বিবাহিত মহিলারা- পরকীয়া কথাটা এখন ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। পরকীয়া করা খারাপ, এটা বাস্তব। বিবাহিত মহিলারা পরকিয়াতে বেশি জড়ানোর কারণ খোঁজ করেছেন একদল গবেষক মূলত ৫টি কারণ পাওয়া গিয়েছে ।
নিঃসঙ্গতা: চাকরি শেষে অনেক মহিলাই সন্ধের মধ্যে ঘরে ফেরেন। কিন্তু তাঁদের স্বামীরা দেরি করে ফেরে। অনেকের স্বামী আবার অনেক দূরে কাজ করেন। এর ফলে বিবাহিতাদের মধ্যে নিঃসঙ্গতা বাড়ে। এই জন্য পরকীয়ায় জড়ানোর সম্ভাবনা বাড়ে।
লোভ: বিবাহিত জীবনে যৌন-সম্পর্কে অখুশি থাকে।
বৌদ্ধিক তারতম্য: স্বামী এবং স্ত্রীর মধ্যে বৌদ্ধিক তারতম্য, বা ইন্টেলেকচুয়াল ডিফারেন্সর কারণেও পরকীয়া হয়ে থাকে।

স্বামীর দৃষ্টি আকর্ষণের অভাব: নানারকম কারণে অনেকের ক্ষেত্রেই স্বামীর মনোযোগ পায়না। এ থেকেই আসে মনোভঙ্গ। এর থেকেই করে থাকে পরকীয়া।
অর্থ এবং ক্ষমতা: ভারতে,পরপুরুষের অর্থ এবং ক্ষমতার লোভে অনেকে ঘর ছেড়ে গেছেন। কিন্তু ভারতে নারীদের সংখ্যা এই ক্ষেত্রে অনেক কম। একটু সময় করে সিজারে বাচ্চা নেওয়ার ভয়ঙ্কর পরিণতি জেনে নিনঃ এক নার্স (সেবীকা)হলি ক্রস মেডিক্যালএর চিকিৎসক হিসেবে কাজ করছেন ! গত মাসে তার ফুটফুটে পুত্র সন্তান হয় । আমি তাকে প্রশ্ন করেছিলাম সিজারে অনেক বাচ্চা ই তো পৃথিবীতে নিয়ে আসলি অপারেশন করে , এখন তোর সিজার কোন চিকিৎসক করবে ? উত্তরে জানায় ,নরমাল ডেলিভারি ‘র জন্য প্রিপারেসন নেওয়া হয়েছে । কারন ! সিজারে বাচ্চা হলে একজন নারী ২য় ,৩য় বার পুনরায় মা হতে গেলে ঝুকি থাকে ৯০.৭ % । অনেক সময়েই বাচ্চার শরীর ছুরি , কাচি লেগে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ ক্ষতি হয় যা আমাদের দেশের চিকিৎসক গন কাউকেই বলেন না ! অর্থের লোভে প্রত্যেক গর্ভবতী মা কে মেডিক্যাল চেকাপ এর আগে থেকে ই বলে রাখা হয় সিজারে বাচ্চা নিতে হবে অন্যথায় ! মৃত্যু ঝুঁকির ভয় দেখানো হয় । জাতিসংঘের স্বাস্থ্য বিসয়ক সংস্থা WHO জানিয়েছে একটি দেশে ‘র ১৫% মেয়ে যদি একান্তে ই না পারে স্বাভাবিক প্রক্রিয়া তে বাচ্চা নিতে , সে ক্ষেত্রে সিজার করাতে হবে। আমার দেশে বর্তমান সিজারে বাচ্চা হচ্ছে সে অনুপাতে ৯৭.৩% যা নারী স্বাস্থ্য’র জন্য ঝুঁকিপূর্ণ । এই সিজারে বাচ্চা নিতে গেলে যেমন মা মারা যায় বেশীরভাগ সময় তেমনি ক্ষতি হয় নব জন্ম নেওয়া শিশুটির । সিজারে হওয়া বাচ্চা অনেক বেশী অসুস্থ থাকে একটু খেয়াল করে দেখবেন, যা নরমালে হওয়া বাচ্চাদের হয় না খুব একটা । প্রতি বছর সিজারে বাচ্চা হতে গিয়ে মারা যায় আমাদের দেশে ২৭.৯% মা ,শিশু । এই ছারাও সিজার অপারেশনে রোগীর জন্য রক্ত চাওয়া হয় অনেক সময় ই ১০-১৫ ব্যাগ , যার মধ্যে বড় জোর ২ ব্যাগ রক্ত কাজে লাগিয়ে অন্যগুলো বিক্রি করা হয় । সামাজিক স্ট্যাটাস হয়ে গেছে এখন সিজারে বাচ্চা নেওয়া ! যা বর্তমান নারী দেহ কে ধ্বংস করে দিচ্ছে নীরবে,চিকিৎসকরা সবই জানেন , বুঝেন কিন্তু হাঁসপাতালের মালিক দের খুশী রাখতে এবং নিজেদের অর্থনীতি কে শক্তিশালী করতে তারা করেন নারীর পেট কাঁটা বিজনেস ।

