মতিলাল ও রঘুবীর। তারা দুজনেই গরীব। কিন্তু হঠাৎ করে তারা কোটিপতি বনে গেছেন। জানা গেছে, ভারতের মধ্যপ্রদেশের পান্না জেলায় দুই মাস আগে স্থানীয় দুই শ্রমিক মতিলাল ও রঘুবীর মাটি কাটতে বের হন। মাটি কাটার সময়ে তারা একটি হীরা পান। পরে সেই হীরাটি সংগ্রহ করে নিয়ে ওই জেলার কর্মকর্তার অফিসে নিয়ে যান তারা। তার পরেই সরকারের তরফে নিলামের আয়োজন করা হয়।প্রতি ক্যারেট হীরার দাম ৬ লাখ টাকা। ওই শ্রমিকদের হীরাটি ৪২ ক্যারেটের। মোট ২ কোটি ৫৫ লাখ টাকায় বিক্রি হয় হীরাটি।এক হিরে ব্যবসায়ী হীরাটি কেনেন। মোট টাকার কিছু অংশ ট্যাক্স হিসাবে দিতে হয় মতিলাল ও রঘুবীরকে। সেই টাকা নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে নেন তারা। যার ফলে রাতারাতি মাটি কাটতে গিয়ে কোটিপতি হয়ে গেছেন মতিলাল ও রঘুবীর।
####################################
নুহ নবীর নৌকা তুর্কি পর্বতেছ: তুরস্কের আরারাত পর্বতেই নুহ নবীর নৌকা রয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক একদল গবেষক। এর আগে ২০১০ সালে একজন খ্রিষ্টান আবিষ্কারকও দাবি জানিয়েছিলেন যে, তুরস্কের কোনো এক পাহাড়েই আটকে আছে নুহ নবীর সেই নৌকা। যদিও সেসময় তাদের ওই দাবি উড়িয়ে দেয়া হয় পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাবে। বাইবেলের সূত্র মতে জানা যায়, নুহ নবীর নৌকা পানিতে ভেসে থাকার ১৫০ দিন পর আরারাত পর্বতে গিয়ে ঠেকে এবং সেই পাহাড় থেকেই নতুন যাত্রা শুরু হয়। কিন্তু এতোদিন বিভিন্ন গবেষকরা এই দাবি প্রমাণের অভাবে উড়িয়ে দিয়েছিলেন। সম্প্রতি এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে মিলিত হয়েছিলেন বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা শতাধিক গবেষক। এই সম্মেলনে তাদের যোগ দেয়ার কারণ নুহ নবীর নৌকা। নৌকাটি আরারাত পর্বতে রয়েছে এমন দাবির পক্ষে উত্থাপিত প্রমাণ যাচাই করে দেখার জন্যই এই সম্মেলন।গবেষকদের মধ্যে উপস্থিত অধ্যাপক রাউল এসপ্রান্তে বলেন, ‘আমার উদ্দেশ্য হলো ওই পর্বতটিকে ঘুরে দেখা এবং অতীতে এখানে কোনো দুর্যোগ হয়েছিল কিনা তা পরীক্ষা করে দেখবো। পর্বত ঘেটে তথ্য উপাত্ত খোঁজার চেষ্টা করা হবে দাবির পক্ষে।’
২০১০ সালেও একদল চীনা ও তুর্কি ধর্মপ্রচারক অভিযাত্রী নুহ নবীর নৌকাটি খুঁজে পাবার এক অভিযান পরিচালনা করেছিলেন। অভিযান পরিচালনার কয়েক সপ্তাহ পর তারা দাবি করেন যে, তারা কাঠের কিছু নিদর্শন পেয়েছেন যা দিয়ে বোঝা যায় নৌকাটি প্রায় তেরো হাজার ফুট উপরে অবস্থান করছিল।অধ্যাপক এসপ্রান্তে আরো বলেন, ‘আমার গবেষণার ফলাফল খুব জলদিই বই আকারে প্রকাশ করা হবে। কিন্তু এটা এমন একটা ব্যাপার যে ঠিক করে বলা মুশকিল যে কোথায় আছে নুহ নবীর সেই নৌকা। বিজ্ঞানীরা যদি শেষপর্যন্ত বলে যে, আরারাত পর্বতেই রয়েছে নৌকাটি, তবে আমরা বিশ্ববাসীর কাছে তা প্রচার করতে পারবো।’

Related Post