমহাদেশের সবচেয়ে বড় মাদ্রাসা দারুল উলুম দেওবন্দের আলেমরা মনে করেন ভোটের কালি কলমের কালির মতই, এটা হাতে লাগলে ওযু হয়। তাই সকল আলেমদের মতে এখানে নামাজ না হওয়ার কোন প্রশ্নই আসে না।

তাঁর দেয়া ‘মাওলানা সাদ সাহেবের আপত্তিকর’ বক্তব্যগুলোর মধ্যে আরো কিছু যেমন…

# হেদায়েতের সম্পর্ক যদি আল্লাহর হাতে হতো; তাহলে তিনি নবি পাঠাতেন না।

# ক্যামেরাওয়ালা মোবাইল রাখা হারাম এবং পকেটে ক্যামেরাওয়ালা মোবাইল রেখে নামাজ হয় না। যে আলেমগণ ক্যামেরাওয়ালা মোবাইল রাখাকে ‘জায়েজ’ বলেন, তারা ‘ওলামায়ে ছু’। বার বার কসম খেয়ে তিনি বলেন, তারা হলো ‘ওলামায়ে ছু’। এমন আলেমরা হলো গাধা! গাধা! গাধা!

# মাদরাসাগুলোতে জাকাত না দেয়া হোক। মাদরাসায় জাকাত দিলে জাকাত আদায় হবে না।

jagonews24.com

Related Post