সুত্রঃ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ , পিজি হাঁসপাতালের গাইনি বিভাগের
অধ্যাপক। টানা এক মাস প্রতিদিন ২টি করে কলা খান, তারপর হাতেনাতে ফলাফলঃ তিদিন একটি আপেল ডাক্তার থেকে দূরে রাখবে। অথচ কলা সম্পর্কে এরকমভাবে এতো সুন্দর করে আমরা সাধারণত কিচ্ছু বলি না।

কলাকে আমরা এই অবহেলা করি কারণ কলা আপেলের মতো সেরকম উচ্চ পর্যায়ের না বলে? একমাত্র ব্যাচেলর এবং জিম সচেতন ব্যক্তিরাই কলাকে যথাযথভাবে মূল্যায়ন করে থাকে। হায়ার পারসপেক্টিভ ডটকমের একটি প্রতিবেদন অনুসারে, প্রতিদিন ২টি পাঁকা কলা খেলে ফলাফল পাবেন হাতেনাতে, তা আপনাকে দীর্ঘ সুস্থ জীবন যাপনে নেতৃত্ব দিতে পারে।হতাশার সঙ্গে যুদ্ধ করবে বিজ্ঞানিকভাবেই প্রমাণিত হয়েছে, খাদ্যাভাস হিসেবে কলা বিষন্নতার সঙ্গে লড়াই করতে সাহায্য করে। কলার মধ্যে খুবই উচ্চ ঘনত্বের ট্রিপটোফেন নামক এক প্রকার অ্যামিনো এসিড রয়েছে। বিষন্নতায় ভুগলে তাই দিনে ২টি করে কলা খেতে পারেন। কেননা এতে থাকা ট্রিপটোফেন শরীরের সেরোটোনিনে রূপান্তিরত হয়, যা বিষন্নতা কমাতে সাহায্য করে এবং মেজাজ ভালোর দিকে নিয়ে যায়। কর্মশক্তি যোগাবে কলার মধ্যে তিন ধরনের প্রাকৃতিক চিনির শক্তিশালী মিশ্রণ থাকে, এগুলো হচ্ছে: ফ্রুক্টোজ, গ্লুকোজ এবং সুক্রোজ। কলার এসব প্রাকৃতিক চিনি আপনার রক্তে শর্করার মাত্রা বজায় রাখবে এবং আপনাকে দেবে দিনের প্রয়োজনীয় কর্মশক্তি।

উচ্চ রক্তচাপ কমাবেঃ আপনার উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থাকলে, প্রতিদিন ২টি কলা খেতে পারেন। কারণ এতে থাকা উচ্চমাত্রার পটাসিয়াম ও নিম্নমাত্রার সোডিয়াম শরীরের রক্ত চাপ কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া যারা হৃদরোগে ভুগছেন, তাদের জন্য কলা অত্যন্ত সহায়ক। শরীরে হাড়ের ঘনত্ব বৃদ্ধিতে সাহায্য করবেঃ কলাতে যে পরিমান ক্যালিশিয়াম পাওয়া যায়, তা আপনার শরীরের হাড়ের ঘনত্ব বৃদ্ধির জন্য যথেষ্ট। প্রতিদিন ২টি কলা খেলে, তা আপনাকে দেবে মজবুত পেশী। এছাড়া যারা হাড়ের গাঁটে গাঁটে বাতের ব্যাথার সমস্যায় ভুগছেন, তাদের খাদ্যাভাসে কলা রাখতে পারেন। শরীর থেকে নিকোটিন অপসারণ করবেঃ ধূমপান সম্প্রতি ছেড়ে দিয়ে থাকলে, এই সিদ্ধান্তে অটুট থাকতে সাহায্য করবে কলা। ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার পরে শরীরের নিকোটিনের তাড়নায় আবারো ধূমপানে আসক্ত হয়ে পড়ার ঘটনা অস্বাভাবিক কিছু নয়। সুতরাং কলা খেলে তা শরীরে থেকে নিকোটিন অপসারণে ভূমিকা রাখে, ফলে ধূমপান ছাড়ার পর শারীরিক অস্বস্তির মোকাবিলা করা যাবে। শরীরের ধকল কাটাবেঃ রাতে পার্টিতে গিয়ে মদ্যপানের পর শরীরে সৃষ্ট ড্রিহাইড্রেশন পূরণে সহায়ক কলা। কারণ, কলায় প্রচুর পরিমাণে পটাসিয়াম থাকায় শরীরের আদ্রতা এবং ইলেক্ট্রোলাইটস ফিরে পেতে সাহায্য করে।

যে ৫টি কাজে আপনি বুক জ্বালাপোড়ায় ভুগছেনঃ সবাই জানেন ফাস্টফুড, তৈলাক্ত খাবার বা মশলাদার খাবারে বুক জ্বালাপোড়া করে। কিন্তু এ ছাড়াও কিছু খাবার ও কাজ দায়ী হতে পারে যা অনেকেই জানেন না। বুক জ্বালাপোড়ার সমস্যাটি সবারই কোনো না কোনো সময়ে দেখা যায়। আর ভারী খাওয়াদাওয়া হলে, বিশেষ করে উৎসবের সময়ে তা আরো বেশি হয়। অতিরিক্ত খেয়ে ফেলার পর দেখা যায় বুক ও গলা জ্বলে যাচ্ছে। সবাই জানেন ফাস্টফুড, তৈলাক্ত খাবার বা মশলাদার খাবারে বুক জ্বালাপোড়া করে। কিন্তু এ ছাড়াও কিছু খাবার ও কাজ দায়ী হতে পারে যা অনেকেই জানেন না।

১) অ্যাভোকাডোঃ অ্যাভোকাডো স্বাস্থ্যকর বটে। কিন্তু তা খাওয়ার পর আপনার পেটে এসিড বাড়তে পারে। কারণ অ্যাভোকাডোয় থাকে অনেকটা মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট। তা বেশি সময় পেটে থাকে বলে এসিড বাড়াতে পারে ও এই এসিড গলা ও বুকে জ্বালাপোড়া তৈরি করতে পারে।
২) দুধঃ এসিডের সমস্যা কমাতে অনেকেই এক গ্লাস ঠাণ্ডা দুধ পান করে। কিন্তু এ কাজটি করার আগে দ্বিতীয়বার ভেবে নিন। কারণ ফুল ফ্যাট দুধের কারণেও আপনার পেটে এসিড বাড়তে পারে। তাই বুক জ্বালাপোড়া করলে বরং এন্টাসিড খেয়ে নেওয়াই ভালো।
৩) আঁটসাঁট পোশাকঃ স্টাইলিশ, ফ্যাশনেবল আঁটসাঁট পোশাক কিন্তু বুকে জ্বালাপোড়া তৈরি করতে পারে। কারণ পেটের ওপরে তা চেপে থাকে ও এসিড বাড়িয়ে দেয়। তাই একদম টাইপ পোশাক পরবেন না, তা যেন পেটের আশেপাশে কিছুটা আলগা হয় তার খেয়াল রাখুন।
৪) স্ট্রেসঃ স্ট্রেসে থাকলে পেটে এসিড বেশি হয়। এর পাশাপাশি আমাদের ব্যথার অনুভূতিও বেড়ে যায়। এ কারণে জ্বালাপোড়ার অনুভুতি বেশি হয়।
৫) চকলেটঃ চকলেটের কিছু উপাদান যেমন থিওব্রোমিন ও ক্যাফেইন থাকে যা বুকে জ্বালাপোড়া তৈরি করতে পারে। তাহলে কী করবেন? এসব খাবার খাওয়াই যাবে না? তা নয়। তবে এই খাবারগুলো খান কম পরিমাণে, আর সাথে রাখুন অ্যান্টাসিড।

Related Post

Spread the love
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •